কলকাতা: রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হতেই ছবিটা পালটে গেল কলকাতার রাজপথে। সোমবার বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর মঙ্গলবার সকাল হতেই দেখা গেল এক অদ্ভূত দৃশ্য। যে অটো ইউনিয়নগুলি এতদিন ঘাসফুল শিবিরের দখলে ছিল, সেখানেই এখন পতপত করে উড়ছে গেরুয়া নিশান! বেহালা থেকে বারাকপুর, উল্টোডাঙা থেকে কসবা - শহরের প্রায় প্রতিটি রুটেই অটোর মাথায় দেখা যাচ্ছে বিজেপির দলীয় পতাকা।[TECHTARANGA-POST:8788]সোমবার রাস্তাঘাট কার্যত শুনশান থাকলেও মঙ্গলবার সকাল থেকে অটোর সংখ্যা বেড়েছে। তবে, সেইসঙ্গেই বদলে গিয়েছে সংগঠনের রঙ। বালিগঞ্জের একটি অটোস্ট্যান্ডে দেখা গেল উৎসবের মেজাজ। চালকরা একে অপরকে গেরুয়া আবির মাখিয়ে দিচ্ছেন, ডিজে বাজিয়ে চলছে নাচ। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি ছেড়ে চালকদের এই গণ-ভোলবদল এখন শহরজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।[TECHTARANGA-POST:8778]কিন্তু, তৃণমূলের পুরনো ইউনিয়ন ছেড়ে কেন বিজেপির ছাতার তলায় আসছেন চালকরা? নেপথ্যে উঠে আসছে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ। যেমন - চালকদের অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা প্রতিটি রুটে ক্ষমতার অতিরিক্ত অটো নামিয়েছেন। কয়েক হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছে রুট পারমিট, যার ফলে চালকদের আয় কমেছে। তাছাড়া, দিনের পর দিন পুলিশের জরিমানার চাপও বাড়ছিল বলে দাবি চালকদের একাংশের। বেহালার এক অটোচালক আবার বললেন, "ইউনিয়ন নেতাদের একচেটিয়া দাপুটে মনোভাবের ফল আজ সরকারকে ভুগতে হল।"[TECHTARANGA-POST:8776]গত দু’মাসে এলপিজির দাম বৃদ্ধি এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি সঙ্কটের জেরে নাজেহাল হতে হয়েছে অটোচালকদের। ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে নিত্যযাত্রীদের সঙ্গে রোজের ঝামেলা লেগেই থাকে। এবার কেন্দ্রে ও রাজ্যে একই দলের সরকার অর্থাৎ ‘ডবল ইঞ্জিন’ জমানায় জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং স্বচ্ছ ইউনিয়ন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে - এমনটাই আশা করছেন তিনচাকার মালিকরা!
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার