ওয়াশিংটন: বারবার সফর স্থগিত হওয়ার পর অবশেষে ড্রাগনের দেশে পা রাখতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলতি মাসের ১৩ তারিখ, আগামী বুধবার তিনদিনের সরকারি সফরে বেজিং পৌঁছবেন তিনি। আগামী ১৫ মে পর্যন্ত চিনের রাষ্ট্রপ্রধান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা চলতে পারে। সোমবার চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র এই হাই-ভোল্টেজ সফরের কথা নিশ্চিত করেছেন।[TECHTARANGA-POST:8992]এর আগে গত মার্চ মাসের শেষে ট্রাম্পের চিন সফরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, ইরানের সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় সেই সফর ভেস্তে যায়। এপ্রিলের গোড়ায় ফের একবার চেষ্টা করা হলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করতে হয়। অবশেষে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চিনে যাচ্ছেন ট্রাম্প। মার্কিন ডেপুটি প্রেস সচিব অ্যানা কেলি এই সফরকে ‘অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন।[TECHTARANGA-POST:8991]যদিও দুই দেশের পক্ষ থেকে আলোচনার সুনির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ করা হয়নি, তবে কূটনৈতিক মহলের ধারণা ট্রাম্পের ঝোলায় থাকবে তিনটি প্রধান ইস্যু। যথা - ইরান সংকট: ইরান থেকে চিনের সস্তায় তেল কেনা বন্ধ করতে আর্জি জানাতে পারেন ট্রাম্প। কারণ চিন ইরানি তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা।তাইওয়ান বিতর্ক: তাইওয়ানের স্বশাসন নিয়ে আমেরিকার অবস্থান এবং চিনের দাবি নিয়ে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হতে পারে।শুল্ক যুদ্ধ: দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক টানাপোড়েন ও শুল্ক সংক্রান্ত সমস্যা মেটাতে বড় কোনও চুক্তির পথে হাঁটতে পারেন ট্রাম্প।[TECHTARANGA-POST:8990]অ্যানা কেলি জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকার মানুষের স্বার্থে চিনের সঙ্গে ‘দারুণ কিছু চুক্তি’ করতে মুখিয়ে আছেন। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আবহে চিন ও আমেরিকার এই বৈঠক শুধু দুই দেশের জন্যই নয়, বরং গোটা বিশ্বের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখন দেখার, বুধবার বেজিংয়ে ট্রাম্প নামার পর শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার