Hidden Stories (বাংলা)

গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে আঘাত? বিধানসভায় সাংবাদিকদের প্রবেশে কড়াকড়ি! বিজেপিকে ‘ফ্যাসিস্ট’ তোপ তৃণমূলের

কলকাতা: গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার অভিযোগ উঠল রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। বিধানসভা ভবনে সাংবাদিকদের অবাধ প্রবেশাধিকার ও গতিবিধির ওপর কড়াকড়ি ও নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদে এবার অলআউট আক্রমণে নামল প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির এই পদক্ষেপকে ‘ফ্যাসিস্ট’ এবং ‘বাঙালি বিরোধী’ মানসিকতার প্রতিফলন বলে আখ্যা দিয়ে নিজেদের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির।[TECHTARANGA-POST:9606]তৃণমূলের অভিযোগ, দেশের যেকোনও প্রান্তে ক্ষমতার অলিন্দে থাকা রথী-মহারথীদের যাঁরা প্রশ্ন করার সাহস দেখান, সেইসব সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করতে মরিয়া বিজেপি সরকার। দেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রসঙ্গ টেনে জোড়াফুল শিবিরের তীব্র কটাক্ষ, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেমন তাঁর দীর্ঘ মেয়াদে আজ পর্যন্ত একটিও প্রকাশ্য সাংবাদিক বৈঠক করেননি, ঠিক সেই একই পথ অনুসরণ করে এই রাজ্যের বিজেপি সরকারও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে চাইছে।"[TECHTARANGA-POST:9605]মূল বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভা ভবনের ভিতরে রিপোর্টার এবং চিত্র সাংবাদিকদের গতিবিধির ওপর এক নতুন ফতোয়া জারি করাকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের দাবি, সরকারের নানা ব্যর্থতা ও অপশাসনের ছবি যাতে সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধরা না পড়ে যায়, সেই ভয় থেকেই এই ‘সেন্সরশিপ’ চালু করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা বিধানসভার অধ্যক্ষ তথা স্পিকারের এক নির্দেশিকায় দেখা যাচ্ছে, সেখানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, "মাননীয় স্পিকারের নির্দেশানুযায়ী, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টার এবং ফটোগ্রাফারদের বিধানসভার ভিতর ঘোরাঘুরি না করে বিধানসভার প্রেস কর্নারে (সংবাদমাধ্যম বিভাগে) থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।" [TECHTARANGA-POST:9604]ওই চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁদের যাবতীয় প্রেস ব্রিফিং বা সাংবাদিক সম্মেলন শুধুমাত্র ওই নির্দিষ্ট প্রেস কর্নারেই করবেন এবং তাও করতে হবে মাননীয় স্পিকারের নির্ধারিত সময়ে। তবে, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্মজয়ন্তী উদযাপন বা এই ধরনের বিশেষ কিছু অনুষ্ঠানের সময় রিপোর্টাররা বিধানসভার নীচের লবিতে (lower lobby) প্রবেশ করতে পারবেন বলে ছাড় দেওয়া হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:9603]তৃণমূল কংগ্রেস স্পষ্ট জানিয়েছে, বিধানসভার মতো একটি পবিত্র গণতান্ত্রিক জায়গায় সাংবাদিকদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করার এই স্বৈরাচারী নির্দেশ অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং দুর্ভাগ্যজনক। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের পর এমনিতেই রাজ্যের রাজনৈতিক পারদ চড়ে রয়েছে। তার ওপর সংবাদমাধ্যমের অধিকার খর্বের এই নয়া বিতর্ক আগামী দিনে শাসক ও বিরোধী শিবিরের সংঘাতকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে।

গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে আঘাত? বিধানসভায় সাংবাদিকদের প্রবেশে কড়াকড়ি! বিজেপিকে ‘ফ্যাসিস্ট’ তোপ তৃণমূলের

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার