Hidden Stories (বাংলা)

কার হাতে ছিল নির্মাণের দায়িত্ব? বন্দরের জমিতে নির্মাণ ঘিরে প্রকাশ্যে নতুন তথ্য

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় উদ্ধারকাজের পাশাপাশি সামনে আসছে জমি ও নির্মাণ সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। যে জমির উপর ওই গুদামটি তৈরি হচ্ছিল, সেটি কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরের জমি বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।[TECHTARANGA-POST:10247] তারাতলার ধসকাণ্ডে উদ্ধার ১৪, চলছে জোরকদমে উদ্ধার অভিযানশ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০২৪ সালের ১ আগস্ট থেকে ৩০ বছরের জন্য প্রায় ৬৬৮৯ বর্গমিটার জমি M/s Behera Brothers-কে লিজ় দেওয়া হয়েছিল। ওই জমিতে একটি বহুতল গুদাম এবং কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। বুধবার সেই নির্মীয়মাণ কাঠামোর একটি অংশ ভেঙে পড়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর থেকেই দমকল, পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনা যৌথভাবে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ধ্বংসস্তূপ সরাতে ব্যবহার করা হচ্ছে গ্যাসকাটার, ক্রেন-সহ আধুনিক সরঞ্জাম। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে শ্রমিক আটকে থাকার আশঙ্কায় উদ্ধারকাজ জারি রয়েছে।[TECHTARANGA-POST:10228]এদিকে ঘটনার তদন্তে নেমেছে গোয়েন্দা বিভাগ। সূত্রের খবর, Behera Brothers-এর অফিসে পৌঁছেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। সংস্থার এক ম্যানেজার বাদল পালকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, শম্ভুনাথ বেহেরা নামে এক ব্যক্তির কাছে নির্মাণের কন্ট্র্যাক্ট গিয়েছিল। তিনি Behera Brothers-এর অন্যতম অংশীদার। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই ঘটনায় দায় নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সমস্ত আইনি পদক্ষেপ করা হবে। প্রসঙ্গত, বুধবার দুপুরে তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদামের লোহার শেড ভেঙে পড়ে। কাজ চলাকালীনই ঘটে এই দুর্ঘটনা। মুহূর্তের মধ্যে বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান। তারপর থেকেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার অভিযান।

 কার হাতে ছিল নির্মাণের দায়িত্ব? বন্দরের জমিতে নির্মাণ ঘিরে প্রকাশ্যে  নতুন তথ্য

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার