রেকর্ড ভোটের পর দ্বিতীয় দফায় আরও কড়া কমিশন, অশান্তি রুখতে ভিনরাজ্য থেকে আসছে ...!
কলকাতা: প্রথম দফার অভাবনীয় সাড়ার পর এবার দ্বিতীয় দফায় কোমর বেঁধে নামছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের বাকি ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ আগামী বুধবার, ২৯ এপ্রিল। তার আগেই বাংলায় নজরদারি এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিল কমিশন। অশান্তির সামান্যতম ফাঁকফোকরও বন্ধ করতে ভিনরাজ্য থেকে আরও ১১ জন নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষককে জরুরিভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8391]প্রথম দফার ১৫২টি আসনে ভোটদানের হার সমস্ত রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। সেই ধারা বজায় রাখতে এবং নিরাপত্তায় কোনও খামতি না রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে জানানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, আগে যেখানে ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন, এবার সেই সংখ্যা আরও বাড়ল। এই নতুন ১১ জন পর্যবেক্ষকই ভিনরাজ্যের আইপিএস অফিসার। স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে তাঁরা সরাসরি কমিশনের চোখ হিসাবে কাজ করবেন। এই পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশকে।[TECHTARANGA-POST:8386]গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার নির্বাচনে বাংলায় কার্যত ভোটের সুনামি দেখা গিয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলায় এত বিপুল হার (৯২.৮৮%) আগে কখনও দেখা যায়নি। তবে, এর নেপথ্যে 'এসআইআর'-এর প্রভাব নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। ভোটারতালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কায় পরিযায়ী শ্রমিকরাও দলে-দলে ভিনরাজ্য থেকে ফিরে ভোট দিয়েছেন![TECHTARANGA-POST:8339]প্রথম দফায় ভোট মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ হলেও কিছু জায়গায় অশান্তির মেঘ দেখা দিয়েছিল। বুথ এজেন্টদের বাধা দান এবং ইভিএম বিকল হওয়ার বিক্ষিপ্ত ঘটনাও কিছু ঘটেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, বেশ কিছু অসঙ্গতি বিজেপির পক্ষ থেকে কমিশনের নজরে আনা হয়েছে। ২৯৪টি কেন্দ্রের জন্য এবার আলাদা সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে কার্যত নজির গড়েছে কমিশন। দ্বিতীয় দফায় সেই কড়াকড়ি আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হল।[TECHTARANGA-POST:8379]আগামী বুধবারের পরীক্ষায় প্রশাসন কি পারবে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে? ১১ জন নতুন পর্যবেক্ষকের অন্তর্ভুক্তি কতটা কাজে আসবে? তার উত্তর মিলবে দ্রুতই।