বাংলায় কি ‘বিহার মডেল’ প্রয়োগের চেষ্টা? ধীর গতির গণনা নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ তৃণমূলের
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার গতি নিয়ে ফের একবার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার গণনার ট্রেন্ড সামনে আসার পর থেকেই ঘাসফুল শিবিরের দাবি, রাজ্যে পরিকল্পিতভাবে গণনার গতি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। শাসকদলের স্পষ্ট অভিযোগ, বিজেপি চক্রান্ত করে এ রাজ্যে ‘বিহার মডেল’ প্রয়োগের চেষ্টা করছে। যেখানে রাতের অন্ধকারে গণনার ফলাফল বদলে দেওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:8739]তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বহু বিধানসভাকেন্দ্রে যেখানে তৃণমূল প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন, সেখানে কমিশনের তরফে তথ্য আপলোডের গতি অত্যন্ত মন্থর। তাঁরা ২০২০ সালের বিহার নির্বাচনের উদাহরণ টেনে এনে বলেছেন, সেবারও শুরুতে মহাজোট এগিয়ে থাকলেও গণনার গতি কমিয়ে দেওয়ার পর ফল উল্টে গিয়েছিল। বাংলার ক্ষেত্রেও একই কৌশল নেওয়া হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূলের মুখপাত্ররা।[TECHTARANGA-POST:8735]দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কমিশনের পোর্টালে বহু রাউন্ডের গণনা শেষ হয়ে গেলেও সেই তথ্য জনসমক্ষে আনা হচ্ছে না। তৃণমূলের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রভাব খাটিয়ে এবং প্রশাসনিকস্তরে চাপ সৃষ্টি করে গণনার হার কমানো হচ্ছে যাতে বিরোধীরা সুবিধা পায়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইতিপূর্বেই এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8732]বিজেপি অবশ্য এই অভিযোগকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, হারের ভয়েই এখন থেকেই অজুহাত খুঁজতে শুরু করেছে তৃণমূল। তবে, শাসকদলের এই ‘বিহার মডেল’-এর অভিযোগ কেন্দ্র করে গণনাকেন্দ্রগুলির বাইরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি বুথের গণনার হিসাব এবং শংসাপত্র না নেওয়া পর্যন্ত যেন তাঁরা কেন্দ্র ছেড়ে না বেরোন।