কলকাতা: বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুমে দীর্ঘ চার ঘণ্টা কাটিয়ে রাত বারোটা নাগাদ বেরিয়ে এলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইভিএমে কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করে বিকেলেই তিনি সমস্ত প্রার্থীদের রাত জেগে স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন। নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরের ইভিএমের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে নিজেই রাত আটটা নাগাদ পৌঁছে গিয়েছিলেন গণনাকেন্দ্রে। দীর্ঘ সময় ভেতরে কাটিয়ে রাত ১২টা ৭ মিনিটে বাইরে বেরিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর স্পষ্ট হুঙ্কার, গণনায় কোনওরকম কারচুপি করার পরিকল্পনা করা হলে তা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, অভিযোগ পেয়েই তিনি ছুটে এসেছেন এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থে প্রার্থী বা এজেন্টের মধ্যে একজনকে ওপরে থাকার অনুমতি নিয়েছেন। এমনকি সংবাদমাধ্যমের নজরদারির জন্য একটি পৃথক সিসিটিভি ক্যামেরার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। রাজ্য পুলিশ ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করতে না পারলে তা কমিশনের ব্যর্থতা বলেই দাগিয়ে দেন তিনি। তৃণমূল সুপ্রিমোর মতে, ভোট শেষ হওয়ার পর ইভিএম সরানোর সময় বা গণনার আগে তা বদলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাই ২৯৪টি আসনের সমস্ত প্রার্থীকে নিজে উপস্থিত থেকে পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।[TECHTARANGA-POST:8628]মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার পরেও সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের সামনে পরিবেশ ছিল টানটান। দলীয় নেত্রীর নির্দেশ মেনে রাতভর স্ট্রংরুমের বাইরে কড়া পাহারায় মোতায়েন ছিলেন তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী-সমর্থকরা। বৃষ্টির মধ্যেই তৃণমূল ও বিজেপি— দু’পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে এলাকাটি কার্যত এক রাজনৈতিক দুর্গে পরিণত হয়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, কোনোভাবেই যেন গণনার আগে ইভিএমে হাত না দেওয়া যায়, তার জন্য তাঁরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো সজাগ থাকবেন। কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং কারচুপির আশঙ্কার কথা পুনর্ব্যক্ত করে শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ির পথে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার