বারুইপুর: এক বিজেপি প্রার্থীকে শারীরিক হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগে বড়সড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। সাসপেন্ড করা হল বারুইপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আইসি সমর দে এবং সাব-ইনস্পেক্টর সুকুমার রুইদাসকে। এই শাস্তিমূলক পদক্ষেকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:9026]অভিযোগ, গত ৫ মে ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরের দিন বারুইপুর পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পালকে প্রকাশ্যে হেনস্থা করে পুলিশ। সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয় (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি হিডেন স্টোরিজ নিউজ), যেখানে দেখা যায় আইসি সমর দে-সহ কয়েকজন পুলিশকর্মী বিজেপি প্রার্থীকে মারধর করে জোর করে গাড়িতে তুলছেন।[TECHTARANGA-POST:9023]বিশ্বজিৎ পালের দাবি, ওই দিন এলাকায় কোনো অশান্তি হয়নি। অথচ, তৃণমূলের একটি মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ কোনও প্ররোচনা ছাড়াই তাঁর উপর চড়াও হয়। শুধু মারধরই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে সাজানো মামলা দেওয়ারও অভিযোগ তোলেন তিনি। এই ঘটনার পরেই বিশ্বজিৎ পাল ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।[TECHTARANGA-POST:9013]বিজেপি প্রার্থীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করে রাজ্য পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তড়িঘড়ি বারুইপুর থানার আইসি এবং সংশ্লিষ্ট সাব-ইনস্পেক্টরকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে যেখানে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন ওঠে, সেখানে খোদ পুলিশ আধিকারিকদের এই শাস্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।[TECHTARANGA-POST:8998]বারুইপুর এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে, এই ঘটনায় পুলিশের স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার