পকেটে থাকা ৫০ টাকার নোটটি আসল তো? জেনে নিন চেনার সহজ উপায়
নয়া দিল্লি: ৫০০ টাকার জাল নোট নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে চিরকালই একটা বাড়তি সতর্কতা কাজ করে। কিন্তু যদি প্রশ্ন করা হয়, আপনার মানিব্যাগে থাকা ছোট্ট ৫০ টাকার নোটটি নিয়ে আপনি কতটা নিশ্চিত? বেশিরভাগ মানুষেরই উত্তর হবে, ছেঁড়া-ফাটা না হলে ছোট নোট কেউ আর খুঁটিয়ে দেখে না। আর ঠিক এই সুযোগটিকেই একশো শতাংশ কাজে লাগাচ্ছে অসাধু চক্র। প্রশাসনের কড়া নজরদারি এড়িয়ে বাজারের অলিতে-গলিতে রমরম করে ছড়িয়ে পড়ছে ৫০ টাকার নকল নোট। না বুঝেই সেই জাল নোট পকেটে ভরছেন সাধারণ মানুষ। সাম্প্রতিক এক তথ্যে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এই বিষয়ে চরম সতর্কবার্তা জারি করেছে।[TECHTARANGA-POST:11230]সাধারণত বড় অঙ্কের নোটের ক্ষেত্রে জালিয়াতির আশঙ্কা করে সকলে সতর্ক থাকলেও, পঞ্চাশ বা একশো টাকার মতো ছোট নোটেও যে অপরাধীরা হাত বাড়াতে পারে, তা সাধারণের ভাবনার বাইরে থাকে। এই মানসিকতার সুযোগ নিয়েই জালিয়াতরা কম টাকার জাল নোট খুব সহজেই বাজারে চালিয়ে দিচ্ছে। তবে এবার এই ফাঁদ থেকে বাঁচতে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে আসল ৫০ টাকার নোট চিনে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতির কথা জানানো হয়েছে, যা প্রতিটি সাধারণ নাগরিকের জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।[TECHTARANGA-POST:11227]রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশিকা অনুযায়ী, আসল ৫০ টাকার নোট চেনার বেশ কিছু মূল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথমত, নোটটির নিচের বাম দিকে টাকার অঙ্কটি সংখ্যায় অর্থাৎ '৫০' হিসেবে লেখা থাকে, যা আলোর নিচে ধরলে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। দ্বিতীয়ত, নোটের একেবারে ঠিক মধ্যবরাবর অবস্থান করে মহাত্মা গান্ধীর প্রতিকৃতি। তৃতীয়ত, এই নোটের পেছনের অংশে থাকে বিখ্যাত ঐতিহাসিক হাম্পির স্থাপত্য বা রথের নিখুঁত ছবি। চতুর্থত, নোটটির ডান দিকে থাকে গভর্নরের স্বাক্ষর ও নির্দিষ্ট লোগো। পঞ্চমত, নোটের ওপরের বাম দিক এবং নিচের অংশে সুনির্দিষ্ট সিরিয়াল নম্বর মুদ্রিত থাকে। এ ছাড়াও আসল নোটে স্পষ্ট থাকে অশোক চক্র এবং দেবনাগরী ভাষায় টাকার মান। আর্থিক লেনদেনের সময় এই ছোট অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যগুলি খেয়াল রাখলেই যে কেউ খুব সহজে আসল ও নকলের তফাত বুঝতে পারবেন এবং বড় ধরনের প্রতারণার হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবেন।