কোচবিহার: ভোটের উত্তাপের মাঝেই এবার আয়কর দফতরের নজরে রাসবিহারীর তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেবাশিস কুমার। শুক্রবার সাতসকালে তাঁর বাড়ি ও কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। আর, এই ঘটনা জানাজানি হতেই উত্তরবঙ্গ থেকে কার্যত অগ্নিশর্মা রূপে আক্রমণ শানান তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিকে ‘ভীতু’ ও ‘কাপুরুষ’ বলে উল্লেখ করে মমতার মন্তব্য, সামনাসামনি লড়তে না পেরেই এজেন্সি লেলিয়ে দিচ্ছে গেরুয়া শিবির।শুক্রবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ মনোহরপুকুর রোডে দেবাশিস কুমারের বাসভবন ও কার্যালয়ে হানা দেন আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা। পরে তল্লাশি চালানো হয় তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও। হঠাৎ এই হানায় স্বাভাবিকভাবেই থমকে যায় দেবাশিসের নির্বাচনী প্রচার। কার্যালয়ের কর্মীদের নথিপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করার অভিযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়েন উপস্থিত ঘাসফুল শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের দাবি, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই নথিপত্র দেখা হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8100]অন্যদিকে, এদিনই কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে নির্বাচনী সভা করছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই দেবাশিস কুমারের বাড়িতে তল্লাশির খবর পৌঁছলে তিনি এ নিয়ে সরব হন। মমতা বলেন, “বিজেপি কালো টাকার হুন্ডি নিয়ে বাংলায় বসে আছে। আর আমার প্রার্থীর বাড়ি, পার্টি অফিসে তল্লাশি করছে। আমার বিমানেও তল্লাশি করতে গিয়েছিল। এরা নির্লজ্জ, বেহায়া! সামনাসামনি লড়াই করতে পারে না। ভীতু, কাপুরুষ।”তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিজেপির কাজই হল কেন্দ্রীয় সংস্থাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে ভোটের আগে বিরোধীদের কালিমালিপ্ত করা।[TECHTARANGA-POST:8099]জমি সংক্রান্ত কোনও দুর্নীতির মামলায় এই তল্লাশি কিনা, তা নিয়ে আয়কর দফতর এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি। তবে তৃণমূলের দাবি, দেবাশিস কুমারের জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়েই এই চক্রান্ত। অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্ব বলছে, কেন্দ্রীয় সংস্থা তাদের নিজস্ব কাজ করছে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার