কলকাতা-দিল্লিতে নাশকতার ছক, বাংলাদেশ থেকে চলত মডিউল; জালে লস্কর জঙ্গি সাব্বির!
নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় দিল্লির সীমানা থেকে গ্রেফতার করা হলো লস্কর-ই-তৈবার ওয়ান্টেড জঙ্গি সাব্বির আহমেদ লোন ওরফে রাজাকে। অভিযোগ, পাকিস্তানের আইএসআই-র নির্দেশে বাংলাদেশ থেকে বসে ভারতবিরোধী কার্যকলাপের জাল বিছিয়েছিল এই সাব্বির। শুধু দিল্লি নয়, কলকাতা-সহ দেশের একাধিক শহরে নাশকতামূলক পোস্টার লাগানো এবং স্লিপার সেল তৈরির নেপথ্যেও ছিল এই কুখ্যাত জঙ্গি।[TECHTARANGA-POST:7692]জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগর জেলার কঙ্গন এলাকার বাসিন্দা সাব্বির প্রায় দুই দশক ধরে লস্করের সঙ্গে যুক্ত। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সে পাকিস্তানের মুজাফ্ফরাবাদে ‘দৌরা-ই-আম’ ও ‘দৌরা-ই-খাস’-এর মতো কড়া জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছিল। ২০০৭ সালে প্রথমবার একে-৪৭ রাইফেল ও গ্রেনেড-সহ ধরা পড়েছিল সে। সেই সময় মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সইদের সঙ্গেও তার সরাসরি যোগসূত্র পায় পুলিশ। ২০১৮ সালে তিহার জেল থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরেই সে বাংলাদেশে পালিয়ে যায় এবং সেখান থেকেই লস্কর নেটওয়ার্ক পরিচালনা শুরু করে।[TECHTARANGA-POST:7686]গোয়েন্দাদের দাবি, বাংলাদেশে বসেই সাব্বির অনুপ্রবেশকারী ও স্থানীয় অপারেটিভদের নিয়োগ করে ভারতে অশান্তি তৈরির পরিকল্পনা করত। সম্প্রতি দিল্লি এবং দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে সাব্বিরের মডিউলের বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাদের জেরা করেই এই মূল মাথার হদিশ পান গোয়েন্দারা। কলকাতায় দেশবিরোধী পোস্টার লাগানো এবং নাশকতার ব্লু-প্রিন্ট তৈরির নেপথ্যে এই সাব্বিরের নিয়ন্ত্রণাধীন মডিউলই কাজ করছিল বলে জানা গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:7684]বর্তমানে ধৃত জঙ্গিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। তার এই মডিউলের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং ভারতের আর কোন কোন শহরে তাদের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।