মোদির ‘ঝালমুড়ি’ রাজনীতির ম্যাজিক ঝাড়গ্রামে! জঙ্গলমহলে ধরাশায়ী ঘাসফুল, পদ্ম-ঝড়ে দিশেহারা তৃণমূল
জঙ্গলমহলের রাজনৈতিক সমীকরণে কি তবে স্থায়ী বদল আসতে চলেছে? ১৫ বছর পর বাংলার রাজনীতিতে যখন বড়সড় পরিবর্তনের হাওয়া বইছে, তখন ঝাড়গ্রামের নির্বাচনী ট্রেন্ড সেই ইঙ্গিতকেই আরও জোরালো করছে। ঝাড়গ্রামের চারটি আসনেই এই মুহূর্তে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি প্রার্থীরা। [TECHTARANGA-POST:8735]সপ্তম রাউন্ডের গণনা শেষে ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মীকান্ত সাহু তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের বীরবাহা হাঁসদাকে পিছনে ফেলে ঝড়ের গতিতে এগোচ্ছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে গত মাসে প্রধানমন্ত্রীর সেই বহুল চর্চিত ‘ঝালমুড়ি পর্ব’।[TECHTARANGA-POST:8738]বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে যেতে প্রচারের ফাঁকে ঝাড়গ্রামের এক অখ্যাত দোকান থেকে ঝালমুড়ি কিনে খেয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেই সহজ-সরল জনসংযোগ যে জঙ্গলমহলের মানুষের মনে কতটা গভীর প্রভাব ফেলেছে, তা এখন ইভিএম খুলতেই স্পষ্ট হচ্ছে। [TECHTARANGA-POST:8736]তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শেষবেলায় ঝাড়গ্রামে জনসভা করে মোদির ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করলেও, ভোটাররা সম্ভবত প্রধানমন্ত্রীর ‘ঝাল’ দেওয়া পাল্টা মন্তব্যে (ঝালমুড়ি খেলাম আমি আর ঝাল লাগল ওদের) বেশি শিলমোহর দিয়েছেন। লক্ষ্মীকান্ত সাহুর দাবি, জেলাজুড়ে তৃণমূলের অস্তিত্ব আজ সংকটে, আর এই পরিবর্তনের কারিগর স্বয়ং মোদি-ম্যাজিক।