১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম পুরোপুরি ব্যান! অস্ট্রেলিয়ার পর এবার কঠিন সিদ্ধান্ত নিল এই শক্তিশালী দেশ!
লন্ডন: কচিকাঁচাদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে এবার এক ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল ব্রিটিশ সরকার। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে গত বছরের ডিসেম্বরে অনূর্ধ্ব-১৬ কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশাল মিডিয়া ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপর ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া সেই পথ অনুসরণ করার পর, এবার বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে একই চরম পদক্ষেপ নিল ব্রিটেন। আসানসোলে বেআইনি দখলদারির বিরুদ্ধে পুরসভার বুলডোজার অভিযানব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার স্পষ্ট জানিয়েছেন, শিশুকল্যাণ এবং নাবালকদের অনলাইন দুনিয়ার অন্ধকার দিক থেকে দূরে রাখতেই এই কঠোর আইন আনা হচ্ছে। ব্রিটিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত তিন মাস ধরে সোশাল মিডিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব এবং শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণের পরেই এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী মাসেই এই সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত নির্দেশিকা ও পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রকাশ করবে ব্রিটেন সরকার।[TECHTARANGA-POST:9972]বিবিসি সূত্রে খবর, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব, রেডিট, টুইচ, এক্স (টুইটার), থ্রেডস এবং কিক— এই ১০টি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে ব্রিটেন। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, শিশুদের সুরক্ষায় অস্ট্রেলিয়ার চেয়েও এক ধাপ এগিয়ে যেতে চলেছে ব্রিটিশ প্রশাসন। কেবল অ্যাকাউন্ট খোলাই নয়, নিরাপদ বলে বিবেচিত প্ল্যাটফর্মগুলিতেও শিশুদের জন্য লাইভস্ট্রিমিং সম্পূর্ণ বন্ধ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:9951] এর পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন গেমিং অ্যাপে অপরিচিতদের সঙ্গে চ্যাটিং বা যোগাযোগের সুযোগও পুরোপুরি খর্ব করা হবে। এমনকি, শিশুদের জন্য একটি নির্দিষ্ট ‘সোশাল মিডিয়া কার্ফু’ জারি করার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) ব্যবহারের ওপরেও কঠোর সীমাবদ্ধতা আনা হতে পারে। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ায় এই আইন অমান্য করলে সোশাল মিডিয়া সংস্থাগুলির জন্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকারও বেশি জরিমানার বিধান রয়েছে। ব্রিটেনের এই নতুন ও কড়া পদক্ষেপের পর বিশ্বজুড়ে সোশাল মিডিয়ার ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।