পুজোর আগেই বাস যাত্রীদের বাম্পার লটারি! কলকাতা ও শহরতলিতে নামছে নতুন ৩টি এসি বাস, কোন কোন রুটে মিলবে স্বস্তি?
কলকাতা: দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে বাঙালি শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। আর উৎসবের মরশুমের ঠিক আগেই কলকাতা ও শহরতলির দৈনিক বাস যাত্রীদের জন্য এক বিরাট সুখবর নিয়ে এলো রাজ্য পরিবহণ দপ্তর। ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে রাজ্যের গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে আমূল বদলে দিতে শহর ও সংলগ্ন এলাকায় সম্পূর্ণ নতুন তিনটি এসি বাস রুট চালু করার বড় ঘোষণা করা হয়েছে। [TECHTARANGA-POST:10594]এর ফলে উৎসবের মরশুমে তো বটেই, পাশাপাশি সাধারণ মানুষের রোজকার যাতায়াতও আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজ, আরামদায়ক ও আধুনিক হতে চলেছে। এই বিশেষ উদ্যোগের কথা সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করে রাজ্যবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করতেই এই নতুন এসি বাস পরিষেবা চালু করা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:10603]পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত রুটকে চিহ্নিত করে এই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসগুলি নামানো হচ্ছে। প্রথম রুটটি হলো এসি-৫৮ (AC-58), যা নিউ টাউনের আইটি হাব ইকোস্পেস থেকে সরাসরি দক্ষিণ শহরতলির সোনারপুর পর্যন্ত যাতায়াত করবে। 'দুর্নীতির ভয়ে অফিসে আসছেন না প্রধানরা'— দাবি দিলীপেরদ্বিতীয় রুটটি হলো এসি-২৪ (AC-24), যা পাটুলি ঢালাই ব্রিজ থেকে যাত্রী নিয়ে সোজা পৌঁছে যাবে হাওড়া স্টেশনে। আর তৃতীয় রুটটি হলো এসি-৫৭ (AC-57), যা নদীয়ার কল্যাণী বড় জাগুলি মোড় থেকে করুণাময়ী (সল্টলেক) পর্যন্ত দূরপাল্লার যাত্রীদের স্বস্তিদায়ক সফর উপহার দেবে। পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুপ্রেরণা ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাজ্যের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে প্রায় ৪৭০টি নতুন ইলেকট্রিক, সিএনজি ও ডিজেল বাস ধাপে ধাপে রাস্তায় নামানোর এক মেগা পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার।[TECHTARANGA-POST:10616]কলকাতাকে একটি আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল কলকাতাকে আরও সাজিয়ে তুলতে শহরজুড়ে ডিজিটাল হোর্ডিং ও আধুনিক ডিজিটাল বাসস্ট্যান্ড তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন। প্রথম পর্যায়ে পার্ক স্ট্রিট, ক্যামাক স্ট্রিট ও থিয়েটার রোডকে এই কাজের জন্য বেছে নিয়ে ইতিমধ্যেই দুটি জায়গায় ডিজিটাল হোর্ডিং বসানোর কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। একদিকে চকমকে ডিজিটাল বাসস্ট্যান্ড আর অন্যদিকে একের পর এক নতুন এসি বাসের এন্ট্রি—সব মিলিয়ে পুজোর আগেই তিলোত্তমার রাজপথ এক্কেবারে নতুন রূপ ধারণ করতে চলেছে, যার সরাসরি সুফল পাবেন কোটি কোটি নিত্যযাত্রী।