মমতার ‘আইনজীবী’ পরিচয় নিয়ে বড় পদক্ষেপ বার কাউন্সিলের! কী কী তথ্য চাইল বিসিআই?
কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের এজলাসে কালো গাউন গায়ে সওয়াল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার এ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (BCI)। বৃহস্পতিবার ‘আইনজীবী’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শংসাপত্র ও সদস্যপদ সংক্রান্ত একাধিক সুনির্দিষ্ট তথ্য চেয়ে পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলকে চিঠি পাঠাল দেশের আইনজীবীদের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা।[TECHTARANGA-POST:9129]বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া জানতে চেয়েছে, ঠিক কবে পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম আইনজীবী হিসাবে নথিভুক্ত হয়েছিল। শুধু তাই নয়, তাঁর ‘লিগ্যাল প্র্যাকটিস স্টেটাস’ বা আইনি পেশার বর্তমান অবস্থা কী, মাঝপথে পেশা স্থগিত করা হয়েছিল কিনা এবং পুনরায় তা কবে শুরু হল — এই সমস্ত তথ্য আগামী দু’দিনের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:9128]বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের এজলাসে সওয়াল করার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই জানিয়েছিলেন, ১৯৮৫ সালে বার কাউন্সিলে তাঁর নাম নথিভুক্ত হয়েছিল। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি নিয়মিত তাঁর সদস্যপদ নবীকরণ করে এসেছেন বলে দাবি করেন। তিনি আরও জানান, মানুষের জন্য নিজের আইনি যোগ্যতাকে কাজে লাগাতেই তিনি ফের গাউন গায়ে তুলে নিয়েছেন।[TECHTARANGA-POST:9127]ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে মমতা সওয়াল করেন, "রাজ্যের মানুষকে বাঁচান। পশ্চিমবঙ্গ কোনও বুলডোজার রাজ্য নয়।" তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলের ১৬০টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে এবং প্রায় ২ হাজার হিংসার ঘটনা ঘটেছে। প্রাক্তন পুলিশমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে অনলাইনে অভিযোগ জানাতে হচ্ছে বলে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।[TECHTARANGA-POST:9126]এর আগে সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলায় উপস্থিত থাকলেও সেখানে মমতা আইনজীবী হিসাবে সওয়াল করেননি। এবার তিনি হাইকোর্টে সওয়াল করার পরেই কেন জাতীয়স্তরের বার কাউন্সিল তাঁর সম্পর্কে তথ্য চাইল, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে। তবে, বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া স্পষ্ট করেছে, আইনি পেশার শংসাপত্র এবং পেশাদারিত্বের নিয়মাবলী যথাযথভাবে মানা হয়েছে কিনা, তা জানতেই এই পদক্ষেপ।