আপতত বিধানসভা থেকেই চলবে রাজ্য? নয়া মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাতারাতি তৈরি হচ্ছে বিশেষ র্যাম্প!
কলকাতা: ১৫ বছরের একাধিপত্যের অবসান। ছাব্বিশের ভোটে পালাবদলের পর এবার খোলনলচে বদলে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার। শনিবার রবীন্দ্রজয়ন্তীর পুণ্যলগ্নে নতুন সরকার শপথ নেওয়ার আগেই বিধানসভা ভবনজুড়ে শুরু হয়েছে এলাহি আয়োজন। বিদায়ী মন্ত্রীদের নামফলক উপড়ে ফেলা থেকে শুরু করে গেরুয়া আলোয় সাজসজ্জা — বিধানসভার অন্দরে এখন চূড়ান্ত ব্যস্ততা![TECHTARANGA-POST:8892]বিধানসভা ভবনের ভোলবদলের মধ্যে সবচেয়ে বড় চমক হল একটি নতুন স্থায়ী ‘র্যাম্প’। মুখ্যমন্ত্রীর ঘর থেকে বাগানের দিকে বেরোনোর পথে এই লালচে রঙের র্যাম্পটি তৈরি করা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, নতুন মুখ্যমন্ত্রীর যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ পরিকাঠামো নির্মাণ। শুধু তাই নয়, নতুন মুখ্যমন্ত্রীর বসার ঘর এবং সচিবালয় সংলগ্ন এলাকাগুলিকেও নতুন করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:8891]ইতিমধ্যেই বিধানসভার অন্দর থেকে বিদায়ী সমস্ত মন্ত্রীদের নামফলক সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকী, বিরোধী দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নামফলকটিও খুলে নেওয়া হয়েছে। আপাতত শুধু স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রীর জায়গাটি ফাঁকা রাখা হয়েছে, যেখানে শনিবারের পর বসবে নতুন নাম। বিজেপি সূত্রের খবর, নতুন সরকার আর নবান্ন থেকে কাজ করতে ইচ্ছুক নয়। প্রশাসনিক কাজকর্মের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে ফেরানো হচ্ছে ঐতিহাসিক ‘মহাকরণ’ বা রাইটার্স বিল্ডিংস-কে। তবে, মহাকরণের সংস্কার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগামী ৬ মাস বিধানসভা ভবন থেকেই চলবে রাজ্যের সচিবালয়।[TECHTARANGA-POST:8890]শনিবারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করতে বিধানসভা ভবনকে ৩৫০টি বিশেষ লাইটের সেট দিয়ে সাজানো হচ্ছে। গোটা ভবনটি মুড়ে ফেলা হবে গেরুয়া আলোয়। কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং সচিবালয়ের কাজের জন্য ব্যবহার করা হবে প্ল্যাটিনাম জুবিলি হলটি।[TECHTARANGA-POST:8888]শনিবার ব্রিগেডে শপথ নেওয়ার পর প্রতীকীভাবে বিধানসভায় এসে বসতে পারেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। সব মিলিয়ে এক দশক দেড়ক পর বাংলার ক্ষমতার অলিন্দে এখন পরিবর্তনের চেনা ছন্দ।