উসকানিমূলক মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। বুধবার কলকাতা হাই কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত মহুয়া মৈত্র তদন্তে সহযোগিতা করলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। তবে তদন্তে অসহযোগিতা করলে রাজ্য সেই বিষয়টি আদালতের নজরে আনতে পারবে বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।[TECHTARANGA-POST:11088]আদালতে মামলার শুনানিতে জানানো হয়, এই মামলায় মহুয়া মৈত্রকে চারবার নোটিস পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ, নোটিস গ্রহণ করলেও তিনি একবারও তদন্তকারী আধিকারিকের সামনে হাজির হননি। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল আদালতে সেই বিষয়টি তুলে ধরেন। অন্যদিকে মহুয়ার আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে লোকসভার অধিবেশন চলায় সাংসদ সংসদীয় কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। [TECHTARANGA-POST:11120]তাই তিনি ১৪ অগস্ট বিকেল ৩টায় তদন্তকারী আধিকারিকের সামনে হাজির হতে পারবেন বলে আদালতকে জানানো হয়। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জানায়, মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগগুলির কোনও ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ সাজা সাত বছরের বেশি নয়। সেই কারণেই তদন্তে সহযোগিতার শর্তে তাঁকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না।[TECHTARANGA-POST:11143]শুনানির সময় মহুয়ার আইনজীবী আরও আবেদন করেন, পালটা অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় ডাকার পরিবর্তে ভার্চুয়াল মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ দেওয়া হোক। যদিও সেই বিষয়ে আদালত কোনও নির্দেশ দেয়নি। তবে বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন, মহুয়া মৈত্র যখন থানায় হাজির হবেন, তখন যেন কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়। সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পুলিশের।