Hidden Stories (বাংলা)

ছেলেধরা’ সন্দেহে মহিলাকে বাঁশ-লাঠি দিয়ে মারধর, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

মালদহ: চোর সন্দেহে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারকে পিটিয়ে মারার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের গণপিটুনির ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মালদহের গাজোল। এবার ছেলেধরা সন্দেহে এক মহিলাকে ঘিরে ধরে বাঁশ, লাঠি এবং লোহার রড দিয়ে নারকীয় অত্যাচারের অভিযোগ উঠল উত্তেজিত জনতার বিরুদ্ধে। এমনকি পুলিশের সামনেও ওই মহিলার ওপর চলে চড়াও হয় উন্মত্ত ভিড়।[TECHTARANGA-POST:6964]ঘটনাটি ঘটেছে দোলের রাতে গাজোলের পান্ডুয়া এলাকায়। জিন্স, শার্ট ও স্নিকার্স পরা এক মহিলাকে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরতে দেখে সন্দেহ হয় গ্রামবাসীদের। অভিযোগ ওঠে, তিনি এলাকার একটি শিশুকে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। মহিলার সারা গায়ে কাদা মাখিয়ে শুরু হয় অমানুষিক প্রহার। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, আর্তনাদ করতে থাকা মহিলার ওপর একের পর এক লাঠির আঘাত নামিয়ে আনা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:6958]খবর পেয়ে গাজোল থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই মহিলাকে উদ্ধার করে। পুলিশের কাছে আক্রান্ত মহিলা দাবি করেছেন, তাঁর বাড়ি হাওড়ায় এবং তিনি স্রেফ ঘুরতেই পান্ডুয়ায় এসেছিলেন। বর্তমানে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ওই মহিলার দেওয়া ঠিকানা যাচাই করে তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে।[TECHTARANGA-POST:6962]কিছুদিন আগেই খড়গপুর জাতীয় সড়কের পাশে এক মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারকে চোর সন্দেহে পিটিয়ে মারা হয়েছিল। এছাড়া ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলোতে ‘ছেলেধরা’ গুজবকে কেন্দ্র করে গণপিটুনির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হলেও গুজবের বলি হওয়ার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। গাজোলের ঘটনায় ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ছেলেধরা’ সন্দেহে মহিলাকে বাঁশ-লাঠি দিয়ে মারধর, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার