নির্বাচনী বাংলায় ‘অপারেশন ক্লিন’: ৫১০ কোটির সামগ্রী বাজেয়াপ্ত, উদ্ধার ৪৮ লক্ষ লিটার মদ!
ভোটের আবহে বাংলায় কড়া দাওয়াই নির্বাচন কমিশনের; নাকা চেকিং ও ব্লক স্তরে নিশ্ছিদ্র নজরদারির জেরে উদ্ধার হলো ৫০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বেআইনি সামগ্রী।[TECHTARANGA-POST:8469] সোমবার কমিশনের দেওয়া সর্বশেষ খতিয়ান অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে বাজেয়াপ্ত হওয়া নগদ, মাদক ও উপহার সামগ্রীর মোট অর্থমূল্য ৫১০.১০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই বিপুল ভাণ্ডারের সিংহভাগই হলো মদ— এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪৮ লক্ষ ৪৬ হাজার ১৮৩ লিটার বেআইনি মদ উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা, যার বাজারমূল্য ১২৬ কোটি টাকারও বেশি। এছাড়াও প্রায় ১১০ কোটি টাকার মাদক এবং ৩০ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে। [TECHTARANGA-POST:8465]নির্বাচনের মুখে ভোটারদের প্রলোভন দেখানোর জন্য মজুত রাখা প্রায় ১৮৪ কোটি টাকার বিবিধ সামগ্রীও (Freebies) বাজেয়াপ্ত করেছে কমিশন। ‘হিংসামুক্ত’ ও ‘প্রলোভনমুক্ত’ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে কমিশনের এই ‘অপারেশন ক্লিন’ রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে।আগামীকাল, বুধবার ২৯ এপ্রিল রাজ্যের ১৪২টি আসনে দ্বিতীয় দফার হাই-ভোল্টেজ ভোটগ্রহণ। তার ঠিক আগে এই বিপুল পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বর্তমানে রাজ্যে ২৭২৮টি ফ্লাইং স্কোয়াড এবং ৩১৪২টি স্ট্যাটিক সার্ভিলিয়েন্স টিম ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় রয়েছে। দ্বিতীয় দফার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দুর্ভেদ্য করতে মোট ২ হাজার ৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। [TECHTARANGA-POST:8460]রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল আশা প্রকাশ করেছেন যে, প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও মানুষ নির্ভয়ে এবং বিপুল সংখ্যায় বুথমুখী হবেন। শহর ও শহরতলি এলাকার ভোট হওয়ায় সুরক্ষায় কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না কমিশন। একদিকে বাহিনীর কড়া পাহারা, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বেআইনি সামগ্রী উদ্ধার— সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার লড়াইয়ের আগে প্রশাসনিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে।