বহরমপুর: ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে মুর্শিদাবাদ জেলায় ইতিহাস গড়লেন হুমায়ুন কবীর। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হয়ে নিজের গড়া ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ (AJUP) থেকে লড়াই করে রেজিনগর এবং নওদা—উভয় কেন্দ্রেই বিপুল ব্যবধানে জয়ী হলেন তিনি। পোড় খাওয়া এই রাজনীতিবিদের জোড়া আসনেই জয় নিশ্চিত হওয়ার খবর আসতেই মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8766]গণনার চূড়ান্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রেজিনগর কেন্দ্রে হুমায়ুন কবীর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির বাপন ঘোষকে প্রায় ৫২ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী তৃতীয় স্থানে ছিটকে গিয়েছেন। অন্যদিকে, নওদা কেন্দ্রেও দাপট বজায় রেখে তৃণমূলের সাহিনা মমতাজ বেগমকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন হুমায়ুন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে হুমায়ুনের নিবিড় সংযোগই তাঁকে এই অভাবনীয় সাফল্যে এনে দিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8768]জয় নিশ্চিত হওয়ার পর হুমায়ুন কবীর জানান, “এই জয় সাধারণ মানুষের জয়। মানুষ বুঝিয়ে দিয়েছে যে তারা উন্নয়নের সঙ্গে আছে এবং কোনও অন্যায় সিদ্ধান্ত মেনে নেবে না।” নিজের দল AJUP-এর পতাকাতলে এই জোড়া জয় তাঁকে আগামী দিনে রাজ্য বিধানসভায় এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে বসিয়ে দিল। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় তৃণমূলের একচেটিয়া দাপট যেভাবে তিনি একার হাতে চুরমার করে দিলেন, তা নজিরবিহীন।[TECHTARANGA-POST:8765]রেজিনগর এবং নওদার এই ফল তৃণমূল শিবিরের জন্য বড়সড় সতর্কবার্তা। জোড়া আসনে জয়লাভ করে হুমায়ুন কবীর প্রমাণ করলেন, মুর্শিদাবাদের মাটিতে এখনও তিনি এক অপরাজেয় শক্তি।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার