Hidden Stories (বাংলা)

জুনেই উচ্চকক্ষের মহারণ! ৮ রাজ্যের ২৬ আসনে ভোট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের, বদলাবে কি সমীকরণ?

নয়াদিল্লি: দেশের সংসদীয় রাজনীতিতে শক্তি প্রদর্শনের নতুন এক অধ্যায় শুরু হতে চলেছে আগামী মাসেই। উচ্চকক্ষ তথা রাজ্যসভার ৮টি রাজ্যের মোট ২৬টি আসনে নির্বাচনের দিনক্ষণ আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৮ জুন এই আসনগুলিতে একযোগে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ২৬টি আসনের মধ্যে ২৪টি আসনের বর্তমান সাংসদদের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে জুন ও জুলাই মাসের মধ্যে। বাকি ২টি আসনে অবশ্য উপনির্বাচন (By-election) অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাংসদদের মেয়াদের আগেই ইস্তফা দেওয়ার কারণে।[TECHTARANGA-POST:9386]কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশ, গুজরাট, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, মণিপুর, মেঘালয়, রাজস্থান, অরুণাচলপ্রদেশ, কর্ণাটক এবং মিজোরাম — এই রাজ্যগুলির মোট ২৪টি আসনে মূল দ্বিবার্ষিক নির্বাচন হবে। এর বাইরে মহারাষ্ট্রের ১টি এবং তামিলনাড়ুর ১টি আসনে রাজ্যসভার উপনির্বাচন হতে চলেছে। রাজ্যভিত্তিক আসনের হিসাব দিতে গিয়ে কমিশন জানিয়েছে, অন্ধ্রপ্রদেশে ৪টি, গুজরাটে ৪টি, ঝাড়খণ্ডে ২টি, মধ্যপ্রদেশে ৪টি, মণিপুরে ১টি, মেঘালয়ে ১টি, রাজস্থানে ৪টি, অরুণাচলে ১টি, কর্ণাটকে ৪টি এবং মিজোরামে ১টি আসনে ভোট হবে।[TECHTARANGA-POST:9385]এই দফার নির্বাচনে জাতীয় রাজনীতির একাধিক হেভিওয়েট বা শীর্ষনেতার ভাগ্য নির্ধারণ হতে চলেছে, কারণ তাঁদের মেয়াদ ফুরোচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া এবং মধ্যপ্রদেশের বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংয়ের মতো ব্যক্তিত্বরা। বর্তমানে এই ২৬টি আসনের মধ্যে ১২টি আসন রয়েছে বিজেপির দখলে এবং কংগ্রেসের হাতে রয়েছে ৪টি আসন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিভিন্ন রাজ্যের বর্তমান বিধানসভাগুলির যা সংখ্যাবল, তাতে বিজেপি নিজেদের ১২টি আসন ধরে রাখার পাশাপাশি আরও দু-একটি আসন বাড়িয়ে নিতে পারে। একইভাবে কংগ্রেসেরও এক-দুটি আসন বাড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।[TECHTARANGA-POST:9384]বর্তমানে ২৪৫ আসনের রাজ্যসভায় একক দল হিসেবে বিজেপির হাতে রয়েছে ১১৩ জন সাংসদ। আর এনডিএ শিবিরের সম্মিলিত আসন সংখ্যা ১৪৪, যা সংসদের উচ্চকক্ষে ম্যাজিক ফিগারের চেয়ে অনেকটাই বেশি। তবে এই ২৬ আসনের ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর নিজেদের শক্তি আরও বাড়াতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। দলের রণকৌশল সফল হলে এনডিএ সামগ্রিকভাবে ১৫০ আসনের গণ্ডী ছুঁয়ে ফেলতে পারে এবং বিজেপি একাই ১১৫টি আসনের কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে। অন্যদিকে, কংগ্রেস-সহ বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের অবস্থা কিছুটা হলেও সঙ্কটের মুখে। এই মুহূর্তে সামগ্রিকভাবে বিরোধী শিবিরের সাংসদ সংখ্যা ৭৯, যার মধ্যে কংগ্রেসের ২৭টি, তৃণমূল কংগ্রেসের ১২টি এবং ডিএমকে-র ৮টি আসন রয়েছে। আগামী ১৮ জুনের নির্বাচন উচ্চকক্ষে শাসক ও বিরোধী শিবিরের এই সমীকরণে কতটা রদবদল আনে, এখন সেটাই দেখার।

জুনেই উচ্চকক্ষের মহারণ! ৮ রাজ্যের ২৬ আসনে ভোট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের, বদলাবে কি সমীকরণ?

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার