লন্ডন থেকে নিউ ইয়র্ক, বাংলায় পদ্ম ফোটার রিপোর্ট প্রকাশ করল বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলিও!
লন্ডন: পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে পদ্ম শিবিরের ঐতিহাসিক জয় শুধু ভারতের রাজনীতিতে নয়, বরং বিশ্ব মানচিত্রেও এক বড়সড় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। লন্ডন থেকে নিউ ইয়র্ক, কিংবা প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলিতেও এখন অন্যতম প্রধান খবর হল - বিজেপির বঙ্গজয়! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসানকে বিশ্ববিখ্যাত সংবাদমাধ্যমগুলি মোদী জমানার অন্যতম সেরা সাফল্য হিসাবে বর্ণনা করছে![TECHTARANGA-POST:8786]সোমবারের ফলাফল অনুযায়ী, ২০৭টি আসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিজেপি। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস থমকে গিয়েছে মাত্র ৮০টি আসনে। বাংলার এই রাজনৈতিক ভূকম্প নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিক্রিয়া এক নজরে দেখে নেওয়া যাক - বিবিসি: ব্রিটিশ এই সংবাদমাধ্যমটি লিখেছে, “ভারতের পূর্ব প্রান্তে বিজেপির এই জয় মোদীর ১২ বছরের শাসনকালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।” তারা আরও দাবি করেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই হার আসলে পূর্ব ভারতে তৃণমূল কংগ্রেস নামক দলটির রাজনৈতিক সমাপ্তির ইঙ্গিত।[TECHTARANGA-POST:8776]দ্য গার্ডিয়ান: তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ একসময় ভারতের (কেন্দ্রীয় সরকার) বিরোধী দলগুলির অভেদ্য দুর্গ ছিল। বিজেপির এই সাফল্য ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে এবং দুর্বল হয়ে পড়া বিরোধীদের মনোবল সম্পূর্ণ ভেঙে দেবে।নিউ ইয়র্ক টাইমস : আমেরিকার এই প্রভাবশালী সংবাদপত্র লিখেছে, “মোদীর হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা ভারতের বিরোধী দলের এক দুর্জয় ঘাঁটি জয় করেছে।” এর পাশাপাশি তারা তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে অভিনেতা জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখরের (থলপতি বিজয়) উত্থানকেও ‘দিনের অন্যতম বড় চমক’ হিসাবে উল্লেখ করেছে।[TECHTARANGA-POST:8771]ডন ও প্রথম আলো: পাকিস্তানের সংবাদপত্র ‘ডন’ মোদীর প্রতিপক্ষের ঘাঁটিতে বিজেপির এই বিপুল জয়ের খবর প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের ‘প্রথম আলো’র শিরোনামে গুরুত্ব পেয়েছে মোদীর সেই বিশেষ বার্তা - “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় ‘প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনের”।[TECHTARANGA-POST:8752]সব মিলিয়ে, সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপারেও এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বাংলার এই পালাবদল! বিশ্ব মিডিয়ার নজর কেড়ে নিয়েছে মোদী-শাহ জুটির এই অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক রণকৌশল।