Hidden Stories (বাংলা)

ভোটের ১০ দিন আগে বাংলায় পুলিশ পর্যবেক্ষক হলেন ওড়িশার দাপুটে আইপিএস!

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটাভুটির আগে আর ঠিক ১০ দিন বাকি। এমন একটা ক্ষণেই ফের বড় পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আবারও এক ভিনরাজ্যের আইপিএস অফিসারকে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করল তারা। এবার দায়িত্বে আনা হয়েছে ওড়িশা ক্যাডারের দাপুটে আইপিএস অফিসার সর্বানা বিবেক এমকে।[TECHTARANGA-POST:7964]কমিশনের এই সিদ্ধান্ত রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। মূলত নির্বাচনের দিনগুলিতে কোনওরকম অশান্তি, বোমাবাজি বা হিংসার ঘটনা যাতে মাথাচাড়া দিয়ে না উঠতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই হাই-প্রোফাইল নিয়োগ বলে দাবি সূত্রের।[TECHTARANGA-POST:7960]নবনিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক সর্বানা বিবেক এম-এর প্রধান কাজ হবে রাজ্যের নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা। তিনি সরাসরি ময়দানে নেমে দেখবেন পুলিশের তৎপরতা ঠিক মতো চলছে কিনা এবং যাবতীয় রিপোর্ট পাঠাবেন সরাসরি নির্বাচন কমিশনে।[TECHTARANGA-POST:7946]একুশের নির্বাচন পরবর্তী হিংসার স্মৃতি এখনও টাটকা। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও মুর্শিদাবাদের মতো জেলাগুলিতে অশান্তির যে ছবি দেখা গিয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি আটকাতে মরিয়া কমিশন। যদিও চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন ছিল নজিরবিহীনভাবে শান্তিপূর্ণ। সেই ‘পিসফুল’ ধারা বজায় রাখাই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।[TECHTARANGA-POST:7948]মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, নির্বাচনী কাজে যুক্ত আধিকারিকরা শুধুমাত্র কমিশনের নির্দেশ পালন করবেন। কোনও রাজনৈতিক নেতা বা দলের চাপে কাজ করলে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে তাঁদের। প্রতিটি জেলার পুলিশ সুপারদেরও হিংসা দমনে পূর্ণ স্বাধীনতা ও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:7943]তৃণমূল কংগ্রেস বারবার ভিনরাজ্যের অফিসার নিয়োগ নিয়ে সরব হলেও, কমিশন তার অবস্থানে অনড়। ভোটের মাত্র দশ দিন আগে এই বদল বাংলার নির্বাচনী সমীকরণ কতটা বদলে দেয়, এখন সেটাই দেখার।

ভোটের ১০ দিন আগে বাংলায় পুলিশ পর্যবেক্ষক হলেন ওড়িশার দাপুটে আইপিএস!

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার