তৃণমূল কার্যালয়ের মাথায় গেরুয়া নিশান! গণনার মাঝেই বাঁকুড়া থেকে বরানগর— রাজ্যজুড়ে ‘দখল’ বিতর্কে রণক্ষেত্র পদ্ম শিবির
বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল এখনও চূড়ান্ত হয়নি, কিন্তু গণনার ট্রেন্ড স্পষ্ট হতেই রাজ্যের জেলায় জেলায় শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক পেশি প্রদর্শন। বাঁকুড়ার কোতুলপুরে তৃণমূলের পার্টি অফিসের চালের ওপর উঠে বিজেপির পতাকা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খিরি গ্রামে শাসকদলের কার্যালয়ের দেওয়াল মুছে রাতারাতি সেখানে ফুটে উঠেছে পদ্ম প্রতীক।[TECHTARANGA-POST:8757]এই ছবি শুধু বাঁকুড়াতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কার্যালয় দখল থেকে শুরু করে জামালপুরে দলীয় অফিসে অগ্নিসংযোগের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। গণনার সপ্তম রাউন্ডের শেষে বিজেপি প্রার্থী এগিয়ে থাকার খবর আসতেই যেন বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস আর দখলদারির নেশা গ্রাস করেছে গেরুয়া শিবিরকে, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহল।[TECHTARANGA-POST:8750]বিষ্ণুপুরের গণনা কেন্দ্রে যখন তখনও ভোট গোনা চলছে, তার আগেই খিরি গ্রামে বিজেপি কর্মীদের আবির খেলা আর ‘বিজয় উল্লাস’ কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে গণনার মাঝপথেই এই ধরনের হামলা চালিয়ে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। [TECHTARANGA-POST:8738]যদিও পাল্টা দাবিতে গেরুয়া শিবির জানাচ্ছে, এই উচ্ছ্বাস একান্তই মানুষের রায়ের স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ, এর সঙ্গে বলপূর্বক দখলের কোনও সম্পর্ক নেই। পরিস্থিতি সামাল দিতে কোতুলপুর-সহ বিভিন্ন উত্তেজনাপ্রবণ এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। গণনা শেষ হওয়ার আগেই রাজ্যের নানা প্রান্তে এই ধরনের ‘দখলদারি’ আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে বড়সড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে প্রশাসনের সামনে।