বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া এখন আর শুধু জনসভার স্লোগান নয়, তা ইভিএমের ফলেও স্পষ্ট। নবান্নে গেরুয়া শিবিরের অভিষেক যখন সময়ের অপেক্ষা, তখন কলকাতার রাজ্য বিজেপি দপ্তরে ধরা পড়ল এক অনন্য ছবি। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভোট পরবর্তী উদযাপনে ‘ডিজে’ বাজানোর কথা বললেও, বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দিলেন এক সম্পূর্ণ ভিন্ন ও তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ। সোমবার রাজ্য দপ্তরে জয়ের ট্রেন্ড আসতেই ডিজে বা চটুল গানের বদলে গমগম করে উঠল রবীন্দ্রসঙ্গীত। রাজনৈতিক মহলের মতে, এটি কেবল আনন্দ প্রকাশ নয়, বরং তৃণমূলের দীর্ঘদিনের ‘বহিরাগত’ তকমার বিরুদ্ধে বিজেপির এক সুপরিকল্পিত ও জোরালো জবাব।[TECHTARANGA-POST:8766]তৃণমূলের পক্ষ থেকে বারবার অভিযোগ তোলা হয়েছিল যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালির সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাস বিপন্ন হবে। মাছ-ভাত খাওয়া বা বাঙালির আবেগ নিয়ে ঘর করার দিন শেষ হবে বলে যে প্রচার চালানো হয়েছিল, রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজিয়ে তার পালটা বার্তা দিল মুরলীধর সেন লেন। অগ্নিমিত্রা পল বা শঙ্কর ঘোষদের মতো প্রার্থীদের বড় জয় যখন কার্যত নিশ্চিত, তখন এই সাংস্কৃতিক উদযাপন দিয়ে বিজেপি প্রমাণ করতে চাইল যে তারা ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’র সংস্কৃতিতে বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করতে চায় না। বরং বাঙালির প্রাণের ঠাকুরকে সামনে রেখেই এক নতুন ও মার্জিত রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করতে চাইছে পদ্ম শিবির। ডিজে-র বদলে রবীন্দ্রসঙ্গীতের এই সুর কি তবে বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন রুচিবোধের ইঙ্গিত? উত্তর এখন সময়ের কাছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার