'দিদির সঙ্গে আছি' মন্তব্যে বাড়ল জল্পনা; তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েন নিয়ে নীরব বীরভূমের সাংসদ
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেসে বড় ভাঙন দেখা গিয়েছে। একের পর এক বিধায়কের পাশাপাশি একাধিক সাংসদও দল ছেড়েছেন। সেই আবহেই এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়ের একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, "দিদির সঙ্গে আছি, দিদিকেই ভালোবাসি।" যদিও তিনি বর্তমানে এনসিপিআই-তেই রয়েছেন বলেও উল্লেখ করেছেন।[TECHTARANGA-POST:10665]সম্প্রতি দলবদলুদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবহে শতাব্দীর এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে তৃণমূলের বর্তমান অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বা দলীয় বিভাজন নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি। এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শতাব্দী বলেন, বিধায়কদের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ হয়নি। তৃণমূলের বিভিন্ন শিবির বা দলীয় প্রতীক নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, সে বিষয়েও তিনি মুখ খুলতে চাননি। তাঁর কথায়, "বিধায়কদের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।"রণক্ষেত্র বারুইপুর! ৩ থানায় জারি ১৬৩ ধারা[TECHTARANGA-POST:10628]এদিকে বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাতেও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বীরভূমের সাংসদ। তিনি বলেন, "বারুইপুরে যে ঘটনাটি ঘটেছে, আইন অনুযায়ী দোষীদের শাস্তি হওয়া উচিত এবং তারা শাস্তি পাবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।" ঘটনার দ্রুত তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পক্ষেও সওয়াল করেন তিনি। উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম নিজের সাংসদীয় এলাকায় যান শতাব্দী রায়। সোমবার তিনি সিউড়িতে জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তরে গিয়ে পুলিশ সুপারের সঙ্গে বৈঠক করেন। পাশাপাশি রামপুরহাটে নিজের ফ্ল্যাটেও যান তিনি। তাঁর এই সফর এবং মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।