২৪ ঘণ্টার টানটান নাটক শেষে শ্রীঘরে তৃণমূলের 'দাপুটে' নেতা চঞ্চল!
তমলুক: রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নাকি আইনের দীর্ঘ হাত? টানটান ২৪ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে গ্রেফতার হলেন পূর্ব মেদিনীপুরের এক সময়ের অত্যন্ত প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা তথা তমলুক পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান চঞ্চল খাঁড়া। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে আটক করার পর থেকে যে উত্তেজনার পারদ চড়ছিল, শুক্রবার তাঁর গ্রেফতারির খবরে তার বৃত্ত যেন সম্পূর্ণ হল। এদিকে, চঞ্চলের এই পতন কেন্দ্র করে তোলপাড় শুরু হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক মহল।[TECHTARANGA-POST:9160]পুলিশ সূত্রে খবর, চঞ্চল খাঁড়ার বিরুদ্ধে কোনও একটি নয়, বরং একগুচ্ছ গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হল, খুনের চেষ্টার মতো ভয়াবহ মামলা। সরকারি বা আইনি নথি জাল করা (নকল নথি তৈরি)। প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ।[TECHTARANGA-POST:9159]বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তমলুক থানার পুলিশ তাঁকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর যখন তাঁর গ্রেফতারির খবর চাউর হয়, তখন থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়াতে শুরু করেছিল। অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পুলিশ তাঁকে সরকারিভাবে গ্রেফতার করে।[TECHTARANGA-POST:9157]চঞ্চল খাঁড়া বর্তমানে তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি। তাঁর গ্রেফতারিকে সহজভাবে মেনে নিতে পারছে না স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। চঞ্চল-ঘনিষ্ঠদের দাবি, রাজ্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতেই বিজেপিশাসিত প্রশাসন এই পদক্ষেপ করেছে। একে স্রেফ ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ হিসাবেই দেখছেন তাঁরা। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্যের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:9156]গ্রেফতারির খবর সামনে আসার পরই চঞ্চল খাঁড়ার অনুগামীরা আইনি লড়াইয়ের পথে হাঁটার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। অন্যদিকে, এই ঘটনার ফলে জেলায় তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তির উপর বড়সড় ধাক্কা আসতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।[TECHTARANGA-POST:9155]তদন্তের গতিপ্রকৃতি আগামী দিনে কোন দিকে যায় এবং চঞ্চলের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলি কতদূর প্রমাণিত হয়, এখন সেটাই দেখার।#TamlukNews #TMC #ChanchalKhara #EastMidnapore #PoliticalArrest #WestBengalPolitics #HiddenStoriesNews