কলকাতা: টলিপাড়ায় একের পর এক বিতর্কের কেন্দ্রে জড়িয়েছেন ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস। কাটমানি নেওয়া, শিল্পী ও কলাকুশলীদের কথায় কথায় ‘ব্যান’ করা কিংবা হুমকি দেওয়ার মতো ভূরিভূরি অভিযোগ উঠছে তাঁর বিরুদ্ধে। স্টুডিয়ো পাড়ায় যখন স্বরূপের ‘দাদাগিরি’ নিয়ে জোর চর্চা ও প্রতিবাদের ঝড় বইছে, ঠিক তখনই সামনে এল ফেডারেশন সভাপতির ব্যক্তিগত জীবনের এক বড়সড় ভাঙনের খবর। এবার স্বামী স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন তাঁর স্ত্রী তথা দক্ষিণ কলকাতার ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস![TECHTARANGA-POST:9588]যদিও জুঁই বিশ্বাসের দাবি, এই সিদ্ধান্ত হুট করে নেওয়া নয়। তাঁরা ২০১৯ সাল থেকেই একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা থাকছেন। চলতি ২০২৬ সালের শুরুর দিকেই তাঁরা যৌথভাবে বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছেন। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই তাঁদের এই বিবাহবিচ্ছেদ আইনত সম্পন্ন হতে চলেছে।[TECHTARANGA-POST:9587]টলিপাড়ায় স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ওঠা হরেক অভিযোগ প্রসঙ্গে জুঁই বিশ্বাস স্পষ্ট জানান, টলিউড নিয়ে তাঁর কোনওকালেই কোনও আগ্রহ ছিল না। ২০১০ সাল থেকে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে তিনি কাউন্সিলরের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। এই দীর্ঘ সময়ে টলিউডের কোনও অনুষ্ঠানে বা ছবির প্রিমিয়ারে তাঁকে কখনও দেখা যায়নি। জুঁই বলেন, "২০১৯ সাল থেকে আমরা আলাদা থাকি। তাই ঘরে এসব নিয়ে আলোচনার কোনও অবকাশই ছিল না। টলিপাড়ায় কী হচ্ছে, তা নিয়ে আমি কোনওদিনই ওয়াকিবহাল ছিলাম না। তাই কারও কোনও কাজের দায়ভার আমি নিতে পারব না।"[TECHTARANGA-POST:9586]স্বরূপ ও জুঁইয়ের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে, যাদের বয়স যথাক্রমে ১২ ও ৮ বছর। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ যেন দুই একরত্তির মনে কোনও খারাপ প্রভাব না ফেলে, তা নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক জুঁই। তিনি জানান, এটি সম্পূর্ণ তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয় এবং বাচ্চাদের ট্রমার হাত থেকে বাঁচাতেই তিনি এত দিন এই নিয়ে জনসমক্ষে বা সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেননি।[TECHTARANGA-POST:9585]উল্লেখ্য, বিগত দিনে ‘মেসি-কাণ্ড’ নিয়ে ব্যাপকভাবে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল স্বরূপ বিশ্বাসের দাদা তথা তৎকালীন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। সেই সময় জুঁই ও স্বরূপের মেয়েদেরও মেসির পাশে মাঠে দেখা যাওয়ায় তুমুল কটাক্ষের সৃষ্টি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে জুঁই বলেন, "ওখানে মেয়েদের একটা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। মাঠে প্রচুর ভিড়ের কারণে মেয়েদের দেখতে না পেয়ে আমি একবারই মাঠে ঢুকেছিলাম, যখন মেসি বেরিয়ে যাচ্ছেন। কে জানত সেখানে তেমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে!" সামাজিক মাধ্যমের ট্রোলিং নিয়ে জুঁইয়ের সাফ কথা, কিছু মানুষের না জেনে মন্তব্য করা ছাড়া সারাদিন কোনও কাজ থাকে না। তিনি এই সমস্ত ট্রোলিং নিয়ে একেবারেই ভাবেন না।[TECHTARANGA-POST:9584]রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে এখনও এক মাসও পূর্ণ হয়নি। জুঁই বিশ্বাস দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে জানান, তিনি চান নতুন সরকার ভালোভাবে কাজ করুক এবং মানুষের উন্নয়নের স্বার্থে তিনি নতুন সরকারকে সব রকমের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার