ভোটের কাজে পুলকার! সোম থেকে অনলাইন ক্লাসে ফিরছে কলকাতার নামী স্কুলগুলি
কলকাতা: তিলোত্তমার রাজপথে বাসের হাহাকার আর পুলকারের অভাব - ভোটের দাপটে ফের একবার ল্যাপটপ-মোবাইল বন্দি হতে চলেছে শৈশব! আগামী সোমবার থেকে দক্ষিণ কলকাতার সাউথ পয়েন্ট, ডিপিএস রুবি পার্ক থেকে শুরু করে ক্যালকাটা বয়েজ-এর মতো শহরের প্রথম সারির স্কুলগুলি অনলাইন ক্লাসের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সৌজন্যে, আগামী ২৯ এপ্রিলের হাইভোল্টেজ নির্বাচন।[TECHTARANGA-POST:8399]জানা গিয়েছে, ভোটের কাজে পুলকার ও স্কুলবাসগুলি অধিগ্রহণ করার প্রক্রিয়া শুরু হতেই পরিবহণ সঙ্কটে পড়েছে স্কুলগুলি। সোমবার থেকে কার্যত সমস্ত পুলকারই চলে যাবে নির্বাচন কমিশনের ডিউটিতে। ফলে পড়ুয়াদের স্কুলে যাতায়াত অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই, সোমবার থেকে শুরু করে আগামী ৪ মে (ভোটের ফলাফলের দিন) পর্যন্ত বাড়িতে বসেই ক্লাস করবে পড়ুয়ারা। ৬ বা ৭ মে থেকে ফের স্কুল খোলার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিকে, বেসরকারি বাস-মালিকদের দাবি, সোমবার থেকে শহরের প্রায় ৮০ শতাংশ বাসই ভোটের ডিউটিতে চলে যাবে। ফলে কেবল পড়ুয়ারা নয়, সাধারণ অফিস যাত্রীদেরও চরম নাকাল হতে হবে।[TECHTARANGA-POST:8393]বালিগঞ্জ শিক্ষা সদন, শ্রী শ্রী অ্যাকাডেমি সহ একাধিক স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৯ তারিখ ভোট এবং ১ মে ছুটির কারণে গোটা সপ্তাহেই যাতায়াতে চরম সমস্যা তৈরি হবে। তাই, পড়াশোনার ক্ষতি এড়াতে এবং পড়ুয়াদের দুর্ভোগ কমাতে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্তই সবথেকে নিরাপদ। পুলকার ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুদীপ দত্তও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।[TECHTARANGA-POST:8385]অন্যদিকে, ভোটের কাজে গাড়ি দিলেও প্রাপ্য টাকা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিটি সাবআরবান বাস সার্ভিসেসের টিটু সাহার অভিযোগ, "কমিশন কথা রাখেনি। গাড়ি পাঠানোর আগে ৯০ শতাংশ টাকা অগ্রিম দেওয়ার কথা থাকলেও শুক্রবার পর্যন্ত মালিকদের অ্যাকাউন্টে কোনও টাকা ঢোকেনি।"[TECHTARANGA-POST:8345]যদিও কমিশন সূত্রে খবর, সোমবারের মধ্যে বাসমালিকরা তাঁদের প্রাপ্য টাকা পেয়ে যাবেন। তবে, পরিবহণব্যবস্থার এই নড়বড়ে অবস্থায় আগামী কয়েক দিন কলকাতাবাসীর কপালে যে বড় দুর্ভোগ নাচছে, তা বলাই বাহুল্য।