জল্পনার অবসান! বাংলার নতুন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক পদে হেভিওয়েট আইএএস, মোদী জমানায় বড় রদবদল
কলকাতা: বঙ্গে নতুন ডবল ইঞ্জিন সরকার গঠনের পর থেকেই রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে রদবদল নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। এবার সেই জল্পনায় সিলমোহর দিয়ে রাজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে এক বড়সড় পরিবর্তন আনা হল। বাংলার নতুন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক বা সিইও (CEO) পদে নিযুক্ত করা হলেন হেভিওয়েট আইএএস অফিসার নীলম মিনাকে। [TECHTARANGA-POST:9484]এর আগে এই পদের গুরুদায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন মনোজ আগরওয়াল। তবে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর মনোজ আগরওয়ালকে রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব পদের মতো সর্বোচ্চ প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়ে আসা হয়েছে। আর তাঁর ছেড়ে যাওয়া সেই আসনেই এবার বসানো হলো নীলম মিনাকে। সোমবার বিকেলে এই হাই-প্রোফাইল নিয়োগের খবর সামনে আসতেই নবান্ন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:9393]আইএএস নীলম মিনা প্রশাসনিক মহলে এক অত্যন্ত দক্ষ ও কড়া অফিসার হিসেবেই পরিচিত। তিনি ১৯৯৮ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের একজন আইএএস আধিকারিক। দীর্ঘ ২৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি অত্যন্ত সফলতার সাথে রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বভার সামলে আসছেন। এই মেগা বদলির আগে পর্যন্ত তিনি রাজ্য সরকারের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি পদের মতো হেভিওয়েট দায়িত্বে ছিলেন। সেখান থেকে এবার সরাসরি তাঁকে রাজ্যের নতুন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক পদে নিয়ে আসা হলো। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে এই সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকা জারি হওয়ার পর আগামী কাল, মঙ্গলবার থেকেই তিনি তাঁর এই নতুন ও চ্যালেঞ্জিং দায়িত্বভার গ্রহণ করতে চলেছেন।[TECHTARANGA-POST:9472]প্রশাসনিক কর্তাদের একাংশের মতে, নীলম মিনার এই পদোন্নতির পেছনে রয়েছে সদ্য সমাপ্ত হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর অনবদ্য পারফরম্যান্স। বঙ্গে সদ্য চুকে যাওয়া বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের তরফে বুথগুলিতে নজিরবিহীন কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে রীতিমতো সিসিটিভি-র মোড়কে মুড়ে ফেলেছিল কমিশন। [TECHTARANGA-POST:9426]আর নির্বাচন কমিশনের মূল দপ্তরে বসে যে হাই-টেক কন্ট্রোল রুম থেকে গোটা রাজ্যের ভোটের ওপর বাজপাখির মতো নজর রাখা হচ্ছিল, সেই মেগা কন্ট্রোল রুমের প্রধান দায়িত্বে ছিলেন এই নীলম মিনা। তাঁর সেই নিখুঁত ও কড়া নজরদারির পুরস্কার হিসেবেই এবার তাঁকে বাংলার নতুন সিইও পদের মতো মস্ত বড় চেয়ারে বসাল কমিশন। নতুন সরকারের অধীনে আগামী দিনে রাজ্যের সমস্ত নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও অবাধ করাই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য হতে চলেছে।