Hidden Stories (বাংলা)

আর্কাইভ দেখুন

Health and Wellness: পুজোর আগে রোগা হওয়ার প্ল্যান? পিৎজা খেয়েও ফিগার ঠিক রাখতে মেনে চলুন ৩ নিয়ম!

Health and Wellness: পুজোর আগে রোগা হওয়ার প্ল্যান? পিৎজা খেয়েও ফিগার ঠিক রাখতে মেনে চলুন ৩ নিয়ম!

পিৎজার নাম শুনলেই অনেকেরই মুখে জল চলে আসে। ইতালির এই খাবার এখন ভারতীয়দেরও বেশ পছন্দের। তাই মেনুতেও এসেছে নানা স্বাদের পিৎজা। কিন্তু ওজন কমানোর পরিকল্পনা শুরু হলেই এই প্রিয় খাবারটিই যেন তালিকা থেকে সবার আগে বাদ পড়ে যায়।পুজো যত এগিয়ে আসছে, ততই অনেকে শরীরচর্চা এবং ডায়েট নিয়ে সচেতন হচ্ছেন। রাস্তার খাবার এড়িয়ে চলতে হচ্ছে। তবে পছন্দের খাবার একেবারে বন্ধ করে দেওয়াই যে একমাত্র উপায়, তা নয়। মাঝে মধ্যে পিৎজা খেতে চাইলে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলেই ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।পিৎজার সঙ্গে সফট ড্রিঙ্ক নয়পিৎজা সঙ্গে ঠান্ডা সফট ড্রিঙ্ক বা অন্য কোনও মিষ্টি পানীয় খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেটা আগে বদলান। পিৎজা থেকেই যথেষ্ট ক্যালোরি আসে, তার সঙ্গে সফট ড্রিঙ্ক যোগ হলে ক্যালোরির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়।শুধু পিৎজা নয়, সঙ্গে রাখুন স্যালাডনৈশভোজে পিৎজা খাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে শুধু একের পর এক স্লাইস খেয়ে পেট ভরাবেন না। সঙ্গে ফাইবার ও প্রোটিনসমৃদ্ধ স্যালাড রাখুন। আগে স্যালাড খেলে তুলনামূলক দ্রুত পেট ভরা অনুভূতি আসতে পারে। অতিরিক্ত চিজে লাগাম দিনপিৎজার অন্যতম আকর্ষণই হল তার চিজ। কিন্তু ডায়েটের মধ্যে খেতে চাইলে অতিরিক্ত চিজ যোগ করার অভ্যাসটি এড়িয়ে চলাই ভাল। অর্ডার করার সময় এক্সট্রা চিজ় বাদ দিন এবং তুলনামূলক হালকা টপিং বেছে নিতে পারেন।


Tarapith Temple: পুণ্যার্থীর ভিড়ে তারাপীঠে ছিনতাইয়ের হিড়িক! কৌশিকী অমাবস্যায় ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক অভিযোগ, আটক ৬২

Tarapith Temple: পুণ্যার্থীর ভিড়ে তারাপীঠে ছিনতাইয়ের হিড়িক! কৌশিকী অমাবস্যায় ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক অভিযোগ, আটক ৬২

কৌশিকী অমাবস্যাকে ঘিরে তারাপীঠে ভক্তদের উপচে ভরা ভিড় দেখা গিয়েছে। সেই মতো নিরাপত্তায় কোনও রকম খামতি রাখেনি প্রসাশন। মন্দির চত্বর থেকে আশপাশের এলাকা সব জায়গাতেই ছিল কড়া নজরদারি। কিন্তু এত আয়োজনের পরেও ভিড়ের সুযোগ নিয়ে চুরি-ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঠেকানো গেল না। পুলিশ সূত্রে খবর, কৌশিকী অমাবস্যার দিনে তারাপীঠ থানায় জমা পড়েছে ১০০-র বেশি অভিযোগ।প্রায় চার হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন ছিলেন। পাশাপাশি গোটা এলাকায় বসানো হয়েছিল ৩০০-রও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা। সন্দেহজনক গতিবিধি চিহ্নিত করতে ব্যবহার করা হয়েছিল ফেস রেকগনিশন প্রযুক্তিও। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে ছিল বিশেষ কন্ট্রোল ওয়ার রুম। তারপরেও অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে মোবাইল হারানো বা চুরির। পাশাপাশি সোনার গয়না ও মানিব্যাগ খোয়া যাওয়া, ছিনতাই এবং অভব্য আচরণের মতো অভিযোগও থানায় জমা পড়েছে। ভিড়ের মধ্যে কে বা কারা এই ধরনের ঘটনায় যুক্ত, তা খুঁজে বের করতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে শুরু করে পুলিশ। সেই তদন্তেই বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত তারাপীঠের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৬২ জনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। আটকদের প্রত্যেকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল-সহ অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।


 Bankura Accident:আর ফেরা হল না মায়ের কোলে! দাদুর সাইকেল থেকে ছিটকে পড়তেই ৪ বছরের শিশুকে পিষে দিল পুলিশের প্রিজন ভ্যান, রণক্ষেত্র বাঁকুড়া

Bankura Accident:আর ফেরা হল না মায়ের কোলে! দাদুর সাইকেল থেকে ছিটকে পড়তেই ৪ বছরের শিশুকে পিষে দিল পুলিশের প্রিজন ভ্যান, রণক্ষেত্র বাঁকুড়া

বাঁকুড়া: স্কুল ছুটির পর মাত্র কয়েক মিনিটের পথ ছিল বাড়ি। দাদুর সাইকেলের রডে বসে বাড়ি ফিরছিল চার বছরের ছোট্ট ঋষভ। কিন্তু মায়ের কোলে আর ফেরা হল না তার। পিছন থেকে ছুটে আসা পুলিশের একটি প্রিজন ভ্যানের ধাক্কায় রাস্তা ছিটকে পড়ে দাদু ও নাতি। চোখের নিমেষে শিশুটির শরীরের ওপর দিয়ে চলে যায় পুলিশের সেই ভারী গাড়ির পিছনের চাকা। শুক্রবার দুপুরে বাঁকুড়া শহরের রাজগ্রাম সংলগ্ন এলাকায় ঘটা এই নারকীয় ও মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিভে গেল চার বছরের একরত্তি ঋষভ কর্মকারের জীবনপ্রদীপ। দুর্ঘটনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে গোটা এলাকা, দফায় দফায় চলে পথ অবরোধ ও তীব্র বিক্ষোভ।বাঁকুড়া শহরের রাজগ্রামের রামকৃষ্ণ পল্লির বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ রঞ্জিত কর্মকার প্রতিদিনের মতোই এদিনও নিজের চার বছরের নাতি ঋষভকে স্থানীয় স্কুল থেকে নিয়ে সাইকেলে করে ফিরছিলেন। বর্ষার বৃষ্টিতে রাস্তাটি ভাঙাচোরা এবং খানাখন্দে জল জমে বিপজ্জনক হয়ে ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, ঠিক সেই সময়ই বাঁকুড়া জেলা সংশোধনাগার থেকে বিচারাধীন বন্দিদের নিয়ে খাতড়া মহকুমা আদালতের দিকে প্রচণ্ড গতিতে যাচ্ছিল পুলিশের একটি ভ্যান। ভাঙা রাস্তার গর্ত এড়াতে গিয়ে বেপরোয়া গতির ভ্যানটি আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং সামনে থাকা সাইকেলটির পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে। ছিটকে পড়ে যান রঞ্জিতবাবু এবং ঋষভ। নিমেষের মধ্যে শিশুটিকে চাকায় পিষে দিয়ে থামার বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় পুলিশের গাড়িটি।রক্তাক্ত অবস্থায় শিশু ও তাঁর জখম দাদুকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা ঋষভকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই মর্মান্তিক পরিণতির খবর ছড়াতেই এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জনবহুল বসতি এলাকায় পুলিশের গাড়ির এমন বেপরোয়া গতি এবং মানুষ চাপা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। টায়ার জ্বালিয়ে দীর্ঘক্ষণ রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান স্থানীয় বিধায়ক নীলাদ্রীশেখর দানা। তিনি উত্তেজিত জনতাকে বুঝিয়ে এবং ঘটনার যথাযথ তদন্ত ও দোষী চালকের কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়ে অবরোধ তোলেন। এদিকে একরত্তি ছেলের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা তনুশ্রী ও বাবা অরূপ কর্মকার। পুরো পরিবার এখন শোকে কার্যত পাথর। পুলিশের ভ্যানটির গতি কেমন ছিল এবং কেন চালক ব্রেক কষতে পারল না, পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে বাঁকুড়া থানার পুলিশ।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


Tiger Shroff: ফ্লপের ফাঁড়া কাটাতেই কি কালীঘাটে টাইগার? অভিনেতার মানত ঘিরে জল্পনা

Tiger Shroff: ফ্লপের ফাঁড়া কাটাতেই কি কালীঘাটে টাইগার? অভিনেতার মানত ঘিরে জল্পনা

বলিউডে পা রাখার পর অ্যাকশন হিরো হিসেবে নিজের পরিচয় তৈরি করতে চেয়েছিলেন টাইগার শ্রফ। ২০১৪ সালে ‘হিরোপন্তি’ দিয়ে শুরু হয়েছিল সেই যাত্রা। শরীরচর্চা, নাচ এবং অ্যাকশন এই তিনটি দিক তাঁর পরিচিতির অন্যতম অংশ হয়ে উঠেছিল। কিন্তু ছবির সাফল্য সবসময় তাঁর সঙ্গ দেয়নি। ‘বাগি’ সিরিজের মতো জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজির অংশ হওয়ার পরেও পরপর ছবির ব্যর্থতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।এরই মধ্যে নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছে তাঁর নাম। পানমশলার বিজ্ঞাপনে অভিনয় করার সূত্রে আইনি নোটিস পাওয়ার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। ফলে ব্যক্তিগত ও পেশাগত নানা চাপের মধ্যেই রয়েছেন অভিনেতা। আর ঠিক এই সময়েই একেবারে অন্য কারণে নজর কাড়লেন টাইগার। একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। সেই ব্যস্ত সফরের মধ্যেই সময় করে পৌঁছে যান কালীঘাট মন্দিরে। সেখানে মায়ের পুজোয় অংশ নেন অভিনেতা। গর্ভগৃহের ভিতরের তাঁর পুজো দেওয়ার কয়েকটি ছবি সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।ছবিতে টাইগারকে দেখা যায় নীল টি-শার্ট পরে। মুখে ছিল কালো মাস্ক, যদিও পুজোর সময় সেটি খুলে ফেলেন তিনি। পুরোহিতের নির্দেশ মেনে মায়ের সামনে পুজো দেন এবং ফুলও অর্পণ করেন। আর এখানেই তৈরি হয়েছে কৌতূহল। কলকাতায় এসে আচমকা কালীঘাটে পুজো দেওয়ার কারণ কী? টাইগার নিজে এই সফরের উদ্দেশ্য নিয়ে কোনও বিশেষ কথা বলেননি। কেরিয়ারের সাম্প্রতিক ওঠানামার কথা মাথায় রেখে কেউ কেউ মজা করে প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি নতুন ছবির সাফল্যের জন্য মায়ের কাছে মানত করলেন অভিনেতা?


West Bengal Teachers: মাঝবয়সে ফের বসতে হবে পরীক্ষায়, পাশ না করলেই কি বাতিল চাকরি? মাথায় হাত ৯০ হাজার শিক্ষকের

West Bengal Teachers: মাঝবয়সে ফের বসতে হবে পরীক্ষায়, পাশ না করলেই কি বাতিল চাকরি? মাথায় হাত ৯০ হাজার শিক্ষকের

কলকাতা: বহু বছর ধরে শিক্ষকতা করার পর এবার মাঝবয়সে এসে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের পরীক্ষায় বসতে হবে রাজ্যের কর্মরত প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাতিথমিক শিক্ষকদের। সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ কার্যকর করতে রাজ্যে কর্মরত অপ্রশিক্ষিত ও টেট অনুত্তীর্ণ শিক্ষকদের জন্য নতুন করে ‘টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট’ (টেট) গ্রহণের তোড়জোড় শুরু করে দিল বিকাশ ভবন। কবে নাগাদ এই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব, তা জানতে চেয়ে শুক্রবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনকে (এসএসসি) চিঠি পাঠিয়েছে স্কুলশিক্ষা দফতর। এই নির্দেশিকা প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যজুড়ে কর্মরত প্রায় ৯০ হাজারেরও বেশি শিক্ষকের মাথায় কার্যত আকাশ ভেঙে পড়েছে। যাঁদের এই মুহূর্তে টেট-এ বসার ন্যূনতম অ্যাকাডেমিক বা প্রশিক্ষণগত যোগ্যতা নেই, তাঁরা কি তবে এবার চাকরিহারা হবেন—এই আতঙ্কেই তোলপাড় শুরু হয়েছে শিক্ষক মহলে। পর্ষদ সূত্রে জানানো হয়েছে, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ২০২৮ সালের অগস্টের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে, তাই দ্রুত দিনক্ষণ চূড়ান্ত করে দফতরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।উল্লেখ্য, শিক্ষার অধিকার আইন (আরটিই ২০০৯) এবং এনসিটিই-র নির্দেশিকা মেনেই প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকতার ক্ষেত্রে টেট উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রাথমিক সময়সীমা ২০২৭ রাখা হলেও সম্প্রতি তা বাড়িয়ে ২০২৮ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করেছে শীর্ষ আদালত। কেবল যাঁদের অবসরের আর পাঁচ বছর বা তার কম সময় বাকি, তাঁদেরই এই নিয়মের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষকদের একাংশের তীব্র ক্ষোভ, ২০১১ সালের জুলাই মাসে রাজ্যে টেট বাধ্যতামূলক হওয়ার আগে যাঁরা চাকরিতে ঢুকেছিলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কেন চাপানো হচ্ছে? নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশন দাখিল করলেও শীর্ষ আদালত নিজেদের কড়া অবস্থান থেকে সরেনি। এমনকি সংসদের বাদল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে কোনো রক্ষাকবচ সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্সও জারি করা হয়নি।এই সরকারি উদ্যোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড়সড় রাজনৈতিক ও নীতিগত প্রতারণার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন শিক্ষক নেতৃত্ব। শিক্ষক সংগঠনগুলির দাবি, বিধানসভা নির্বাচনের আগে খোদ বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে রাজ্যে ক্ষমতায় এলে কর্মরত শিক্ষকদের কোনোভাবেই টেট দিতে হবে না। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল তোপ দেগে বলেন, ক্ষমতায় এসেই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে শিক্ষকসমাজকে চরম প্রতারণা করল সরকার। অন্যদিকে নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ধ্রুবশেখর মণ্ডলের প্রশ্ন, এত বছর চাকরি করার পর যদি কোনো শিক্ষক টেট পরীক্ষায় পাশ করতে না পারেন, তবে তাঁদের পরিবারের ভবিষ্যৎ কী হবে? সরকারের এই পদক্ষেপে রাজ্যজুড়ে ফের বড়সড় শিক্ষক আন্দোলনের কালো মেঘ ঘনাচ্ছে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


 Junput Project:যেখানে থমকে গিয়েছিল মিসাইল পরীক্ষা, সেখানেই ফিরছে ডিআরডিও! মেগা বিনিয়োগের রোডম্যাপ শুভেন্দুর

Junput Project:যেখানে থমকে গিয়েছিল মিসাইল পরীক্ষা, সেখানেই ফিরছে ডিআরডিও! মেগা বিনিয়োগের রোডম্যাপ শুভেন্দুর

কলকাতা: তৃণমূল জমানায় প্রবল বিরোধিতায় মাঝপথে থমকে যাওয়া প্রতিরক্ষা গবেষণা প্রকল্প এবার নতুন গতিতে ডানা মেলতে চলেছে বাংলায়। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি উপকূলের জুনপুটে জাতীয় স্তরের বড়সড় প্রকল্প গড়তে চলেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা তথা ডিআরডিও (ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন)। শুক্রবার খোদ এই মেগা প্রকল্পের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানান, ডিআরডিও-র জন্য রাজ্য সরকারের তরফে জুনপুটে জমি বরাদ্দ করা হচ্ছে এবং অতি দ্রুত এই মহা প্রকল্পের বিস্তারিত রূপরেখা সামনে আনা হবে।উল্লেখ্য, পূর্ব মেদিনীপুরের এই উপকূলবর্তী এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় একাধিক প্রকল্পের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের শিকার হয়েছে। বাম আমলে কাঁথির হরিপুরে প্রস্তাবিত পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ার উদ্যোগ বিরোধী তৃণমূলের তুমুল বাধায় ভেস্তে গিয়েছিল। পরবর্তীতে তৃণমূলের শাসনকালেই হরিপুরের ঢিল ছোড়া দূরত্বে জুনপুটে ডিআরডিও-র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ‘ফ্লাইট ট্রায়াল’ ও উৎক্ষেপণ পরিকাঠামো তৈরির কাজ শুরু হলেও, ২০২৪ সালে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন ও স্থানীয় বিক্ষোভের মুখে তা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। রাজনৈতিক পালাবদলের পর সেই জুনপুটেই ফের ডিআরডিও-র নতুন প্রকল্পের জমি বরাদ্দের ঘোষণা কার্যত রাজ্যের শিল্প ও নিরাপত্তা গবেষণার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক মোড় বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।শুক্রবার সল্টলেক সিটি সেন্টারে একটি নামী পোশাক বিপণি চেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কেবল প্রতিরক্ষাই নয়, রাজ্যের কর্মসংস্থান ও শিল্প বিনিয়োগ নিয়েও একের পর এক বড় ঘোষণা করেন। শুভেন্দু জানান, বর্তমানে ওই বিপণির ১১০টি আউটলেট রয়েছে এবং আগামী ১৮ মাসের মধ্যে রাজ্যে আরও ১৪০টি নতুন স্টোর খুলবে তারা। এই এক সংস্থাই রাজ্যে ১৯০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চলেছে, যার ফলে সরাসরি সাত হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং চাঙ্গা হবে এমএসএমই ক্ষেত্র। পাশাপাশি ওই গোষ্ঠী পুরুলিয়ায় ১০০০ একর জমিতে একটি বিশাল সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে, যার জন্য ইতিমধ্যে ১০০ একর জমিও কেনা হয়ে গিয়েছে। পুজোর আগেই ৩৩টি শিল্প সংস্থাকে জমি হস্তান্তরের সুখবর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর স্বয়ং গৌতম আদানি কলকাতায় আসছেন। একইসঙ্গে দিল্লির ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে রাষ্ট্রপ্রধানদের মহা সমারোহে সমস্ত মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে তাঁকেও মোদী সরকার আমন্ত্রণ জানিয়েছে বলে এদিন নিশ্চিত করেন শুভেন্দু।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


 BRICS 2026: ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধের চোখরাঙানি ফুৎকারে ওড়াল দিল্লি! পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে চুক্তির পথে মোদী, কোণঠাসা ওয়াশিংটন?

BRICS 2026: ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধের চোখরাঙানি ফুৎকারে ওড়াল দিল্লি! পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে চুক্তির পথে মোদী, কোণঠাসা ওয়াশিংটন?

নয়াদিল্লি: মধ্যপ্রাচ্যের রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ার জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের মধ্যেই এক ধুন্ধুমার কূটনৈতিক চাল দিল ভারত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একপেশে শুল্কযুদ্ধ এবং রুশ তেল কেনা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারিকে সরাসরি তোয়াক্কা না করে দিল্লিতে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে হাই-প্রোফাইল দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে ওয়াশিংটনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে মস্কোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক বন্ধন আরও মজবুত করার স্পষ্ট বার্তা দিল সাউথ ব্লক। সরকারি সূত্রের খবর, ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে ১০০ কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়ার মেগা রোডম্যাপ ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থির আবহে ভারতের নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সুরক্ষার জন্য রাশিয়ার সঙ্গেই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি কার্যত পাকা করে ফেলেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান।গত সপ্তাহেই বিশকেকে এসসিও সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্টকে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের বার্তা দিয়েছিলেন মোদী। কিন্তু বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বাজারে পুরনো বন্ধু মস্কোর ওপরই ভরসা রাখছে দিল্লি। সবচেয়ে বড় চমক অপেক্ষা করছে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে। ট্রাম্প প্রশাসন তাদের সর্বাধুনিক ‘এফ-৩৫ লাইটনিং-২’ যুদ্ধবিমান ভারতের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দিলেও, ওয়াশিংটনের সেই প্রস্তাব কার্যত একপাশে সরিয়ে রেখে পঞ্চম প্রজন্মের রুশ স্টেলথ যুদ্ধবিমান ‘সুখোই এসইউ-৫৭’ কেনার চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে এগোচ্ছে ভারত। পাশাপাশি ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০ এমকেআই বিমানের আধুনিকীকরণ (সুপার সুখোই প্রকল্প) এবং আকাশসীমা দুর্ভেদ্য করতে আরও এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ ও পন্টসার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা কেনার প্রক্রিয়া প্রায় ৯৯ শতাংশ নিশ্চিত। ইতিপূর্বে অপারেশন সিঁদুরে ভারতের সুদর্শন চক্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার যে মারাত্মক পরাক্রম বিশ্ব দেখেছিল, তাকেই এবার আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে চলেছে মস্কো ও দিল্লি। এই আবহে শনিবার ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পা রাখছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। একদিকে মোদী-পুতিন অক্ষ এবং অন্যদিকে বেজিংয়ের আগমন—আমেরিকার বিপরীতে বিশ্বে নতুন এক অপরাজেয় শক্তির সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলেই মনে করছেন তাবড় আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


Hot Tea Coffee: গরম চা-কফির নেশা আছে? ‘অত্যন্ত গরম’ পানীয় নিয়ে ক্যানসারের বড় সতর্কতা গবেষণায়

Hot Tea Coffee: গরম চা-কফির নেশা আছে? ‘অত্যন্ত গরম’ পানীয় নিয়ে ক্যানসারের বড় সতর্কতা গবেষণায়

সকালের ঘুম কাটাতে হোক বা কাজের ফাঁকে ক্লান্তি দূর করতে, গরম চা কিংবা কফি অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। কিন্তু কাপ থেকে ধোঁয়া উঠছে, অথচ ঠাণ্ডা হওয়ার অপেক্ষাও করছেন না। এভাবেই কি নিজের বিপদ ডেকে আনছেন? নতুন গবেষণার ফল বলছে, নিয়মিত অত্যন্ত গরম পানীয় পান করলে খাদ্যনালির একটি নির্দিষ্ট ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ব্রিটেনের প্রায় ৯ লক্ষ ৮০ হাজার প্রাপ্তবয়স্কের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। দেখা যায়, যাঁরা ‘গরম’ পানীয় খেতে পছন্দ করেন, তাঁদের খাদ্যনালির স্কোয়ামাস সেল কারসিনোমার ঝুঁকি ‘ঈষদুষ্ণ’ পানীয় পান করা ব্যক্তিদের তুলনায় প্রায় ১.৭ গুণ বেশি। আর যাঁরা ‘অত্যন্ত গরম’ পানীয় পান করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি প্রায় তিনগুণ পর্যন্ত বেশি দেখা গিয়েছে। গবেষণায় দিনে কতবার গরম পানীয় পান করা হচ্ছে, সেই বিষয়টিও বিবেচনা করা হয়েছে। দিনে ছ’বার বা তার বেশি গরম পানীয় পান করা ব্যক্তিদের মধ্যে তুলনামূলক কম গরম পানীয় পান করা ব্যক্তিদের চেয়ে খাদ্যনালির ক্যানসারের ঝুঁকি ৭১ শতাংশ বেশি ছিল।কেন অত্যন্ত গরম পানীয় নিয়ে সতর্কতা?মুখ থেকে পাকস্থলী পর্যন্ত খাবার ও পানীয় পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে খাদ্যনালি। নিয়মিত অত্যন্ত গরম পানীয় পান করলে এর ভেতরের আবরণে বারবার তাপজনিত ক্ষতি হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এমন ক্ষতি চলতে থাকলে প্রদাহ ও কোষের ক্ষতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। গবেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি এই ধরনের ক্ষতির সঙ্গে কোষে অস্বাভাবিক পরিবর্তনের যোগ থাকতে পারে।চা-কফি ছাড়তে হবে?গবেষণাটি চা বা কফি খাওয়াকে সরাসরি খাদ্যনালির ক্যানসারের কারণ হিসেবে দাবি করছে না। মূলত অত্যন্ত গরম অবস্থায় পানীয় খাওয়ার অভ্যাসের সঙ্গে ঝুঁকির সম্পর্কের দিকেই নজর দেওয়া হয়েছে। তাই চা-কফি পুরোপুরি বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। বরং কাপ হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চুমুক না দিয়ে কিছুটা সময় অপেক্ষা করে পানীয়টি সহনীয় তাপমাত্রায় এলে খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। 


 Ganesh Puja: গণেশপুজোর ভোগে থাকুক চমক! একসঙ্গে বানিয়ে ফেলুন ৩ স্বাদের মোদক, রইল সহজ কৌশল

Ganesh Puja: গণেশপুজোর ভোগে থাকুক চমক! একসঙ্গে বানিয়ে ফেলুন ৩ স্বাদের মোদক, রইল সহজ কৌশল

মোদক ছাড়া গণেশ চতুর্থী অসম্পূর্ণ। গণপতির প্রিয় এই মিষ্টি ছাড়া উৎসবের আয়োজনও যেন পূর্ণতা পায় না। তাই এবার বাজার থেকে কিনে আনার বদলে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলতে পারেন নানা স্বাদের মোদক। চিরাচরিত নারকেল-গুড়ের পাশাপাশি ড্রাই ফ্রুটস কিংবা চকোলেট দিয়েও তৈরি করা যায় এই মিষ্টি। রইল তিনটি সহজ রেসিপি।ড্রাই ফ্রুটস ও খেজুরের মোদকউপকরণ:খেজুর ১ কাপ, ডুমুর আধ কাপ, আমন্ড আধ কাপ, আখরোট আধ কাপ, পেস্তা আধ কাপ, ঘি ১ চা-চামচ এবং এলাচ গুঁড়ো আধ চা-চামচ।প্রণালী:প্রথমে খেজুর ও ডুমুর ছোট করে কেটে নিন। এ বার বাদামগুলি শুকনো কড়াইয়ে হালকা ভেজে নিয়ে মোটামুটি ভেঙে রাখুন। কড়াইয়ে ঘি গরম করে খেজুর ও ডুমুরের মিশ্রণ দিয়ে নরম হওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। তার মধ্যে ভাঙা বাদাম ও এলাচ গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি কিছুটা ঠান্ডা হলে মোদকের ছাঁচে সামান্য ঘি মাখিয়ে পুরে ভালো করে চেপে দিন। ছাঁচ খুলে নিলেই তৈরি ড্রাই ফ্রুটস-খেজুরের মোদক।নারকেল-গুড়ের ভাপা মোদকউপকরণ:চালের গুঁড়ো ১ কাপ, জল ১ কাপ, ঘি ১ চা-চামচ, এক চিমটি নুন, কোরানো নারকেল ১ কাপ, গুড় আধ কাপ, এলাচ গুঁড়ো আধ চা-চামচ এবং চাইলে ১ টেবিলচামচ পোস্ত।প্রণালী:একটি পাত্রে জল, ঘি ও সামান্য নুন দিয়ে ফুটিয়ে নিন। জল ফুটে উঠলে ধীরে ধীরে চালের গুঁড়ো দিয়ে দ্রুত নাড়তে থাকুন, যাতে দলা না পাকায়। মিশ্রণটি অল্প গরম থাকতেই ভালো করে মেখে নরম মণ্ড তৈরি করুন। এবার পুর তৈরির পালা। কড়াইয়ে গুড় গলিয়ে তার মধ্যে কোরানো নারকেল, এলাচ গুঁড়ো এবং চাইলে পোস্ত দিয়ে নাড়তে থাকুন। মিশ্রণটি একটু আঠালো হয়ে এলে আঁচ বন্ধ করে দিন।চালের মণ্ড থেকে ছোট লেচি কেটে হাতের তালুতে চেপে কাপের মতো আকার দিন। তার মধ্যে নারকেলের পুর ভরে প্রান্তগুলি বন্ধ করে মোদকের আকার দিন। চাইলে ছাঁচও ব্যবহার করতে পারেন। শেষে প্রায় ১০ মিনিট ভাপে সেদ্ধ করলেই তৈরি গরমাগরম নারকেল-গুড়ের মোদক।চকোলেট মোদকউপকরণ:ডার্ক বা মিল্ক চকোলেট ২০০ গ্রাম, ম্যারি বিস্কুট ১ কাপ, শুকনো খোলায় ভাজা কাজু-আমন্ড-পেস্তা আধ কাপ এবং কনডেন্সড মিল্ক ২ টেবিলচামচ।প্রণালী:প্রথমে চকোলেট গলিয়ে নিন। তার মধ্যে গুঁড়ো করা ম্যারি বিস্কুট, ভাজা বাদাম এবং কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর মোদকের ছাঁচে অল্প ঘি মাখিয়ে চকোলেটের মিশ্রণটি ভরে চেপে দিন। ছাঁচ থেকে মোদক বের করুন। প্রায় এক ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিলেই চকোলেট মোদক ভালোভাবে সেট হয়ে যাবে।


 BRICS Summit 2026:এক টেবিলে মোদী-পুতিন-জিনপিং, সঙ্গে শুভেন্দু! রাষ্ট্রপতি ভবনে ব্রিকসের মেগা নৈশভোজে দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী

BRICS Summit 2026:এক টেবিলে মোদী-পুতিন-জিনপিং, সঙ্গে শুভেন্দু! রাষ্ট্রপতি ভবনে ব্রিকসের মেগা নৈশভোজে দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এবার সরাসরি আন্তর্জাতিক কূটনীতির মহাসমাবেশে শামিল হতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। দেশের মাটিতে আয়োজিত হতে চলা হাই-প্রোফাইল ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের মেগা আসরে যোগ দিতে শনিবারই দিল্লি উড়ে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিকসের উদ্বোধনী পর্বের পর প্রথম দিন সন্ধেয় রাষ্ট্রপতি ভবনে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে এক রাজকীয় নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছে। সেই মেগা ডিনারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পাশাপাশি হাজির থাকছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সেই ঐতিহাসিক কূটনৈতিক আসরেই এক টেবিলে বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে শামিল হবেন শুভেন্দু অধিকারী।সূত্রের খবর, শনিবার দুপুর বা বিকেল নাগাদ দিল্লি পৌঁছবেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম দেশের বুকে আয়োজিত ব্রিকসের মতো এত বড় এক বৈশ্বিক মঞ্চে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আয়োজিত এই সম্মেলনে দেশের সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও, রাজনৈতিক মহলের নজর বিশেষভাবে আটকে শুভেন্দুর উপস্থিতির দিকেই। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে যখন মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও ব্রিকসের ক্ষমতা বিস্তার নিয়ে গোটা বিশ্ব তোলপাড়, তখন খোদ মোদী, পুতিন ও জিনপিংয়ের সঙ্গে একই সন্ধ্যায় এক ছাদের নিচে শুভেন্দুর এই উপস্থিতি রাজ্য রাজনীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ এক বার্তা বহন করছে।তবে শুভেন্দুর এই সফরের আকর্ষণ কেবল দিল্লির রাইসিনা হিলসের নৈশভোজেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। সূত্রের জোরালো দাবি, ব্রিকসের জমকালো অনুষ্ঠান শেষ করে দিল্লি থেকেই সোজা দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বইয়ের উদ্দেশে রওনা দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্ণধার মুকেশ আম্বানির সঙ্গে তাঁর একান্ত বৈঠক হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বাংলায় শিল্পখরা কাটাতে এবং রাজ্যে কর্পোরেট বিনিয়োগ আনতে সাঁড়াশি দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে শুভেন্দু সরকার। আমুল, আদানি ও শ্যাম স্টিলের পর এবার রিলায়েন্সের মতো দেশের শীর্ষ সংস্থাকে বাংলায় বড় প্রকল্পে লগ্নি করানোর লক্ষ্যেই আম্বানির সঙ্গে এই মেগা বৈঠকের ব্লু-প্রিন্ট সাজানো হয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


Rakhi Sawant: নিষেধাজ্ঞার আবহেই পাকিস্তানে রাখির বাজিমাত! হানিয়ার সঙ্গে কী কাণ্ড, কেন মিলল ‘লর্ড রাখি’ তকমা?

Rakhi Sawant: নিষেধাজ্ঞার আবহেই পাকিস্তানে রাখির বাজিমাত! হানিয়ার সঙ্গে কী কাণ্ড, কেন মিলল ‘লর্ড রাখি’ তকমা?

পুলওয়ামা কাণ্ডের পর থেকেই ভারতীয় বিনোদনের দুনিয়ায় পাকিস্তানি শিল্পীদের কাজ করা কার্যত বন্ধ। পালটা পাকিস্তানেও ভারতীয় শিল্পীদের নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। অথচ একসময় আতিফ আসলাম, রাহাত ফতেহ আলি খানের মতো শিল্পীদের গান ও কনসার্ট এদেশে বেশ জনপ্রিয় ছিল। অন্যদিকে ফাওয়াদ খান, মাহিরা খানের মতো পাক অভিনেতারাও বলিউডের মাধ্যমে ভারতেও যথেষ্ট পরিচিতি পেয়েছিলেন। কিন্তু গত কয়েক বছরে দুই দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব পড়েছে বিনোদন জগতেও।এই আবহেই আচমকা পাকিস্তানে চর্চার কেন্দ্রে রাখি সাওয়ান্ত। কিন্তু কেন? পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমিরের সঙ্গে তাঁর অভিনব কোল্যাবের জন্য চর্চার শীর্ষে রয়েছেন তিনি। আর সেই কোল্যাবের জেরেই প্রতিবেশী দেশে কেউ তাঁকে বলছেন ‘লর্ড রাখি’। সম্প্রতি গায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন হানিয়া আমির। ১০ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছে তাঁর প্রথম গান ‘পাবলো’। গানটির কথা ও সুর নিজেই তৈরি করেছেন অভিনেত্রী। তবে গানটির শেষদিকে রয়েছে আরও একটি চমক, যা সম্ভবত অনেকেই ভাবতে পারেনি। গানের একেবারে শেষ অংশে শোনা যায় রাখি সাওয়ান্তের কণ্ঠ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই এই কোল্যাব নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। হানিয়াকে উদ্দেশ্য করে বেশ উৎসাহব্যঞ্জক বার্তাও দিয়েছেন তিনি। রাখির কথায়, “হানিয়া, আমার সোনা, কোনও টেনশন নিও না। বুঝলে তো, একদম টেনশন করা যাবে না। আরে, তুমি তো অপ্সরা, তোমার মুখে এক স্বর্গীয় দ্যুতি রয়েছে। তোমার সৌন্দর্যে যারা ঈর্ষান্বিত, তারা তোমাকে নিয়ে কথা বলবেই। তুমি তো বাঘিনী, হানিয়া। বুঝলে? ভয় পাবে না। যে ভয় পায়, সে তো মৃতপ্রায়। ভয়কে জয় করো। তুমি এগিয়ে চলো।”


Social Media Trap:‘সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেব!’ দিল্লি থেকে বিহারে ডেকে ইনফ্লুয়েন্সারকে ধর্ষণ, জালে এসএসবি জওয়ান

Social Media Trap:‘সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেব!’ দিল্লি থেকে বিহারে ডেকে ইনফ্লুয়েন্সারকে ধর্ষণ, জালে এসএসবি জওয়ান

মুজফফরপুর: সমাজমাধ্যমে রিলে লাইক আর ফলোয়ার বাড়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে দিল্লির এক তরুণী ইনফ্লুয়েন্সারকে ধর্ষণের মারাত্মক অভিযোগ উঠল সশস্ত্র সীমা বলের (এসএসবি) এক এএসআই-এর বিরুদ্ধে। শুধু ধর্ষণই নয়, সেই নারকীয় ঘটনার গোপন ভিডিও তুলে তরুণীকে লাগাতার ব্ল্যাকমেল করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং মুখ খুললে দু’বছরের সন্তানকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত এসএসবি এএসআই বিকাশ কুমার এবং তাঁর সহযোগী রাজীব রাইয়ের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই জেলা পুলিশ ও এসএসবি সদর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা।দিল্লির বাসিন্দা ওই তরুণীর দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ার সূত্র ধরেই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় মুজফফরপুরে কর্মরত এএসআই বিকাশ কুমারের। বিকাশ তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিল, আকর্ষণীয় রিল তৈরি এবং ডিজিটাল কৌশলের মাধ্যমে তাঁর সমাজমাধ্যমের অনুগামীর সংখ্যা হু হু করে বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করবে সে। সেই সূত্রেই পেশাগত আলোচনার নাম করে তরুণীকে বিহারে আসার প্রস্তাব দেয় অভিযুক্ত। আশ্বাস পেয়ে নিজের মাত্র দু’বছরের সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে গত বছর দিল্লি থেকে মুজফফরপুরে পৌঁছান ওই তরুণী এবং স্টেশন রোডের একটি হোটেলে ওঠেন। অভিযোগ, সেখানেই ছক কষে তাঁকে একা পেয়ে প্রথমে এএসআইয়ের সঙ্গী রাজীব রাই ধর্ষণ করে এবং পুরো কুকীর্তির ভিডিও ক্যামেরাবন্দি করে রাখে। এরপর সেই আপত্তিকর ভিডিও ইন্টারনেটে ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তরুণীর থেকে জোরপূর্বক ২০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। এর কিছু পরই সেই ভিডিও এবং কোলের শিশুকে খুনের হুমকি দেখিয়ে তরুণীকে বিকাশ কুমারের সঙ্গেও শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন নির্যাতিতা।ঘটনার পর কোনওমতে দিল্লি ফিরে গিয়ে এসএসবি সদর দপ্তরে অনলাইনে অভিযোগ দায়ের করেন তরুণী। পরে সশস্ত্র সীমা বলের তলবে গিয়ে বয়ানও রেকর্ড করান। কিন্তু এর পর থেকেই অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য তাঁর ওপর লাগাতার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এদিকে মুজফফরপুর জেলা পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীর অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু হয়েছে। অন্যদিকে অভিযোগের গভীরতা বুঝে এসএসবি কর্তৃপক্ষও ইতিমধ্যেই তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত চলাকালীন জানা গিয়েছে, কেবল এই তরুণীই নন, অভিযুক্ত এএসআই বিকাশের বিরুদ্ধে এর আগেও অন্তত আরও দুই তরুণীকে যৌন হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে, যা গোটা বাহিনীতেই তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


Chutney Recipe: চাটনিতে একঘেয়েমি কাটুক! চিনাবাদাম দিয়ে বানান ৫ রকম চাটনি, জমবে ভাত থেকে ইডলিও

Chutney Recipe: চাটনিতে একঘেয়েমি কাটুক! চিনাবাদাম দিয়ে বানান ৫ রকম চাটনি, জমবে ভাত থেকে ইডলিও

চিনাবাদাম মানেই শুধু ভাজা খাওয়া কিংবা ডালের বড়ার সঙ্গে পরিবেশন, এমনটা কিন্তু নয়। রান্নাঘরের কয়েকটি সাধারণ উপকরণ দিয়েই চিনাবাদাম থেকে তৈরি করা যায় নানা স্বাদের চাটনি। গরম ভাত, রুটি কিংবা ইডলির সঙ্গে যেমন খেতে ভালো লাগে, তেমনই কিছু চাটনি মাছ-মাংসের কাবাবের সঙ্গেও দিব্যি মানিয়ে যায়। রইল এমনই ৫ ধরনের চিনাবাদামের চাটনির রেসিপি।অন্ধ্রপ্রদেশের পাল্লি পাচাড়িঅন্ধ্রপ্রদেশের জনপ্রিয় এই চাটনির জন্য লাগবে শুকনো খোলায় ভাজা চিনাবাদাম, শুকনো লঙ্কা, তেঁতুল, রসুন, কারিপাতা, নুন, তেল ও সর্ষে। প্রথমে চিনাবাদাম, শুকনো লঙ্কা, তেঁতুল, রসুন ও নুন একসঙ্গে মিক্সারে দিয়ে অল্প অল্প জল মিশিয়ে বেটে নিন। এরপর কড়াইয়ে সামান্য তেল গরম করে সর্ষে ফোড়ন দিন। তারপর কারিপাতা দিয়ে কয়েক সেকেন্ড নাড়াচাড়া করে সেই ফোড়ন চাটনির উপর ঢেলে দিন। ইডলি, ধোসা কিংবা ঘি-ভাতের সঙ্গে এই চাটনি বেশ জমবে।চিনাবাদাম-নারকেলের চাটনিচিনাবাদামের সঙ্গে নারকেল যোগ করলে চাটনির স্বাদ দ্বিগুণ হয়ে যায়। এর জন্য লাগবে ভাজা চিনাবাদাম, কোরানো নারকেল, কাঁচা লঙ্কা, রসুন, তেঁতুল, নুন, সর্ষে, কারিপাতা ও তেল। প্রথমে চিনাবাদাম শুকনো কড়াইয়ে ভেজে নিন। এরপর চিনাবাদাম, নারকেল, কাঁচা লঙ্কা, রসুন, তেঁতুল ও নুন মিক্সারে দিয়ে অল্প জল দিয়ে বেটে নিন। এবার তেলে সর্ষে ফোড়ন দিয়ে কারিপাতা ভেজে সেই ফোড়ন চাটনির সঙ্গে মিশিয়ে দিন।টম্যাটো-চিনাবাদামের চাটনিএবার চিনাবাদামের সঙ্গে যোগ হবে টম্যাটোর টক-মিষ্টি স্বাদ। টুকরো করে কাটা পাকা টম্যাটো, শুকনো লঙ্কা, রসুন ও কাঁচা লঙ্কা সামান্য তেলে ভালো করে ভেজে নিন। টম্যাটো নরম হয়ে এলে আঁচ বন্ধ করে মিশ্রণটি ঠান্ডা করুন। তারপর ভাজা চিনাবাদাম, ভাজা টম্যাটোর মিশ্রণ, তেঁতুল ও নুন একসঙ্গে মিক্সারে দিয়ে বেটে নিন। শেষে সর্ষে ও কারিপাতার ফোড়ন দিয়ে পরিবেশন করুন।পুদিনা-ধনেপাতা ও চিনাবাদামের চাটনিচাটনিতে একটু ঝাল স্বাদ চাইলে এই রেসিপিটি ট্রাই করতে পারেন। ভাজা চিনাবাদামের সঙ্গে পুদিনা, ধনেপাতা, কাঁচা লঙ্কা, রসুন, জিরে, লেবুর রস ও নুন মিক্সারে দিয়ে অল্প জল মিশিয়ে মসৃণ করে নিন। এই সবুজ চাটনি শুধু ভাত বা রুটির সঙ্গেই নয়, মাছ-মাংসের কাবাব কিংবা অন্যান্য স্ন্যাকসের সঙ্গেও পরিবেশন করা যায়।চিনাবাদামের ফারালি চাটনিএই রেসিপিতে চাটনির সঙ্গে মিশবে সেদ্ধ আলু, তাই স্বাদ ও টেক্সচার দুটোই একটু আলাদা। ভাজা চিনাবাদাম, কাঁচা লঙ্কা, ধনেপাতা, জিরে ও নুন একসঙ্গে বেটে নিন। অন্যদিকে সেদ্ধ আলু ভালো করে চটকে তার সঙ্গে চিনাবাদামের মিশ্রণটি মিশিয়ে নিন। এবার অল্প অল্প জল দিয়ে পছন্দমতো ঘনত্ব আনুন। সবশেষে লেবুর রস মিশিয়ে পরিবেশন করুন। 


Calcutta High Court:আপাতত ছাড়তে হচ্ছে না ক্যামাক স্ট্রিটের কার্যালয়! দমকলের নোটিসে কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ

Calcutta High Court:আপাতত ছাড়তে হচ্ছে না ক্যামাক স্ট্রিটের কার্যালয়! দমকলের নোটিসে কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ

কলকাতা: ক্যামাক স্ট্রিটের রাজনৈতিক কার্যালয় খালি করার নির্দেশে এবার বড়সড় স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বহুতলের সপ্তম ও অষ্টম তলার অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ণ দাবি করে দমকল দফতর যে অবিলম্বে অফিস খালি করার নোটিস জারি করেছিল, শুক্রবার তাতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের একক বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আপাতত দমকলের ওই নোটিসের ভিত্তিতে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এই বহুল চর্চিত মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবে আদালত, ততদিন পর্যন্ত বহাল থাকবে এই রক্ষাকবচ।৯ ক্যামাক স্ট্রিটের ওই বহুতলের কার্যালয়টি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। সম্প্রতি ভবনের ছাদ থেকে বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে কলকাতা পুরসভার আধিকারিক ও অভিষেক অনুগামীদের মধ্যে ধুন্ধুমার বেঁধেছিল। সেই জল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ানোর মাঝেই হঠাৎ মাঠে নামে দমকল দফতর। বহুতলের সপ্তম ও অষ্টম তলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা বেহাল—এই কারণ দেখিয়ে গোটা তল দুটি খালি করার নোটিস পাঠানো হয় বাড়ির মালিককে, যার ভিত্তিতে মালিকপক্ষও অভিষেকদের অফিস ছাড়ার নির্দেশ দেয়। এই নোটিসকে রাজনৈতিক চক্রান্ত দাবি করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট শিবির। শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী কিশোর দত্ত সওয়াল করে জানান, ভবনে যদি অগ্নিনির্বাপণের ঘাটতি থাকে, তবে কেবল দুটি তলকে নিশানা করা হল কেন? তাছাড়া সিলিন্ডার আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং পরিকাঠামোগত ত্রুটি মেরামতির মূল দায়িত্ব বাড়ির মালিকের।পাল্টা রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিত মিত্র দাবি করেন, সপ্তম তলায় একাধিক সিলিন্ডার মজুত ছিল, ফায়ার অ্যালার্ম বিকল এবং অন্যান্য তলের তুলনায় স্প্রিংকলার ছিল অপ্রতুল। অন্যদিকে বাড়ির মালিকের আইনজীবী সৌম্য মজুমদার অভিযোগ তোলেন, তাঁদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে না জানিয়ে ভেতরে ক্যাফেটেরিয়া বানানো হয়েছিল। তবে সব পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে আদালত স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ করে জানায়, দমকলের লাইসেন্স একদিনে মেলে না, তার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া উচিত ছিল। এই নোটিসের কোনও তাত্ক্ষণিক প্রয়োগ হতে পারে না। দমকলের নিজস্ব নথিতেও যেখানে দেখা গিয়েছে ভাড়াটিয়া হিসেবে অভিষেকরা নথিপত্র নিয়ে হাজির হলেও মালিকপক্ষ তলব এড়িয়েছেন এবং লাইসেন্স পুনর্নবীকরণের দায়িত্ব ছিল মালিকেরই—সেখানে তড়িঘড়ি অফিস খালি করার সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করে স্থগিতাদেশ জারি করে হাইকোর্ট। আদালতের এই পদক্ষেপে ১৬ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত রায়ের আগে পর্যন্ত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল তৃণমূল শিবির।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


Mirzapur The Movie: ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’-তে মহারানা প্রতাপকে ঘিরে বিতর্ক! আপত্তি জানিয়ে এবার সেন্সর বোর্ডে বিজেপি নেতা

Mirzapur The Movie: ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’-তে মহারানা প্রতাপকে ঘিরে বিতর্ক! আপত্তি জানিয়ে এবার সেন্সর বোর্ডে বিজেপি নেতা

ওটিটির পর এবার বড় পর্দায় এসেছে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’। ৪ সেপ্টেম্বর মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে ছবিটি ঘিরে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কালীন ভাইয়া, মুন্না ত্রিপাঠী এবং গুড্ডু-বাবলু পণ্ডিতকে ঘিরে ক্ষমতার লড়াইয়ের গল্প ইতিমধ্যেই বক্স অফিসে সাফল্য পেয়েছে। তবে প্রশংসার পাশাপাশি এবার ছবিকে ঘিরে বিতর্কও শুরু হয়েছে।অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে ছবির ‘শূরবীর’ গান। মহারানা প্রতাপকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তৈরি কড়া হয়েছিল  এই গানটি। আর সেটাই সিনেমার অপরাধ ও হিংসার দৃশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ব্যবহারের বিরুদ্ধে এবার সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের (CBFC) দ্বারস্থ হয়েছেন রাজস্থানের বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা রাজেন্দ্র রাঠোর। রাঠোরের বক্তব্য, মহারানা প্রতাপ শুধু মেওয়াড় বা রাজস্থানের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র নন। তিনি গোটা দেশের সাহস, আত্মত্যাগ ও আত্মসম্মানের প্রতীক। সেই ব্যক্তিত্বকে উৎসর্গ করা একটি গান যদি গ্যাংস্টার-নির্ভর ক্রাইম ড্রামার হিংসাত্মক দৃশ্যে ব্যবহার করা হয়, তা হলে রাজপুত সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে বলেই তাঁর দাবি।সেন্সর বোর্ডকে লেখা চিঠিতে গায়ক রেপিয়া বালামের আপত্তির কথাও উল্লেখ করেছেন রাঠোর। তাঁর দাবি, মহারানা প্রতাপের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই গানটি তৈরি করা হয়েছিল। সিনেমায় ব্যবহারের আগে নির্মাতারা তাঁর কাছ থেকে অনুমতি নেননি। এই পরিস্থিতিতে গানটির ব্যবহার নিয়ে পদক্ষেপ করার পাশাপাশি ‘শূরবীর’কে সিনেমা থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন রাজেন্দ্র রাঠোর।


 Calcutta High Court: শুক্রবারের কর্মসূচি ভেস্তে যেতেই ফের হাই কোর্টের চক্কর! মমতার মাহেশ সভা নিয়ে চরম জট, মামলা ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠালেন প্রধান বিচারপতি

Calcutta High Court: শুক্রবারের কর্মসূচি ভেস্তে যেতেই ফের হাই কোর্টের চক্কর! মমতার মাহেশ সভা নিয়ে চরম জট, মামলা ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠালেন প্রধান বিচারপতি

কলকাতা: শ্রীরামপুরের মাহেশে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বহুচর্চিত রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আইনি জট কাটল না কলকাতা হাই কোর্টেও। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক (সিঙ্গল) বেঞ্চের কাছেই ফেরত পাঠাল। একইসঙ্গে জটিলতা কাটাতে একক বেঞ্চকে দ্রুত এই মামলার নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে শুক্রবারের যে মিছিল ও জনসভার পরিকল্পনা কালীঘাট তৃণমূল করেছিল, তা কার্যত বিশ বাঁও জলে চলে গেল।ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার মাহেশে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে একটি বড় মিছিল ও জনসভার ডাক দেওয়াকে কেন্দ্র করে। পুলিশি অনুমতি না মেলায় জল গড়ায় হাই কোর্ট পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের সিঙ্গল বেঞ্চ কিছু শর্তসাপেক্ষে ঐতিহাসিক জগন্নাথদেবের স্নানপিঁড়ি ময়দানে সভা করার ছাড়পত্র দিয়েছিল। কিন্তু সেই রায়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তড়িঘড়ি ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য সওয়াল করে জানান, ওই ময়দানটি পুরোপুরি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট, যেখানে ঐতিহ্যবাহী রথের মেলা বসে। কোনও ধর্মীয় ট্রাস্ট বা ব্যক্তিগত মালিকানাধীন ময়দানে রাজনৈতিক সভা করার জন্য পুলিশ কাউকে জমি ছাড়তে বাধ্য করতে পারে না।শুনানিতে ময়দানের মালিকপক্ষও সরাসরি আদালতে দাঁড়িয়ে জানিয়ে দেয় যে, তাঁরা কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য মাঠ দিতে একেবারেই নারাজ। এরপরই বৃহস্পতিবার বিকেলে শুক্রবারের নির্ধারিত কর্মসূচি স্থগিত করার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি ঘুগে। তিনি কড়া পর্যবেক্ষণ করে জানিয়েছিলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি করার আগে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা ভাবা দরকার এবং প্রয়োজনে আয়োজকদের বিকল্প জায়গার সন্ধান করা উচিত। শুক্রবার ফের মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিল, মাঠের মালিকপক্ষের যাবতীয় আপত্তি ও আবেদন বিবেচনা করে সিঙ্গল বেঞ্চকেই নতুন করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আদালতের এই একের পর এক কড়া পদক্ষেপে মাহেশের হাইভোল্টেজ সভা নিয়ে এখন তীব্র রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।