Hidden Stories (বাংলা)

আর্কাইভ দেখুন

শুভেন্দুর খাসতালুকে মুছে যাওয়ার পথে তৃণমূল? এবার হাতছাড়া ঐতিহাসিক গ্রাম পঞ্চায়েত, আনন্দে আত্মহারা বিজেপি

শুভেন্দুর খাসতালুকে মুছে যাওয়ার পথে তৃণমূল? এবার হাতছাড়া ঐতিহাসিক গ্রাম পঞ্চায়েত, আনন্দে আত্মহারা বিজেপি

নন্দীগ্রাম: রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর থেকেই একের পর এক পুরসভা, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদে নজিরবিহীন ধস অব্যাহত। পটাশপুর-১ ব্লকের অমর্ষি-২ এবং কোলাঘাটের সিদ্ধা-১ গ্রাম পঞ্চায়েত হাতছাড়া হওয়ার পর এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তঘাঁটি নন্দীগ্রামেই মুখ থুপড়ে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্যেমারি গ্রাম পঞ্চায়েতটি মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে হাতছাড়া হল জোড়াফুল শিবিরের। ভোটাভুটির পর নির্দলের সমর্থনে ও বিজেপির যোগসাজশে বোর্ড গঠিত হতেই কার্যত উৎসবের আবহ তৈরি হয় গেরুয়া শিবিরে।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্যেমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল একচ্ছত্রভাবে ১৩টি আসনে জয়ী হয়েছিল এবং ৯টি আসন পেয়েছিল নির্দল প্রার্থীরা। তবে সম্প্রতি রাজ্যে শাসনকাজে পালাবদলের রাজনৈতিক ঝড়ের ধাক্কায় নন্দীগ্রামের এই পঞ্চায়েতেও চরম প্রশাসনিক জটিলতা ও অচলাবস্থা তৈরি হয়। প্রধান ও উপপ্রধান-সহ তৃণমূলের একাধিক বিজয়ী সদস্য একে একে ইস্তফা দেওয়ায় এলাকার সাধারণ নাগরি পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছিল। এই অচলাবস্থা কাটাতে পঞ্চায়েত আইনের নিয়ম মেনে মঙ্গলবার ১৯ জন উপস্থিত সদস্যের মধ্যে ভোটাভুটি সম্পন্ন হয়, যেখানে সর্বসম্মতিক্রমে প্রধান হিসেবে আভারানী বেরা এবং উপপ্রধান পদে খাজেদা বিবির নামে অনুমোদন দেওয়া হয়।নবনিযুক্ত প্রধান আভারানী বেরা দায়িত্ব গ্রহণ করেই স্পষ্ট জানান যে, এলাকার থমকে থাকা উন্নয়নমূলক কাজ ত্বরান্বিত করতে রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকারের নীতির ওপর আস্থা রেখেই তাঁরা হাত মিলিয়েছেন। অন্যদিকে, পঞ্চায়েতের এই নাটকীয় পরিবর্তনের পর বিজেপির মণ্ডল-১ সভাপতি ধনঞ্জয় ঘড়া জানান, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের প্রতিনিধিরা পঞ্চায়েতে অনুপস্থিত থাকায় এলাকার সাধারণ মানুষের কাজ আটকে ছিল। এখন নিয়মমাফিক নতুন প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচিত হওয়ায় বিজেপি তাঁদের সমস্ত রকম রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রদান করবে। নন্দীগ্রামের মতো হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক জমিতে তৃণমূলের এই পরাজয় ও পঞ্চায়েত হাতছাড়া হওয়ার ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের সূচনা ঘটাল।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


এখনই রক্ষাকবচ নয়! অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে কড়া বার্তা হাই কোর্টের

এখনই রক্ষাকবচ নয়! অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে কড়া বার্তা হাই কোর্টের

জমি দুর্নীতি মামলায় এখনও বিপাকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়। তদন্ত চলাকালীন রক্ষাকবচ দিতে নারাজ কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তদন্ত চলার এই পর্যায়ে সুরক্ষা চাওয়ার সময় এটা নয়।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে ওঠে সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে জমি দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলা। তাঁর আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়ে বলেন, পুলিশের অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই। যে জমিগুলির কথা উঠছে, সেগুলি সরকারি নথিতে যথাযথভাবে নথিভুক্ত। জমির মালিকদেরও শনাক্ত করা হয়েছে। সুজয় হাজরা ক্যামাক স্ট্রিটে এসে টাকা দিতেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তার কোনও প্রমাণ তদন্তকারী সংস্থা দেখাতে পারেনি। এর পাল্টা সওয়াল করে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার বলেন, তদন্তে উঠে এসেছে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ। তাঁর দাবি, গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জেনেছে, প্রকৃত জমির মালিকদের জোর করে জমি ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। পরে ভুয়ো নামে জমির রেকর্ড তৈরি করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, বিষ্ণু রায়, পল্টু রায়, কমলা রায়ের মতো নামে নথি তৈরি হলেও বাস্তবে এমন কোনও ব্যক্তির অস্তিত্ব নেই।রাজ্যের দাবি, এই গোটা প্রক্রিয়ায় মিডলম্যান হিসেবে কাজ করেছেন সুজয় হাজরা। তাঁর কাছ থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে, সমস্ত আর্থিক লেনদেন নগদে হয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়ার সুবিধাভোগী ছিলেন সুমিত রায়। দুই পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ আবেদনকারী পক্ষকে বলেন, "এখনই রক্ষাকবচ চাইবেন না।" এরপর মামলার পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে বুধবার।


হর্নবিলের অনুপ্রেরণায় এক মঞ্চে ৩৫টি উপজাতি, জাঙ্গিপাড়ায় সাজছে ঐতিহ্যের মহোৎসব

হর্নবিলের অনুপ্রেরণায় এক মঞ্চে ৩৫টি উপজাতি, জাঙ্গিপাড়ায় সাজছে ঐতিহ্যের মহোৎসব

নাগাল্যান্ডের বিশ্বখ্যাত হর্নবিল ফেস্টিভ্যালের রং এবার বাংলায়! নিজেদের ভাষা, সংস্কৃতি, ও ঐতিহ্যকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে প্রথমবার বড় আকারে আদিবাসী মহোৎসবের আয়োজন করতে চলেছে রাজ্যের উপজাতি সংগঠন।আগামী ৯ আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবস। সেই উপলক্ষে হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় বসতে চলেছে এই বিশেষ উৎসব। আয়োজকদের দাবি, এটি শুধু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং বাংলার আদিবাসী সম্প্রদায়ের পরিচয়, ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে একছত্রভাবে তুলে ধরার প্রয়াস। জানা গিয়েছে, রাজ্যের ৩৫টি উপজাতির প্রতিনিধিরা এই উৎসবে অংশ নেবেন। প্রতিটি সম্প্রদায়ের জন্য থাকবে পৃথক স্টল। সেখানে তুলে ধরা হবে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, পোশাক, হস্তশিল্প, লোকসংগীত, নৃত্য এবং ঐতিহ্য। ধামসা-মাদল, তির-ধনুকসহ নানা ঐতিহ্যবাহী উপকরণও এই প্রদর্শনীতে থাকবে। ট্রাইবাল ইউনিটি ফোরামের সভাপতি রুবেন রাভা জানান, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে উপজাতিদের উন্নয়নের জন্য পৃথক বোর্ড গঠনের আশ্বাস মিলেছে। সেই আবহেই নিজদের সংস্কৃতি আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এই উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে।বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলের একাধিক উপজাতি এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবে। স্থানীয় তিন বিধায়ককেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রীকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে। সংগঠন সূত্রে খবর, কোচবিহারের চাকমা সম্প্রদায়, ডুয়ার্সের অসুর সম্প্রদায়, টোটো সমাজ, সুন্দরবন ও জঙ্গলমহলের বিভিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠীও এই মহোৎসবে অংশ নিতে পারে। নাগাল্যান্ডের হর্নবিল ফেস্টিভ্যালের খ্যাতি যেমন বিশ্বজোড়া, তেমনই বাংলার আদিবাসী সংস্কৃতিকেও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরাই প্রধান লক্ষ্য। 


একদিকে কান্নার রোল, অন্যদিকে উদ্দাম নাচ! ‘আরশোলা’দের কড়া বার্তা সোনমের, দিল্লিতে মহা বিতর্ক

একদিকে কান্নার রোল, অন্যদিকে উদ্দাম নাচ! ‘আরশোলা’দের কড়া বার্তা সোনমের, দিল্লিতে মহা বিতর্ক

নয়াদিল্লি: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ড ও তার জেরে একাধিক পড়ুয়ার মর্মান্তিক আত্মহত্যার ঘটনায় যখন দেশজুড়ে স্বজনহারা পরিবারগুলির কান্নার রোল থামেনি, ঠিক তখনই বিলাসবহুল হোটেলে বলিউডি গানের তালে উদ্দাম নাচে মেতে প্রবল বিতর্কের মুখে পড়ল আন্দোলনকারীদের এক গোষ্ঠী। নিট কাণ্ড নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা আন্দোলনের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফাকে কেন্দ্র করে নিজেদের ‘জয়’ হিসেবে দাবি করে উৎসবে মেতে ওঠে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। সম্প্রতি সিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা-সহ একাধিক সদস্যকে ফাইভ স্টার হোটেলে নাচতে দেখা গেছে। শোকাতুর পরিস্থিতির মাঝে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন উদযাপনের ভিডিও ভাইরাল হতেই ক্ষোভে ফুঁসছে সামাজিক মাধ্যম।এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিশিষ্ট পরিবেশকর্মী তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। আন্দোলন ও সাফল্যের মাঝে সংযম বজায় রাখার বার্তা দিয়ে তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন যে, যে কোনো উদযাপনের পেছনেই একটি বিনয় ও শালীনতা থাকা প্রয়োজন। সাফল্য অর্জনের মতোই সেই সাফল্যকে মর্যাদা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করিয়ে দেন তিনি। দেশের সাধারণ ছাত্রসমাজ যখন এখনো আন্দোলনের আঁচে জ্বলছে এবং আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবার বিচার চেয়ে কাঁদছে, তখন এই ধরনের উদ্দাম নাচ ও উদযাপন কতটা যুক্তিযুক্ত—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন নেটিজেনরা।উল্লেখ্য, টানা ৩৬ দিন ধরে চলা টানা আন্দোলনের পর গত শনিবার সরকারের তরফ থেকে আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে নেওয়া হয় এবং শিক্ষামন্ত্রী ইস্তফা দেন। কিন্তু সেই জয় উদ্‌যাপনের মাঝেই আন্দোলনের অন্যতম মূল মুখ সোনম ওয়াংচুককে সম্পূর্ণ ভুলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ‘আরশোলা’ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। যন্তর মন্তরে আয়োজিত বিজয় উৎসবে একবারের জন্যও সোনমের অবদানকে স্মরণ করেনি সিজেপির প্রধান অভিজিৎ দীপকে কিংবা তাঁর সহযোগীরা। একদিকে আন্দোলনের আসল কাণ্ডারিকে ন্যূনতম ধন্যবাদ না জানানো, অন্যদিকে শোকের আবহে বিলাসবহুল পার্টি—সব মিলিয়ে এই ককরোচ জনতা পার্টির ভূমিকা এখন কাঠগড়ায়।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


ককরোচের পর এবার ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’! সোশাল মিডিয়ায় ঝড় তুলছে নতুন সংগঠন

ককরোচের পর এবার ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’! সোশাল মিডিয়ায় ঝড় তুলছে নতুন সংগঠন

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন সফল হয়েছে। নিট ইস্যুতে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। দেশ জুড়ে আলোড়ন তুলেছিল সিজেপি। তাদের সাফল্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় যেন একের পর এক নতুন ‘আন্দোলন’-এর জন্ম হচ্ছে। ককরোচ, ই-২০র পর এবার নেটদুনিয়ায় দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’ (RHA)। খুব কম সময়েই ইনস্টাগ্রামে তাদের ফলোয়ারের সংখ্যা ৫.৬ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে, যা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ইনস্টাগ্রামে RHA-র ১০০টিরও বেশি পোস্ট রয়েছে। প্রোফাইলে ড. বি. আর. আম্বেদকরের বিখ্যাত আহ্বান, “Educate, Agitate, Organize” উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি হিন্দিতে লেখা রয়েছে, “সারি জাতি এক সমান, মেরা বস ইয়ে দেশ মহান”, অর্থাৎ জাতিভেদ নয়, সমতার ভিত্তিতেই দেশ গড়ার বার্তা। সংগঠনের দাবি, তারা কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নয়। তবে তাদের প্রতিষ্ঠাতা বা পরিচালকদের পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। বিভিন্ন পোস্টে তারা সংরক্ষণ নীতির সমালোচনা করে দাবি করেছে। তাদের বক্তব্য, জাতের বদলে মেধার ভিত্তিতে সকলকে সমান সুযোগ দেওয়া উচিত।উল্লেখ্য, শুরুর দিকে ব্যঙ্গধর্মী সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ককরোচ জনতা পার্টি। কিন্তু নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে তাদের আন্দোলন ব্যাপক জনসমর্থন পায়। সেই ঘটনার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক নতুন সংগঠনের উত্থান চোখে পড়ছে। শুধু RHA-ই নয়, সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে ‘E20 জনতা পার্টি’-ও। ইথানল মিশ্রিত E20 পেট্রোল নিয়ে মানুষের অসন্তোষকে সামনে রেখে এই সংগঠনের আত্মপ্রকাশ। তবে এই সংগঠনের নেপথ্যেও কারা রয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।


দুর্গাপুজোর আগেই পুলিশের জন্য বড় উপহার! রেশন ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

দুর্গাপুজোর আগেই পুলিশের জন্য বড় উপহার! রেশন ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতাঃ দুর্গাপুজোর আগেই রাজ্য পুলিশের জন্য বড় সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অক্টোবর থেকেই পুলিশ কর্মীদের রেশন ভাতা ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হবে। এতদিন এই ভাতা বাবদ ১,৫০০ টাকা করে পেতেন কর্মীরা। অক্টোবর থেকে তা বেড়ে হবে ২ হাজার টাকা। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এটি রাজ্য পুলিশের জন্য তাঁর ‘দুর্গাপুজোর উপহার’।মঙ্গলবার ভবানী ভবনে কাটমানি ও সিন্ডিকেটরাজ রুখতে টোল-ফ্রি হেল্পলাইন চালুর অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি পুলিশ কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করেন। ঘোষণার সময় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী খালি হাতে ভবানী ভবনে আসবে, সেটা তো হতে পারে না। কিছু না কিছু তো দিতেই হবে। তাই দুর্গাপুজোর গিফট হিসেবে অক্টোবর থেকে পুলিশের রেশন ভাতা ₹৫০০ বাড়িয়ে দিলাম।” তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও পুলিশ কর্মীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়ে সরকার ইতিবাচকভাবে ভাববে। ট্রাফিক পুলিশদের জন্যও বিশেষ উদ্যোগের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সাম্প্রতিক টানা বর্ষায় শহরের রাস্তায় ভিজে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গিয়েছে বহু ট্রাফিক পুলিশকে। সেই প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, “ভাঙা ছাতা নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ডিউটি করতে দেখে আমার খুব খারাপ লেগেছে। এঁদের তো আমার জন্য জ্বর হবে, শরীর খারাপ হবে, ঘন ঘন ক্যালপল খেতে হবে।” এরপরই রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি এনকেডিএ এবং হিডকোকে নিজেদের তহবিল থেকে ট্রাফিক পুলিশদের জন্য উন্নত মানের ছাতা, রেনকোট এবং গামবুটের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও এই উদ্যোগে সম্মতি জানান।


'প্রশ্নফাঁস এখন নিয়ম', মোদী সরকারকে নিশানা তৃণমূল সাংসদের; চর্চায় বাংলার পুরনো বিতর্কও

'প্রশ্নফাঁস এখন নিয়ম', মোদী সরকারকে নিশানা তৃণমূল সাংসদের; চর্চায় বাংলার পুরনো বিতর্কও

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সংসদে কড়া বিল এনেছে কেন্দ্র। সেই বিলকে সমর্থন জানালেও সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, মোদী জমানায় প্রশ্নফাঁস আর নতুন কিছু নয়, বরং তা এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে অভিষেক বলেন, “বিজেপি নিজেই আগুন লাগিয়েছে, এখন সেই আগুন নিজেরাই নেভানোর চেষ্টা করছে।” তাঁর বক্তব্য, “সরকার এখন কড়া আইন আনছে ঠিকই, কিন্তু প্রশ্নফাঁসের জেরে লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার যে মানসিক ক্ষতি হয়েছে, ভেঙে গিয়েছে তাঁদের ভবিষ্যতের স্বপ্ন - তার দায় কে নেবে? প্রশ্নফাঁস হওয়ার আগেই কেন তা রোখা গেল না?” প্রশ্নফাঁস ইস্যু ছাড়াও নিট আন্দোলন ঘিরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপেরও সমালোচনা করেন তিনি। অভিষেকের দাবি, “সরকার এই সময়কে অমৃতকাল বলছে, কিন্তু বাস্তবে এটা উৎকণ্ঠার সময়। কোনও সরকারের সাফল্য শুধু প্রকল্পে নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কী দিচ্ছে, তার উপর নির্ভর করে।” অভিষেকের কথায়, “প্রশ্নফাঁস এখন আর দুর্ঘটনা নয়, এটা একটা প্যাটার্ন। ভবিষ্যতের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু অন্যায়ের ভিত্তির উপর ভবিষ্যৎ গড়া যায় না।” তাঁর দাবি, এই ইস্যুতে কেন্দ্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে এখনও কোনও উত্তর মেলেনি।উল্লেখ্য, তৃণমূল আমলে পশ্চিমবঙ্গে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক-সহ একাধিক পরীক্ষার প্রশ্ন পরীক্ষা চলাকালীন বা শুরু হওয়ার পরপরই প্রকাশ্যে আসার অভিযোগ উঠেছিল। যদিও সেই ঘটনাগুলির জেরে পরীক্ষা বাতিল হয়নি। তবু প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ নিয়ে তখনও বিতর্কের মুখে পড়েছিল রাজ্য সরকার। ফলে সংসদে অভিষেকের আক্রমণের পর প্রশ্ন উঠছে, প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিরোধীদের কাঠগড়ায় তোলার আগে নিজেদের অতীত নিয়েও কি আত্মসমালোচনা প্রয়োজন?


এক ফোনেই সোজা অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর টেবিলে! কাটমানি-সিন্ডিকেটরাজ উপড়ে ফেলতে চালু ৪ মেগা হেল্পলাইন

এক ফোনেই সোজা অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর টেবিলে! কাটমানি-সিন্ডিকেটরাজ উপড়ে ফেলতে চালু ৪ মেগা হেল্পলাইন

কলকাতা: রাজ্যে কাটমানি ও সিন্ডিকেটরাজ রুখতে এবার সরাসরি ময়দানে নেমে পড়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্নীতি ইস্যুতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রেখে সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য একটি বিশেষ রাজ্যভিত্তিক টোল-ফ্রি হেল্পলাইন পরিষেবার উদ্বোধন করেছেন তিনি। নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলার সাধারণ নাগরিকরা এক ফোন কলেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দপ্তরের কাছে নিজেদের অভিযোগ পৌঁছে দিতে পারবেন। ক্যাগ রিপোর্টে আগের আমলের দুর্নীতির নানা প্রসঙ্গ উঠে আসার আবহে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন ভবানী ভবন থেকে একই সঙ্গে পুলিশের বিশেষ চার-সংখ্যার চারটি পৃথক হেল্পলাইন নম্বরও আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে, যেখানে দিন বা রাতের যেকোনো সময়ে অপরাধ ও বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে নাগরিকরা নির্বিঘ্নে অভিযোগ জানাতে পারবেন।নতুন এই সরকারি পরিষেবা সম্পর্কে জানা গেছে যে, সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে কাটমানি চাওয়া হলে নাগরিকরা ১৫৫৩৩৪ নম্বরে ফোন করে লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ জানাতে পারবেন। একইভাবে বালি, পাথর ও সিমেন্টের সিন্ডিকেট সংক্রান্ত বেআইনি কারবারের খবর দিতে ১৫৫৩৩৩৫ নম্বরে এবং রাস্তায় বেআইনিভাবে গাড়ি থামিয়ে টোল বা ট্যাক্স আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে ১৫৫৩৩৩৭ নম্বরটি নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বেআইনি মদের কারবার রুখতে অভিযোগ জানানোর জন্য বিশেষ ১৫৫৩৩৩৯ নম্বরটি চালু করা হয়েছে। এই নম্বরগুলিতে আসা প্রতিটি ফোন সরাসরি প্রশাসনিক নজরে এনে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হবে বলে নবান্ন ও পুলিশ সূত্রে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের এই উদ্যোগের পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের আধুনিকীকরণ ও পরিকাঠামো উন্নয়নে একগুচ্ছ বড় ঘোষণার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার ও পুলিশের কর্মক্ষমতা বাড়াতে উত্তরপ্রদেশ মডেল অনুসরণ করে নতুন করে অন্তত এক লক্ষ পুলিশ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শুধু নতুন কর্মী নিয়োগই নয়, মহিলা পুলিশ কর্মীদের কর্মক্ষেত্র সহজ করতে তাঁদের সুবিধাজনক বাড়ির কাছাকাছি পোস্টিং দেওয়ার বিশেষ নীতিও নেওয়া হচ্ছে। পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তনের পাশাপাশি ঘুষ, তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজের ওপর হাত বাড়ালে যে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না, এই কড়া বার্তা দিয়ে রাজ্য প্রশাসনকে পুরোপুরি স্বচ্ছ করতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দৃঢ় সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেছেন।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


‘আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য চলবে না’, নিট আন্দোলনের প্রতিবাদে পথে এবিভিপি

‘আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য চলবে না’, নিট আন্দোলনের প্রতিবাদে পথে এবিভিপি

কলকাতাঃ নিট ইস্যুতে উত্তাল দেশ। দিল্লির যন্তরমন্তরে শুরু হওয়া আন্দোলনের আঁচ এসে পড়েছে বাংলাতেও। এবার দেশ জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় চলা আন্দোলনের প্রতিবাদে পথে নামল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)। দিল্লি এবং কলকাতায় আন্দোলনের নামে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা, পুলিশ ও সাংবাদিকদের উপর হামলা এবং দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার ধর্মতলার উদ্দেশ্যে মিছিল করল আরএসএসের ছাত্র সংগঠন। এবিভিপি-র দাবি, ছাত্রদের ন্যায্য দাবির আড়ালে কিছু রাজনৈতিক শক্তি পরিকল্পিতভাবে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। মঙ্গলবার সকাল থেকেই হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনে জড়ো হতে শুরু করেন এবিভিপি-র সদস্যরা। পরে দুই প্রান্ত থেকে দুটি পৃথক মিছিল ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। শিয়ালদহ থেকে বেরোনো মিছিলটি মৌলালি হয়ে এসএন ব্যানার্জি রোড ধরে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত যায়। এবিভিপি-র পাশাপাশি সঙ্ঘ পরিবারের একাধিক শিক্ষা ও ছাত্র সংগঠনের সদস্যরাও এই প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন। সংগঠনের অভিযোগ, গত ২০ জুলাই দিল্লিতে ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচির সময় যে ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তারই পুনরাবৃত্তি কলকাতার সাম্প্রতিক বিক্ষোভেও স্পষ্ট। এবিভিপি-র এক নেতা বলেন, “ছাত্রদের ন্যায্য দাবিকে সামনে রেখে আন্দোলন হলে তা অবশ্যই শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক হওয়া উচিত। কিন্তু কিছু বামপন্থী সংগঠন ছাত্রদের আবেগকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে সমাজে বিভাজন তৈরি এবং দেশবিরোধী মনোভাবকে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এর বিরুদ্ধে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।” উল্লেখ্য, সোমবার উত্তর কলকাতা জেলা বিজেপির উদ্যোগে শহরে ‘তিরঙ্গা যাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। শিয়ালদহ থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত হওয়া সেই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায়, অগ্নিমিত্রা পাল, সজল ঘোষ-সহ একাধিক নেতা। মঙ্গলবার এবিভিপি-র কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নিট আন্দোলনকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল।


সাধারণ মানুষের ওপর সেনার এলোপাথাড়ি গুলি! মৃত অন্তত ২০, পাকিস্তান সেনার বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভে ফুঁসছে জনতা

সাধারণ মানুষের ওপর সেনার এলোপাথাড়ি গুলি! মৃত অন্তত ২০, পাকিস্তান সেনার বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভে ফুঁসছে জনতা

ইসলামাবাদ: সরকারের চাপিয়ে দেওয়া একতরফা নির্বাচনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জমাট বাঁধা ক্ষোভ শেষ পর্যন্ত দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ল পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে (PoK)। তিন দফার সাধারণ নির্বাচনের প্রথম দফাতেই রণক্ষেত্রের রূপ নিল গোটা এলাকা। নির্বাচন ঘিরে ঘনীভূত ক্ষোভ দমন করতে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে পাকিস্তান পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনী এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করলে ঘটনাস্থলেই অন্তত ২০ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ, যাঁদের মধ্যে অনেকেরই অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। শুধুমাত্র পুলিশি বর্বরতাই নয়, গোটা নির্বাচনজুড়ে ব্যাপক কারচুপি ও রিগিংয়ের অভিযোগে পরস্পরের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেছে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি।গত সোমবার অধিকৃত কাশ্মীরে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হতেই একের পর এক এলাকা থেকে আসতে থাকে সংঘর্ষের খবর। রাওয়ালকোট ও কোটলির মতো সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে ব্যালট বাক্স জ্বালিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি গণ-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। গত ৫২ দিন ধরে স্থানীয় অধিকার রক্ষায় রাওয়ালকোটে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল ‘জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’ (JAAC)। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, তাদের সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ মিছিলে কোনো প্ররোচনা ছাড়াই অতর্কিতে বুলেটের বৃষ্টি শুরু করে পাক পুলিশ। সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একাধিক রোমহর্ষক ভিডিওতে দেখা গেছে, রাজপথে যত্রতত্র ছড়িয়ে রয়েছে নিথর দেহ। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, রাওয়ালকোট জুড়ে এখন শুধুই আতঙ্ক আর হাহাকার, প্রাণ বাঁচানোই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানকার মানুষের কাছে।রক্তক্ষয়ী এই হিংসার মাঝেই সামনে এসেছে ভোট ডাকাতি ও বুথ দখলের ভূরি ভূরি অভিযোগ। কোটলি জেলার নিকিয়ালে ভোটগ্রহণ চলাকালীন প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় ‘পাকিস্তান পিপলস পার্টি’র (পিপিপি) কর্মী মুখতার ইউনুসকে। এই ঘটনার পর পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি সরাসরি নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং সমস্ত হিংসার দায় চাপিয়েছেন ‘মুসলিম লিগ-নওয়াজ’ (পিএমএল-এন) দলের ঘাড়ে। অন্যদিকে, কারচুপির অভিযোগে এই নির্বাচন পুরোপুরি বয়কট করেছে ইমরান খানের দল ‘পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ’ (পিটিআই)। তারা জলঘোলা না করে সরাসরি পাক সেনার দিকে আঙুল তুলে জানিয়েছে, ভোটের নামে অধিকৃত কাশ্মীরে প্রহসন চালাচ্ছে রাওয়ালপিন্ডি।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


বড় স্বস্তি নাবালক ও নির্দোষদের! পুলিশের খাঁচায় থাকবে শুধু ‘দাগি’রা, কড়া নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

বড় স্বস্তি নাবালক ও নির্দোষদের! পুলিশের খাঁচায় থাকবে শুধু ‘দাগি’রা, কড়া নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে তোলপাড় ফেলা নিট বিক্ষোভ এবং আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তারি মামলায় ঐতিহাসিক ও বড়সড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, প্রতিবাদে অংশ নেওয়া যে সমস্ত আন্দোলনকারীদের বয়স ১৮ বছরের নিচে, অর্থাৎ যারা নাবালক, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। এর পাশাপাশি যেসব প্রতিবাদীদের অতীতে কোনো অপরাধের নজির নেই অর্থাৎ ‘স্বচ্ছ’ রেকর্ড রয়েছে, তাদেরও দ্রুত রেহাই দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শীর্ষ আদালত আরও কঠোরভাবে জানিয়েছে যে, আন্দোলনের জেরে পুলিশ যেসব এফআইআর দায়ের করেছিল, আপাতত সেগুলোর ভিত্তিতে প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো পদক্ষেপ করা যাবে না।গত ২০ জুন দিল্লিতে পড়াশোনার ভবিষ্যৎ বাঁচাতে পড়ুয়াদের সংসদ অভিযানে পুলিশি লাঠিচার্জ এবং দেশের একাধিক রাজ্যে আন্দোলনকারীদের গণ-গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। মঙ্গলবার সেই সবকটি মামলা একত্রিত করে শুনানির পর এই অন্তর্বর্তী রায় দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। নির্দেশের বাস্তবায়নে কেন্দ্র সরকারের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, বিহার, অসম, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ এবং দিল্লি সরকারকেও বিশেষ নোটিস পাঠিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তবে যাদের অতীতে অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে বা যারা ‘দাগি’, তাদের ক্ষেত্রে কোনো শিথিলতা দেখানো হয়নি। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট সতর্ক করে বলেন যে, গোটা ঘটনার স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন এবং যারা আইনের তোয়াক্কা না করে বাড়াবাড়ি করেছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।পাশাপাশি, কোনো প্রতিবাদীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করার কড়া বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনার যাবতীয় ভিডিও ফুটেজ সুরক্ষার স্বার্থে সংরক্ষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু রাজপথের এই লড়াই সামলানোই নয়, ভবিষ্যতে এ জাতীয় ছাত্র আন্দোলন মোকাবিলা করতে নতুন জাতীয় নীতি নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। বিহেড়ে নিট প্রতিবাদীদের লক্ষ্য করে পুলিশকর্মীর একে-৪৭ উঁচিয়ে নেওয়ার ঘটনার রেশ টেনে প্রধান বিচারপতি স্মরণ করিয়ে দেন যে, সুস্থ গণতান্ত্রিক কাঠামোয় প্রতিটি আন্দোলনই একটি অংশ। ফলে কাঁদানে গ্যাস বা কী ধরনের প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপের অনুমতি দেওয়া উচিত, তা এবার আইনি সীমানার মধ্যে পুনর্মূল্যায়ন করা জরুরি।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


দক্ষিণে স্বস্তির ইঙ্গিত, উত্তরে বাড়ছে বৃষ্টির ভ্রুকুটি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

দক্ষিণে স্বস্তির ইঙ্গিত, উত্তরে বাড়ছে বৃষ্টির ভ্রুকুটি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

এই রোদ, এই বৃষ্টি! গত কয়েকদিন আবহাওয়ার এমনই খামখেয়ালিপনার সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। তবে এবার অবিরাম বর্ষণের পর অবশেষে মিলতে চলেছে খানিকটা স্বস্তি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট ধীরে ধীরে কমবে। তবে বর্ষা এখনই পুরোপুরি বিদায় নিচ্ছে না। বরং নিম্নচাপের প্রভাবে এবার বৃষ্টির প্রবণতা বাড়বে উত্তরবঙ্গে। আর দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। বুধবার থেকে দক্ষিণের আবহাওয়ার আরও উন্নতি হতে পারে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদরা।হাওয়া দফতর জানিয়েছে, দিঘা ও হলদিয়ার মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে গভীর নিম্নচাপ ইতিমধ্যেই  স্থলভাগে প্রবেশ করছে। এরপর সেটি ওড়িশা হয়ে ছত্তিশগড়ের দিকে এগিয়ে ক্রমশ দুর্বল হবে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। মঙ্গলবারও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে আর বড় কোনও ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা নেই। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে ছবিটা একেবারে উল্টো। মঙ্গলবার থেকেই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও বাড়বে।এদিকে, নিম্নচাপের জেরে সমুদ্রও থাকবে উত্তাল। তাই মঙ্গলবার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কলকাতায় আজ মেঘলা আকাশ থাকার পাশপাশি দু-এক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও বুধবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে।


অমরনাথ দর্শন সেরে ফেরার পথে বড় দুর্ঘটনা! বাস উল্টে আহত ৩৯ তীর্থযাত্রী

অমরনাথ দর্শন সেরে ফেরার পথে বড় দুর্ঘটনা! বাস উল্টে আহত ৩৯ তীর্থযাত্রী

দুর্যোগের জেরে কিছুদিন বন্ধ ছিল অমরনাথ যাত্রা। তবে ফের যাত্রা শুরু হতেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন তীর্থযাত্রীরা। মঙ্গলবার জম্মু ও কাশ্মীরের গান্ডেরবাল জেলায় একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩৯ জন তীর্থযাত্রী। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সূত্রের খবর, দুর্ঘটনাটি ঘটেছে গান্ডেরবাল জেলার গুন্ড এলাকার হরিগনিওয়ান এস-মোড অঞ্চলে। অমরনাথ দর্শন সেরে ফেরার পথে একটি তীব্র বাঁক ঘোরার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এআর১১ ডি৫৬৫৫ নম্বরের বাসটি। তারপর রাস্তার ধারে একটি বাড়ির উপর গিয়ে পড়ে। ধাক্কায় বাড়ির একাংশ ভেঙে যায়। তবে অল্পের জন্য বাসটি গভীর খাদে পড়ে যায়নি, ফলে বড়সড় কোনও প্রাণহানি ঘটেনি। বাসটিতে মোট ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৩৯ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে উদ্ধারকাজে হাত লাগান। পরে পুলিশ, নিরাপত্তাবাহিনী ও প্রশাসনের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যায়। এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, দুর্ঘটনাস্থলের রাস্তা ইংরেজি 'L'-আকৃতির বাঁক নিয়ে গেছে। সেই বাঁক ঘোরার সময়ই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাড়ির উপর গিয়ে পড়ে। বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধারকাজে নামেন।  দুর্ঘটনার খবর পেয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে জানান, "গান্ডেরবালের ডেপুটি কমিশনার ও স্বাস্থ্যকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। বাবা বরফানির দর্শন সেরে ফেরা ৩৯ জন তীর্থযাত্রী আহত হয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা এসকেআইএমএস (SKIMS)-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।" এরপর তিনি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং তাঁদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।


এনডিএ-তে ‘গ্র্যান্ড ওয়েলকাম’! মোদী-শাহর পাশে প্রথম সারিতে কাকলি, দিল্লিতে বিরাট রদবদল

এনডিএ-তে ‘গ্র্যান্ড ওয়েলকাম’! মোদী-শাহর পাশে প্রথম সারিতে কাকলি, দিল্লিতে বিরাট রদবদল

নয়াদিল্লি: সবটা যেন হয়েও হচ্ছিল না, অবশেষে মঙ্গলবার সংসদে ‘মঙ্গল মিলন’ কর্মসূচির মাধ্যমে সেই বৃত্ত সম্পূর্ণ হল। শাসক শিবির এনডিএ-তে অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে ‘গ্র্যান্ড ওয়েলকাম’ জানানো হল তৃণমূলত্যাগী সাংসদদের গঠিত দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)-কে। অর্থাৎ অন্য কোনো দলে মিশে যাওয়া নয়, লোকসভার নতুন শক্তি হিসেবে এনডিএ-র শরিক পদমর্যাদা পেল এনসিপিআই। মঙ্গলবার এনডিএ-র এই হাইপ্রোফাইল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে একই প্রথম সারিতে বসে শীর্ষ নেতৃত্বের নজর কাড়েন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। পিছনের সারিতে আসন নেন শতাব্দীর রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, সায়নী ঘোষ ও শর্মিলা সরকারের মতো বিশিষ্ট সাংসদরা। এদিনের বৈঠকে নবগঠিত এই দলের নাম ধরে ধরে প্রতিটি সদস্যের আনুষ্ঠানিক পরিচয়পর্ব সারা হয় এবং পরে তাঁদের সকলের সঙ্গে আলাদা করে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলের চরম ভরাডুবির পর একে একে ২০ জন সাংসদ ঘাসফুল শিবির ছেড়ে নতুন দল এনসিপিআই গঠন করেন। বিরোধী আসন ছেড়ে এনডিএ-কে সমর্থন জানানোর লক্ষ্যেই যে তাঁদের এই রাজনৈতিক পদক্ষেপ, তা আগেই পরিষ্কার করেছিলেন এই সাংসদরা। সংসদের চলতি বাদল অধিবেশনে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের জন্য আলাদা বসার আসন বরাদ্দ করলেও, এতদিন এনডিএ-তে তাঁদের অন্তর্ভুক্তির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া বাকি ছিল। মঙ্গলবারের বিশেষ বৈঠকে তাঁদের এনডিএ-র ‘নতুন শরিক’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে জোট সমীকরণকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হল।বৈঠক শেষে দিল্লি দরবারের অভিজ্ঞতায় রীতিমতো আপ্লুত প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদরা। সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় স্পষ্ট জানান, এই বৈঠক ছিল অত্যন্ত সুসংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ, যার অভিজ্ঞতা তাঁদের আগে কখনো ছিল না। একটি বিশেষ ডিজিটাল প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে আসন্ন বিলসমূহ এবং তার জনকল্যাণমুখী দিকগুলো নতুন শরিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। শতাব্দী রায় আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজে এসে তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেছেন। মোদী-শাহর সান্নিধ্যে দিল্লির এই মেগা সমীকরণ আপাতত জাতীয় রাজনীতির অন্যতম প্রধান আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


৪৮ ঘণ্টার ক্ষোভের পর নরম কেন্দ্র! বিহার-অসমে মামলা প্রত্যাহার, এবার কী হবে বাংলায়?

৪৮ ঘণ্টার ক্ষোভের পর নরম কেন্দ্র! বিহার-অসমে মামলা প্রত্যাহার, এবার কী হবে বাংলায়?

সোমবার মধ্যরাতে কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে অংশ নেওয়া প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পরে ৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও তা করা হয়নি। উল্টে অনেককে প্রেপ্তারও করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। CJP-র হুঁশিয়ারির পরেই বিহার এবং তার পরেই বিজেপি শাসিত অসমও ধৃত নিট আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মামলাও প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার গভীর রাতে বৈঠকের পর এই তথ্য জানিয়েছেন ‘ককরোচ’ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস। তাঁর দাবি, “কেন্দ্র আশ্বাস দিয়েছে, শুধু বিহার বা অসম নয়, এনডিএ শাসিত সমস্ত রাজ্যেই ধাপে ধাপে একই ধরনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।” সোমবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে ‘ককরোচ’ মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, বিহার, বাংলা, দিল্লি-সহ একাধিক রাজ্যে বহু ছাত্রছাত্রীকে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিহার সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায়, নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি প্রত্যাহার করা হবে। এছাড়া আটক ব্যক্তিদেরও মুক্তি দেওয়া হবে। পরে গভীর রাতে একই ধরনের সিদ্ধান্তের কথা জানায় হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকার।  সৌরভ দাস জানান, “সাংবাদিক বৈঠকের পর প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হয়। সরকার আমাদের আশ্বাস দিয়েছে, আগামীকালের মধ্যেই সমস্ত রাজ্য থেকে প্রয়োজনীয় বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।” পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে সৌরভ দাস বলেন, তবে এই ঘোষণার মধ্যেই নতুন প্রশ্ন উঠেছে পশ্চিমবঙ্গকে ঘিরে। গত শুক্রবার কলকাতায় ‘ককরোচ’দের মিছিল ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। ডোরিনা ক্রসিংয়ে অবস্থান বিক্ষোভ চলাকালীন ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রের আশ্বাসের পর তাঁদের বিরুদ্ধেও কি মামলা প্রত্যাহার হবে? সেই দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।


মোদীর রেকর্ড ভাঙা ভিডিও হাওয়া ইনস্টাগ্রাম থেকে! কাঠগড়ায় মেটা, চূড়ান্ত তলব কেন্দ্রের

মোদীর রেকর্ড ভাঙা ভিডিও হাওয়া ইনস্টাগ্রাম থেকে! কাঠগড়ায় মেটা, চূড়ান্ত তলব কেন্দ্রের

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ইতিহাস গড়া একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যম থেকে হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র শোরগোল তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার মাঝরাতে সর্বভারতীয় পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা পোস্ট করেছিলেন মোদী। আপলোড করার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ইনস্টাগ্রামে সেই ভিডিওটির ভিউ ২৭১ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়, সেই সঙ্গে পড়ে দেড় কোটিরও বেশি লাইক এবং প্রায় ১৩ লক্ষ কমেন্ট। এই অভূতপূর্ব সাড়ার পরমুহূর্তেই এক লাফে প্রধানমন্ত্রীর ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যা ১০০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে ১০২ মিলিয়নে পৌঁছে যায়, যা তাঁকে বিশ্বমঞ্চে একমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ১০ কোটির বেশি অনুগামী থাকা নেতার মর্যাদাধন্য করে তোলে। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে আচমকাই দেখা যায়, ঝড় তোলা সেই ভিডিওটি আর ইনস্টাগ্রামে নেই, যা দেখে রীতিমতো তাজ্জব বনে যান গোটা দেশের নাগরিকরা।ঝড় তোলা এই ভিডিও মুছে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তড়িঘড়ি জলঘোলা শুরু হতেই সুর নরম করে ক্ষমা চেয়েছে সামাজিক মাধ্যম জায়ান্ট মেটা। সংস্থার তরফ থেকে সাফাই দিয়ে জানানো হয়েছে যে, এটি সম্পূর্ণ একটি অনিচ্ছাকৃত যান্ত্রিক ত্রুটি এবং ভুলবশতই কন্টেন্টটি প্ল্যাটফর্ম থেকে সরে গিয়েছিল। একটি সরকারি বিবৃতি জারি করে মেটা কর্তৃপক্ষ জানায়, ভুল টের পাওয়ার পর ইতিমধ্যেই মোদীর সেই ভিডিও ফের সসম্মানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় ফেলে দেওয়া এই ভুলের কারণ দর্শিয়ে মেটা ক্ষমা চাইলেও বিষয়টিকে হালকাভাবে নিতে নারাজ সাউথ ব্লক।বিদেশি সংস্থার এমন একতরফা ও বিতর্কিত পদক্ষেপে চরম ক্ষুব্ধ কেন্দ্র সরকার। ঘটনার পরই অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পদক্ষেপ করে কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রক, যার জেরে মেটা এবং ইনস্টাগ্রামের আন্তর্জাতিক শীর্ষ কর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে সমন পাঠিয়ে তলব করা হয়েছে। এদিকে এই সুযোগে সোশাল মিডিয়া জায়ান্টটির বিরুদ্ধে তোপ দেগে ময়দানে নেমে পড়েছে শাসকদল বিজেপি। পদ্ম শিবিরের স্পষ্ট প্রশ্ন, মোদীর মতো শীর্ষ বিশ্বনেতার কন্টেন্ট সরানোর দুঃসাহস এবং অধিকার একজন বিদেশি সংস্থাকে কে দিল? ভারতের নাগরিকরা সোশাল মিডিয়ায় ঠিক কী দেখবেন আর কী দেখবেন না, তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব কোনো বিদেশি কর্পোরেট সংস্থার হাতে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ