নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্ববাজারে অস্থিরতা! আর, তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভারতের জ্বালানি ভাণ্ডারে। এই সঙ্কট মোকাবিলায় দেশবাসীকে ‘সাশ্রয়ী’ হওয়ার ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে এবার দিল্লিতে কার্যত ‘জরুরি অবস্থা’র মতো কঠোর পদক্ষেপ করল রেখা গুপ্তার সরকার। রাজধানীতে ফিরল অতিমারিকালের ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ সংস্কৃতি!
[TECHTARANGA-POST:9130]
দিল্লি সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি অফিসে সপ্তাহে দু’দিন ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রাস্তায় যানবাহনের ভিড় কমিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করতেই এই বড় পদক্ষেপ। শুধু তাই নয়, সরকারের তরফে ‘আমার ভারত, আমার যোগদান’ নামে একটি বিশেষ অভিযানও শুরু করা হচ্ছে।
[TECHTARANGA-POST:9129]
জ্বালানি বাঁচাতে সাধারণ মানুষের কাছে উদাহরণ তৈরি করতে চান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। সরকারের নির্দেশ, সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন অর্থাৎ সোমবারকে পালন করতে হবে ‘মেট্রো দিবস’ হিসাবে। ওই দিন মন্ত্রী থেকে শুরু করে পদস্থ আধিকারিক ও সরকারি কর্মীরা নিজস্ব গাড়ি ছেড়ে মেট্রো রেলে যাতায়াত করবেন। এই বাড়তি কষ্টের জন্য কর্মীদের যাতায়াত ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার!
[TECHTARANGA-POST:9128]
আগামী ছয় মাস দিল্লিতে কোনও নতুন পেট্রল, ডিজেল বা বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনা যাবে না। একইসঙ্গে, আগামী একবছর মন্ত্রী ও আধিকারিকদের বিদেশ ভ্রমণেও জারি হয়েছে কড়া নিষেধাজ্ঞা। এমনকী, অফিসের এসি-র তাপমাত্রাও ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।
[TECHTARANGA-POST:9127]
দিল্লির পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকারও পথে নেমেছে। সেখানে সপ্তাহে অন্তত একদিন ‘নো ভেহিকেল ডে’ পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহণ ব্যবহার করতে।
[TECHTARANGA-POST:9125]
প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা ইতিমধ্যেই নিজের কনভয়ের বহর ৬০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছেন। শুক্রবার থেকেই এই নতুন নিয়ম দিল্লিতে কার্যকর হতে চলেছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এই ‘মডেল’ অন্য রাজ্যগুলিকেও পথ দেখাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
Leave a comment