•
Home পশ্চিমবঙ্গ Malda Drug Raid: মালদহের ‘মাদকগড়ে’ এসটিএফের বিরাট ধাক্কা! ৩ কোটির মাদক উদ্ধার, পিঠ চাপড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী!
পশ্চিমবঙ্গ

Malda Drug Raid: মালদহের ‘মাদকগড়ে’ এসটিএফের বিরাট ধাক্কা! ৩ কোটির মাদক উদ্ধার, পিঠ চাপড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী!

Share
উদ্ধার ৩ কোটির মাদক। ছবি-সংগৃহীত
Share

মালদহ: রাজ্যকে মাদকমুক্ত করার অঙ্গীকারের পথে ফের মিলল বড় সাফল্য। মাদক কারবারের নিরাপদ আস্তানা হিসেবে কুখ্যাত মালদহ জেলার কালিয়াচকে অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন কেজি নিষিদ্ধ মাদক মরফিন উদ্ধার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। আন্তর্জাতিক বাজারে যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। এই ঘটনায় আন্তঃরাজ্য পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত চার পাচারকারীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আর এই বড় সফলতার পরেই এসটিএফের পুরো টিমকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শনিবার গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে মালদহের কালিয়াচকের ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের মধুঘাট এলাকায় অতর্কিতে হানা দেয় এসটিএফের একটি বিশেষ দল। একটি সন্দেহজনক চারচাকা গাড়িতে করে এই বিপুল পরিমাণ মাদক পাচার করা হচ্ছিল বলে আগে থেকেই গোয়েন্দাদের কাছে খবর ছিল। সেই সূত্রেই গাড়িটিকে আটকে তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ হয় তদন্তকারীদের। গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার হয় মোট ২ কেজি ৬৮৮ গ্রাম উচ্চমানের মরফিন। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শাহিবার আলি, মাসুদ রহমান, হাসিবুর শেখ এবং মহম্মদ নাবিউল হক— এই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, ধৃত প্রত্যেকেই কালিয়াচক থানা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং তারা একটি সংঘবদ্ধ আন্তঃরাজ্য মাদক পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করত। ঠিক কোথা থেকে এই মরফিন সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং কোথায় তা পাচারের উদ্দেশ্য ছিল, সে বিষয়ে ধৃতদের দফায় দফায় জেরা করছেন তদন্তকারীরা। এই মাদক চক্রের সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, এই বড় অপারেশনের সাফল্যের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, “অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত এই অভিযানের সাফল্যের জন্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং এসটিএফের সমস্ত আধিকারিক ও কর্মীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।” মাদক কারবারিদের কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি আরও স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান সম্পূর্ণ আপসহীন এবং ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মেনেই অপরাধীদের দমন করা হবে। যুবসমাজকে সুরক্ষিত ও মাদকমুক্ত রাজ্য উপহার দিতে এই লড়াই অবিরাম চলবে বলে সাফ জানিয়েছেন তিনি।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *