•
Home দেশ দীপাবলির সকালেই মারাত্মক রূপ! বিষাক্ত ধোঁয়াশায় ঢেকে গেল দিল্লি, চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন রাজধানীবাসী
দেশ

দীপাবলির সকালেই মারাত্মক রূপ! বিষাক্ত ধোঁয়াশায় ঢেকে গেল দিল্লি, চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন রাজধানীবাসী

Share
দূষণের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে ধোঁয়াশাও। ফাইল ছবি
Share

দিল্লি: দীপাবলির রাতের আলোর রোশনাইয়ের আগেই কার্যত গ্যাসচেম্বারে পরিণত হয়েছে জাতীয় রাজধানী অঞ্চল। আশঙ্কাকে সত্যি করে উৎসবের সকালেই দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও বেশি ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (সিপিসিবি)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, রবিবার রাজধানীর মোট ৫৪টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে বাতাসের গুণগত মানের সূচক বা একিউআই ‘ভয়ানক’ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। কোথাও কোথাও সাধারণ মানুষের নিঃশ্বাস নিতেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

এদিন সকালে সিপিসিবি-র দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, দিল্লির অধিকাংশ অঞ্চলেই একিউআই ৪০০-র গণ্ডি পার করে গিয়েছে। এর মধ্যে পঞ্জাবী বাগে দূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে একিউআই ঠেকেছে ৪৫২-তে। পাশাপাশি, আরকে পুরমে ৪৯, আইআইটি দিল্লিতে ৪৪৬ এবং পশ্চিম দিল্লির দ্বারকায় একিউআই ৪৪৪-এ গিয়ে ঠেকেছে। শুধু তাই নয়, মথুরা রোড, সিরিফোর্ট, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, চাঁদনী চক, পুসা এবং বুড়ারী ক্রসিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলিতেও একিউআই ৪০০-র ওপরে অবস্থান করছে। নরেলা, আইটিও কিংবা মন্দির মার্গের মতো এলাকাগুলিতেও পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ ও মারাত্মক পর্যায়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন:সীমান্তরক্ষী ও পুলিশের সঙ্গে আলোকউৎসবের আনন্দে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

পরিস্থিতি এতটাই লাগামছাড়া হয়ে উঠেছে যে, ইতিমধ্যেই দিল্লিতে ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’ বা গ্র্যাপ-এর তৃতীয় পর্যায় বলবৎ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, একিউআই ৪০০-র বেশি হলেই এই কড়া পদক্ষেপ নিতে হয়। শুধু দিল্লি একা নয়, এর প্রভাব পড়েছে গোটা এনসিআর ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলিতেও। বিশেষজ্ঞদের মতে, সিপিসিবি-র মাপকাঠিতে জিরো থেকে ৫০ ভালো হলেও, বর্তমানে ৪০০-র ওপরে থাকা মানে তা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য চরম বিপজ্জনক। দীপাবলির রাতের উৎসবের উত্তাপ এবং বাজির ধোঁয়া এই পরিস্থিতিকে আরও কতটা মারাত্মক করে তোলে, এখন সেটাই ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *