•
Home Top-News সীমান্তরক্ষী ও পুলিশের সঙ্গে আলোকউৎসবের আনন্দে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
Top-Newsপশ্চিমবঙ্গ

সীমান্তরক্ষী ও পুলিশের সঙ্গে আলোকউৎসবের আনন্দে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

Share
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
Share

হিঙ্গলগঞ্জ: সুন্দরবনের প্রান্তিক সীমান্ত এলাকা হিঙ্গলগঞ্জে এ বার দীপাবলী ও কালীপুজোর আবহ একেবারেই অন্য মাত্রা পেতে চলেছে। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষপদে আসীন হওয়ার পর এই প্রথম কালীপুজো ও দেওয়ালির উৎসবে শামিল হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 

দেশের সুরক্ষায় অহোরাত্র প্রহরারত সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) জওয়ান এবং স্থানীয় পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতেই উত্তর ২৪ পরগনার এই সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পা রাখছেন তিনি। নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি উৎসবের আবহে সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের মনোবল বৃদ্ধিতে মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহল।

প্রশাসন সূত্রের খবর, সফরের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রীকে হেলিকপ্টারটি অবতরণ করবে হিঙ্গলগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের অস্থায়ী হেলিপ্যাডে। সেখান থেকে কড়া নিরাপত্তার বলয়ে তিনি সোজা চলে যাবেন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হিঙ্গলগঞ্জের ৭৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের বিএসএফ ক্যাম্পে। 

আরও পড়ুন : গণনার অতীত অনন্য রূপ, দেড় শতক পেরিয়েও শিবপুরের হাজার হাত কালীতলায় রহস্য

উৎসবের দিনে পরিবার-পরিজন ছেড়ে সীমান্ত পাহাড়ায় ব্যস্ত থাকা বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করাই তাঁর সফরের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য। ক্যাম্পে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী বিএসএফের পদস্থ আধিকারিক ও জওয়ানদের হাতে দীপাবলীর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গে এক বিশেষ সম্মেলনে মিলিত হবেন। 

সীমান্তে দেশের সুরক্ষায় জওয়ানদের আত্মত্যাগ ও নিরলস অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করবেন তিনি। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় এক বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

বিএসএফ ক্যাম্পের কর্মসূচি শেষ করে মুখ্যমন্ত্রী সফর করবেন হিঙ্গলগঞ্জ থানায়। সেখানে হিঙ্গলগঞ্জ থানা আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী কালীপুজোর আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করবেন শুভেন্দু অধিকারী। পুজো উদ্বোধনের পর থানার পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে দীপাবলীর শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন এবং তাঁদের মিষ্টিমুখ করাবেন। উৎসবের সময়েও যাঁরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মানুষের নিরাপত্তায় নিরলস দায়িত্ব পালন করছেন, সেই পুলিশ কর্মীদের কাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই উদ্যোগ।

এর পর হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মীদের সঙ্গেও এক অভ্যন্তরীণ সম্মেলনে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে সীমান্ত অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তার বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিএসএফ ও রাজ্য পুলিশের মধ্যে সমন্বয় আরও সুদৃঢ় করার বার্তাই এই যৌথ সফরের মূল লক্ষ্য বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

সব মিলিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই প্রথম কালীপুজো কেন্দ্রিক হিঙ্গলগঞ্জ সফরকে ঘিরে গোটা এলাকা জুড়ে চরম উৎসাহ- উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। কড়া প্রশাসনিক নজরদারির পাশাপাশি সাজো সাজো রব সীমান্তবর্তী হিঙ্গলগঞ্জে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *