25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ ভোটার তালিকায় ‘কারচুপি ও বঞ্চনার প্রতিবাদ’: ‘কমিশনের মৃত’ ভোটারদের নিয়ে দিল্লি অভিযানে মুখ্যমন্ত্রী
পশ্চিমবঙ্গ

ভোটার তালিকায় ‘কারচুপি ও বঞ্চনার প্রতিবাদ’: ‘কমিশনের মৃত’ ভোটারদের নিয়ে দিল্লি অভিযানে মুখ্যমন্ত্রী

Share
Share

কলকাতা: ‘বাংলার ভোটারতালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত এবং কেন্দ্রীয় বঞ্চনা’র প্রতিবাদে এবার সরাসরি দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর ‘নির্বাচন সদন’ অভিযানে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবাদমাধ্যমের হাতে আসা তথ্য অনুসারে, আগামিকাল – বুধবার (২৮ জানুয়ারি, ২০২৬) হুগলির সিঙ্গুরে একটি মেগা প্রশাসনিক সভা শেষ করেই তিনি দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন। এই সফরের সবচেয়ে বড় চমক হল — যাঁদের ভোটারতালিকায় ‘মৃত’ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সেই ‘জীবিত’ ভোটারদের একটি বড় অংশকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।

[TECHTARANGA-POST:6170]

তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ, এসআইআরের অছিলায় বিজেপির চাপে নির্বাচন কমিশন বাংলার যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অনৈতিক কাজ করছে। ইতিপূর্বে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন সভায় এমন অনেক মানুষকে জনসমক্ষে এনেছেন, যাঁদের নাম ভোটারতালিকায় ‘মৃত’ হিসাবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। এবার সেই ‘ভূত’ ভোটারদের সশরীরে কমিশনের সামনে হাজির করে দিল্লির দরবারে প্রতিবাদ জানাতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে, আগামিকাল সিঙ্গুরে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভাকে কেন্দ্র করে সাজো-সাজো রব হুগলি জেলায়। তথ্যাভিজ্ঞ মহলের মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটের নিরিখে (আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন, এসআইআর ইত্যাদি) এই সভাটি অন্য সব সভার চেয়ে আলাদা হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, বুধবারের এই সভা থেকে রাজ্য সরকারের নিজস্ব আবাসন প্রকল্প ‘আমার বাড়ি’-র অনুমোদন তুলে দেওয়া হবে লক্ষ লক্ষ উপভোক্তার হাতে। যার ভোটের আগে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এই কর্মসূচি সর্বাত্মক করতে সিঙ্গুরে যখন মমতার মূল সভা চলবে, ঠিক সেই সময়েই হুগলি জেলার প্রতিটি ব্লক সদর এবং প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে ছোট ছোট সভার আয়োজন করা হয়েছে। জেলাজুড়ে প্রায় শতাধিক এই সভাগুলিতে উপভোক্তারা সমবেত হবেন এবং সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা শুনবেন। প্রশাসনিক মহলের মতে, একটি সভাকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে এমন অসংখ্য ছোট সভার পরিকল্পনা কার্যত বেনজির।

[TECHTARANGA-POST:6140]

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুবিধা মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া এবং অন্যদিকে ভোটারতালিকা নিয়ে সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ জানানো — এই দুই কৌশল নিয়ে ২০২৬-এর আগে কার্যত আন্দোলনের সুর বেঁধে দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখান দেখার, সিঙ্গুর থেকে শুরু হওয়া এই ‘ভোট রক্ষার লড়াই’ দিল্লির রাজপথে কতটা প্রভাব ফেলে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *