25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ আদালতের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে ফের ‘ট্রাবল মেকার’ তালিকা! কমিশনের বিরুদ্ধে আবারও হাইকোর্টে তৃণমূল
পশ্চিমবঙ্গ

আদালতের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে ফের ‘ট্রাবল মেকার’ তালিকা! কমিশনের বিরুদ্ধে আবারও হাইকোর্টে তৃণমূল

Share
আদালতের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে ফের ‘ট্রাবল মেকার’ তালিকা! কমিশনের বিরুদ্ধে আবারও হাইকোর্টে তৃণমূল
সংগৃহীত
Share

কলকাতা: নির্বাচন কমিশনের তৈরি করা ‘সমস্যা সৃষ্টিকারী’ বা ‘ট্রাবল মেকার’ তালিকা নিয়ে ফের সংঘাত গড়াল আদালত পর্যন্ত। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন আবারও পরিমার্জন করে এই তালিকা প্রকাশ করে প্রায় ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিল কমিশন, এই প্রশ্ন তুলেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার এই ইস্যুতে দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছেন তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে। আজই এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, শেষ দফার ভোটের আগে রাজ্যের ১৪২টি বিধানসভাকেন্দ্রে অশান্তি রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশ ছিল, সম্ভাব্য গোলমালকারী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে হবে। পরিসংখ্যান বলছে, দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনের দু’দিন আগে পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে মোট ১,৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে সবথেকে বেশি গ্রেফতারি হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায় (৪৭৯ জন)। এছাড়া, উত্তর ২৪ পরগনায় ৩১৯ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৪৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শাসকদলের অভিযোগ, প্রথম দফার ভোটের আগেই হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, কেবল ‘ট্রাবল মেকার’ তকমা দিয়ে ঢালাও গ্রেফতারি করা যাবে না। যদি কাউকে সতর্কতামূলকভাবে আটকের প্রয়োজন হয়, তবে তা করতে হবে নির্দিষ্ট আইনি বিধি মেনে। হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল, সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ কমিশনকে সীমাহীন ক্ষমতা দেয় না; প্রচলিত আইনের গণ্ডীর মধ্যেই তাদের কাজ করতে হবে। আদালতের সেই স্থগিতাদেশ বহাল থাকা সত্ত্বেও কেন নতুন করে ৩৫০ জনের তালিকা তৈরি করে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হল, তা নিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তৃণমূল শিবির।

এর আগে প্রায় ৮০০ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হতে পারে— এই আশঙ্কা প্রকাশ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেবার আদালত জানিয়েছিল, কোনও নাগরিকের স্বাধীনতা কেবল আইনি পথেই ক্ষুণ্ণ করা সম্ভব। শুধুমাত্র ‘সম্ভাব্য গোলমালকারী’ হিসাবে দাগিয়ে দিয়ে পাইকারি হারে গ্রেফতারি করা প্রাথমিকভাবে ভুল পদক্ষেপ। আদালতের সেই পুরোনো নির্দেশ হাতিয়ার করেই ফের কমিশনের ‘সক্রিয়তা’র বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নামল ঘাসফুল শিবির।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *