25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ পাশ ফেলের মার্কশিট তৈরি করবে এজেন্সি! হাজিরা ও কাজের নিরিখে বিধানসভায় এবার মিলবে ‘সেরা বিধায়ক’ সম্মান, বিরাট ঘোষণা স্পিকারের
পশ্চিমবঙ্গ

পাশ ফেলের মার্কশিট তৈরি করবে এজেন্সি! হাজিরা ও কাজের নিরিখে বিধানসভায় এবার মিলবে ‘সেরা বিধায়ক’ সম্মান, বিরাট ঘোষণা স্পিকারের

Share
Share

কলকাতা: শুধুমাত্র তর্ক-বিতর্ক বা অধিবেশন পরিচালনাই নয়, এবার খোদ বিধানসভাতেই বসতে চলেছে বিধায়কদের কাজের পারফরম্যান্স এবং হাজিরার কড়া পরীক্ষাসভা! আর সেই পরীক্ষায় যিনি লেটার মার্কস পেয়ে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নেবেন, তাঁকেই পুরস্কৃত করবে রাজ্য বিধানসভা। 

[TECHTARANGA-POST:11202]

হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। আগামী পাঁচ বছর ধরে প্রতি বছর একজন করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে ‘সেরা বিধায়ক’ সম্মানে ভূষিত করা হবে। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এমনই এক বেনজির ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোস। আর সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, বিধায়কদের এই যাবতীয় কাজের মূল্যায়ন ও রিপোর্ট তৈরির দায়িত্ব কোনও রাজনৈতিক কমিটির বদলে সরাসরি তুলে দেওয়া হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট পেশাদার এজেন্সির হাতে।

[TECHTARANGA-POST:11190]

বিধানসভা সূত্রে খবর, এই ‘সেরা বিধায়ক’ নির্বাচনের গোটা প্রক্রিয়াটি হবে অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং পেশাদারি। এলাকার উন্নয়ন, জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট বিধায়কের পারফরম্যান্স এবং সর্বোপরি বিধানসভার অধিবেশনে তাঁদের উপস্থিতি— মূলত এই বিষয়গুলিকেই মাপকাঠি হিসেবে ধরা হবে। একটি বহিরাগত এজেন্সি বিধায়কদের এই সামগ্রিক কর্মকাণ্ড সারা বছর ধরে নিখুঁতভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং তার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত মূল্যায়নের রিপোর্ট পেশ করবে। সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই আগামী ৫ বছরের মেয়াদে প্রতি বছর একজন করে সেরার হাতে উঠবে এই বিশেষ পুরস্কার।

রক্ষাকবচে স্থগিত স্বস্তি! শুভেন্দুর নাম ঘিরে আদালতে বিস্ফোরক মুহূর্ত, নজরে অভিষেক

উল্লেখ্য, এবারের বিধানসভায় এমন ১৮১ জন সদস্য রয়েছেন, যাঁরা প্রথমবারের জন্য বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এদিন এই নবীন বিধায়কদের তাঁদের গুরুদায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে একটি বিশেষ পরামর্শও দেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোস। তিনি জানান, নিজের এলাকা এবং সামগ্রিক রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে কীভাবে বিধানসভার মঞ্চকে সঠিক ও কার্যকর উপায়ে ব্যবহার করা যায়, তা শাসক ও বিরোধী উভয় শিবিরের অভিজ্ঞ প্রবীণ বিধায়কদের কাছ থেকেই নবীনদের শিখে নিতে হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভায় এহেন মূল্যায়ন ও পুরস্কার চালুর সিদ্ধান্ত আক্ষরিক অর্থেই নজিরবিহীন। এর ফলে প্রথমবার নির্বাচিত হওয়া বিধায়কদের পাশাপাশি প্রবীণদের মধ্যেও বিধানসভার প্রশাসনিক ও গঠনমূলক কাজে আরও বেশি করে সক্রিয় হওয়ার তাগিদ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *