Hidden Stories (বাংলা)

আর্কাইভ দেখুন

 ভাইস চিফ থেকে আর্মি চিফ, চার দশকের অভিজ্ঞতায় সেনার নতুন দায়িত্বে ধীরজ শেঠ

ভাইস চিফ থেকে আর্মি চিফ, চার দশকের অভিজ্ঞতায় সেনার নতুন দায়িত্বে ধীরজ শেঠ

ভারতীয় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন আনল কেন্দ্র সরকার। বর্তমান ভাইস চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরজ শেঠকে দেশের পরবর্তী সেনাপ্রধান (Chief of Army Staff) হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। আগামী ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তিনি। বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর অবসরের পরই সেনার সর্বোচ্চ পদে বসবেন ধীরজ শেঠ।জাতীয় প্রতিরক্ষা অ্যাকাডেমি (NDA)-র প্রাক্তনী ধীরজ শেঠ ১৯৮৬ সালে আর্মর্ড কোরে কমিশনপ্রাপ্ত হন। প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল, কৌশলগত এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলেছেন। সম্প্রতি তিনি ভাইস চিফ অফ আর্মি স্টাফের দায়িত্বও পালন করছিলেন।প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্বের দক্ষতার ভিত্তিতেই তাঁকে সেনাবাহিনীর শীর্ষপদের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। সামরিক আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।ভারতীয় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে এই পরিবর্তন এমন এক সময়ে এল, যখন বাহিনীতে দ্রুত আধুনিকীকরণের কাজ চলছে। ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নত যুদ্ধপ্রযুক্তি, সীমান্ত সুরক্ষা এবং আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর এখন বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরজ শেঠের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে প্রযুক্তিনির্ভর ও আরও শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তোলা। মরু অঞ্চল থেকে জম্মু-কাশ্মীর— বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ভারতীয় সেনার ভবিষ্যৎ পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে প্রতিরক্ষা মহল।


দপ্তরের দরজায় নয়, এবার এক ফোনেই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস সরকারের

দপ্তরের দরজায় নয়, এবার এক ফোনেই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস সরকারের

সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে নতুন ডিজিটাল উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। ‘আপনার সরকার আপনার পাশে’ কর্মসূচির আওতায় এবার চালু হলো একটি বিশেষ অনলাইন পোর্টাল, যার মাধ্যমে নাগরিকরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের কাছে নিজেদের সমস্যা ও অভিযোগ তুলে ধরতে পারবেন।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন এই ব্যবস্থায় বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প, সামাজিক সুরক্ষা ভাতা, জনপরিষেবা কিংবা প্রশাসনিক জটিলতা সংক্রান্ত অভিযোগ অনলাইনে জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে। আবেদনকারীরা নিজেদের পরিচয় ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করলেই অভিযোগ নথিভুক্ত করতে পারবেন।শুধু অভিযোগই নয়, প্রয়োজনীয় নথিপত্রও আপলোড করার সুযোগ রাখা হয়েছে এই পোর্টালে। অভিযোগ জমা হওয়ার পর তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে এবং দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পদক্ষেপ করা হবে বলে প্রশাসনের দাবি। রাজ্য সরকারের মতে, এই উদ্যোগের ফলে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ আরও সহজ হবে। একইসঙ্গে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানেও গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।এর আগে অভিযোগ জানানোর জন্য হেল্পলাইন ব্যবস্থা চালু থাকলেও, এবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যুক্ত হওয়ায় নাগরিকদের জন্য পরিষেবাটি আরও সহজ ও সুবিধাজনক হয়ে উঠবে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল। নতুন এই পোর্টাল বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর।


 বিদ্রোহী শিবিরে নাম জড়াতেই তোপ তৃণমূল নেতার, বাড়ল রাজনৈতিক জল্পনা

বিদ্রোহী শিবিরে নাম জড়াতেই তোপ তৃণমূল নেতার, বাড়ল রাজনৈতিক জল্পনা

তৃণমূলের অন্দরে চলা রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এবার প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে কয়েকজন তৃণমূল সাংসদের উপস্থিতির খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সেই আবহেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে কড়া মন্তব্য করেছেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। বিদ্রোহী সাংসদদের শিবিরে সুদীপের নাম জড়ানো নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি ‘বাই ওয়ান, গেট ওয়ান ফ্রি’ মন্তব্য করেছেন। কুণালের দাবি, দলের প্রতি আনুগত্য এবং রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এখন অনেকের ভূমিকাই প্রশ্নের মুখে। তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষায় বলেন, যাঁরা দীর্ঘদিন দলের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন, তাঁদের একাংশ এখন ভিন্ন রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এই প্রসঙ্গে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তিনি।বিশ্বকাপের দামামা ! শাকিরার নাচ, বার্না বয়ের গানে কাঁপল মেক্সিকো !দিল্লির বৈঠককে ঘিরে ইতিমধ্যেই জল্পনা তৈরি হয়েছে যে, তৃণমূলের একাংশ সাংসদ আলাদা রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়ার কথা ভাবছেন। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তবুও বিদ্রোহী শিবিরের সম্ভাব্য নেতৃত্বে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ঘুরে বেড়ানোয় রাজনৈতিক চর্চা আরও তীব্র হয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের অন্দরে অতীতের একাধিক সিদ্ধান্ত এবং সাংগঠনিক সমীকরণ নিয়েও সরব হয়েছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, দলের জন্য কঠিন সময়ে কারা পাশে ছিলেন আর কারা ছিলেন না, সেই হিসাব এখন সামনে আসছে।


‘ভিডিয়োয় যাঁদের দেখা গিয়েছে, কাউকেই ছাড়া হবে না’, কড়া বার্তা তৃণমূল সাংসদের

‘ভিডিয়োয় যাঁদের দেখা গিয়েছে, কাউকেই ছাড়া হবে না’, কড়া বার্তা তৃণমূল সাংসদের

কৃষ্ণনগরে বিজেপির মহিলা মোর্চার বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত। মহুয়া মৈত্রকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার জন্য জমায়েত করেছিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চার কর্মীরা।  সেই ঘটনার জেরে এবার আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। জানা গিয়েছে, কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে মহুয়ার একটি মামলার শুনানি ছিল। সেই সময় আদালত চত্বরে বিজেপির মহিলা মোর্চার কয়েকজন কর্মী জমায়েত হন। পরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিও ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। ওই ভিডিওগুলিতে বিক্ষোভকারীদের একাংশকে সাংসদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়।সই-জালিয়াতি তদন্তে এবার মুখোমুখি অভিষেক-কুণাল?ঘটনার পর একটি ভিডিও বার্তায় মহুয়া মৈত্র জানান, প্রকাশ্যে আসা ফুটেজে যাঁদের মুখ স্পষ্টভাবে দেখা গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছেন তিনি। তাঁর দাবি, অভিযোগ গ্রহণে কোনও গাফিলতি হলে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতেও তিনি পিছপা হবেন না।অন্যদিকে, এই ইস্যুতে বিজেপির তরফেও পাল্টা প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে। ফলে ঘটনাটি রাজনৈতিক তরজার নতুন খোরাক হয়ে উঠেছে। আদালত চত্বরকে ঘিরে শুরু হওয়া এই বিতর্ক এখন আইনি লড়াইয়ের দিকেও গড়াতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।


 ত্রাণ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ অভিষেকের বিরুদ্ধে, আদালতের দ্বারস্থ বিজেপি নেতা

ত্রাণ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ অভিষেকের বিরুদ্ধে, আদালতের দ্বারস্থ বিজেপি নেতা

আমফান ঘূর্ণিঝড়ের ত্রাণ বণ্টনকে কেন্দ্র করে ফের বিতর্কের মুখে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববি তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, আমফান পরবর্তী ত্রাণ বণ্টনে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে।অভিযোগকারীর দাবি, ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আমফানের পর ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য ডিরেক্ট ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। নতুন বাড়ি নির্মাণের জন্য ২০ হাজার টাকা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি মেরামতের জন্য ৫ হাজার টাকা করে বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই ত্রাণ বণ্টন প্রক্রিয়াতেই ব্যাপক অনিয়ম এবং আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের একাংশ সরকারি সাহায্য থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, আবার অনেক ক্ষেত্রে ত্রাণের অর্থ বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।বিক্ষুব্ধ সাংসদদের মুখ হিসেবে উঠে আসছে কি নতুন নাম?উল্লেখ্য, অভিজিৎ দাস দীর্ঘদিন ধরেই ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। অতীতেও বিভিন্ন ইস্যুতে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে আইনি ও রাজনৈতিক লড়াইয়ে সরব হয়েছেন। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। তবে নতুন এই মামলা ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করেছে। 


 পাহাড় থেকে সমুদ্র! পর্যটনের নতুন দিগন্ত খুলে দিতে বড় পরিকল্পনা পর্যটনমন্ত্রীর

পাহাড় থেকে সমুদ্র! পর্যটনের নতুন দিগন্ত খুলে দিতে বড় পরিকল্পনা পর্যটনমন্ত্রীর

পশ্চিমবঙ্গকে আন্তর্জাতিক পর্যটনের মানচিত্রে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এগোতে চান রাজ্যের নতুন পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। তাঁর মতে, একদিকে হিমালয়, অন্যদিকে সমুদ্র উপকূল - এই অনন্য ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বাংলাকে পর্যটনের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দিয়েছে। আর সেই সম্ভাবনাকেই কাজে লাগিয়ে পর্যটনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলতে চায় রাজ্য সরকার।এক সাক্ষাৎকারে শঙ্কর ঘোষ জানান, পর্যটনের উন্নয়ন কোনও একক ব্যক্তির কাজ নয়। সরকার, পর্যটন শিল্প, ব্যবসায়ী মহল এবং স্থানীয় মানুষ - সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার পাশাপাশি নতুন গন্তব্যগুলিকেও সামনে আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাহাড়, বন, চা-বাগান এবং অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমকে কেন্দ্র করে নতুন উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। পর্যটনের প্রসার ঘটলে শুধু রাজস্বই বাড়বে না, স্থানীয় স্তরে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে বলে মনে করছেন তিনি।শঙ্কর ঘোষের কথায়, ‘পর্যটন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনা যেটা ছিল এবং প্রধানমন্ত্রী যে কথা বলেছেন, যে ভারতবর্ষ যে সমস্ত ক্ষেত্রে তার শক্তি বিশ্বের কাছে তুলে ধরবে এই সময়কালে, তার মধ্যে পর্যটন। স্বাভাবিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের যে ভূ-প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, তাকে বিশ্বের মানচিত্রে তুলে ধরা।’  পর্যটন মহলের একাংশও নতুন মন্ত্রীর উপর ভরসা রাখছে। তাঁদের আশা, পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন নীতি প্রণয়ন এবং আন্তর্জাতিক প্রচারের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন শিল্প নতুন গতি পাবে। এখন দেখার, শঙ্কর ঘোষের নেতৃত্বে পর্যটন দফতরের এই নতুন ভাবনা কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয় এবং তা রাজ্যের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


 পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নতুন আইনি লড়াই, আদালতের দ্বারস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নতুন আইনি লড়াই, আদালতের দ্বারস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী

সোমবার ১৫ জুন মামলার শুনানি। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুজিত বসু এবার জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। একইসঙ্গে ইডির গ্রেফতারির বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করেছেন তিনি। এই আবেদন ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি মহলে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা।জানা গিয়েছে, পুরসভায় নিয়োগে অনিয়ম সংক্রান্ত মামলায় গত মাসে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেন এবং অনিয়মের সঙ্গে তাঁর যোগ রয়েছে। যদিও শুরু থেকেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন সুজিত বসু।হেয়ার স্ট্রিট থানায় মমতার বিরুদ্ধে এফআইআরএর আগে তাঁর গ্রেফতারি চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে আবেদন জানানো হলেও জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আর্জি খারিজ হয়েছিল। এবার জামিনের আবেদন এবং গ্রেফতারি নিয়ে নতুন করে আইনি লড়াই শুরু করলেন তিনি। বর্তমানে তিনি বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। আদালতে ইডির দাবি, তদন্ত এখনও চলছে এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে সুজিত বসুর আইনজীবীদের বক্তব্য, তাঁকে বেআইনিভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং দীর্ঘদিন হেফাজতে রাখার কোনও যৌক্তিকতা নেই।এখন নজর কলকাতা হাই কোর্টের সিদ্ধান্তের দিকে। আদালত জামিন মঞ্জুর করে কি না, অথবা গ্রেফতারি নিয়ে কী পর্যবেক্ষণ দেয়, সেটাই রাজনৈতিক মহল ও তদন্তকারী সংস্থার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


 হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বিস্ফোরক বার্তা, দলের অন্দরে সায়নীকে নিয়ে বাড়ছে অস্বস্তি

হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বিস্ফোরক বার্তা, দলের অন্দরে সায়নীকে নিয়ে বাড়ছে অস্বস্তি

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ফের প্রকাশ্যে এল মতবিরোধের ছবি। এবার বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে যুব তৃণমূল সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। দলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তাঁর পদত্যাগের দাবি তুলে সরব হয়েছেন যুব সংগঠনের একাংশ নেতা-কর্মী। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা।সূত্রের খবর, সম্প্রতি দলের অভ্যন্তরীণ কিছু বিষয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে একাধিক যুব নেতা গ্রুপে বার্তা দেন। সেখানে সায়নী ঘোষের নেতৃত্ব এবং সাংগঠনিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। দলের অন্দরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন সায়নীকে ঘিরেই। যুব তৃণমূলের একাংশ নেতা-কর্মীর দাবি, একই পরিস্থিতিতে দলের অন্য নেতারা যখন পদ ছেড়েছেন বা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন, তখন সায়নী কেন এখনও যুব সভাপতির পদে বহাল রয়েছেন? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সংগঠনের অন্দরে।হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কয়েকজন নেতা-কর্মী। তাঁদের বক্তব্য, যদি সত্যিই দলের অবস্থানের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সংগঠনের সর্বোচ্চ পদে থেকে তা গ্রহণযোগ্য নয়। সেই কারণেই সায়নীর পদত্যাগের দাবিও উঠেছে বলে জানা যাচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিচুতলার কর্মীদের একাংশের মধ্যে বিভ্রান্তি এবং অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলেও রাজনৈতিক মহলের ধারণা। অনেকের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হলে সায়নী ঘোষের তরফে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন। অন্যথায় বিতর্ক আরও বাড়তে পারে।এখন নজর সায়নী ঘোষের পরবর্তী অবস্থানের দিকে। তিনি এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খোলেন কি না, এবং দলীয় নেতৃত্ব বিষয়টি কীভাবে সামাল দেয়, সেটাই দেখার। তবে যুব তৃণমূলের অন্দরে তৈরি হওয়া এই অসন্তোষ যে নতুন করে দলীয় অস্বস্তি বাড়িয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।


 বিদ্রোহী শিবিরের নতুন ভরসা সুদীপ? তৃণমূলে বাড়ছে জল্পনা

বিদ্রোহী শিবিরের নতুন ভরসা সুদীপ? তৃণমূলে বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের টানাপোড়েন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এবার সেই জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, দলের বিদ্রোহী শিবিরের একাংশ তাঁকে সামনে রেখে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংগঠিত করার ভাবনা চিন্তা করছে।সই-জালিয়াতি তদন্তে এবার মুখোমুখি অভিষেক-কুণাল?দলীয় সূত্রে দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ এবং সাংসদদের একাংশের অসন্তোষের আবহে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং দলের পুরনো মুখ হিসেবে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা এখনও যথেষ্ট বলেই মনে করছেন অনেকেই। সেই কারণেই সম্ভাব্য নেতৃত্বের প্রশ্নে তাঁর নাম উঠে আসছে।দিল্লিতে পৌঁছেই তৃণমূল সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান বলে সূত্রের খবর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ও। এরপর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। লোকসভায় তৃণমূলের অন্যতম প্রবীণ মুখ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন তিনি দলের লোকসভা দলনেতার দায়িত্ব সামলেছেন। পরে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই সময় রাজনৈতিক মহলের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছিল, এতে কি সুদীপের সঙ্গে দলের দূরত্ব বাড়বে? যদিও প্রকাশ্যে কখনও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি তিনি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যদি সত্যিই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে কোনও নতুন সাংগঠনিক সমীকরণ তৈরি হয়, তাহলে তা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। তবে আপাতত সবটাই জল্পনার পর্যায়ে। 


‘ভুল স্বীকার করলে সব মাফ’, মমতার নেতৃত্বে ঐক্যের বার্তা প্রবীণ তৃণমূল সাংসদের

‘ভুল স্বীকার করলে সব মাফ’, মমতার নেতৃত্বে ঐক্যের বার্তা প্রবীণ তৃণমূল সাংসদের

তৃণমূলের অন্দরে সাম্প্রতিক বিতর্ক ও মতপার্থক্যের আবহের মধ্যেই দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নিজের আনুগত্য স্পষ্ট করলেন প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে তিনি বার্তা দিয়েছেন, ব্যক্তিগত মতভেদ থাকলেও দলের মূল লড়াই বিজেপি নেতৃত্বাধীন NDA-এর বিরুদ্ধেই হওয়া উচিত।এক সাক্ষাৎকারে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই থাকবেন। তাঁর মতে, দলীয় বিরোধ বা অভ্যন্তরীণ মতানৈক্যকে গুরুত্ব না দিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন।কয়েকদিন আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন কল্যাণ। তবে এবার তাঁর বক্তব্যে মিলল অনেকটাই নরম সুর। তিনি জানান, অভিষেককে ছোটবেলা থেকেই বড় হতে দেখেছেন এবং তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগত কোনও বিরোধ নেই। এমনকি অভিষেককে সন্তানের মতো বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কল্যাণের কথায়, ভুল বোঝাবুঝি বা মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু কেউ নিজের ভুল বুঝতে পারলে তা ক্ষমা করে এগিয়ে যাওয়াই উচিত।উল্লেখ্য, কল্যাণের মন্তব্যের জবাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও সংযত প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “কল্যাণ ব্যানার্জির অধিকার আছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। আমাকে উনি ছোট থেকে বড় করেছেন। আমার ক্ষোভ নেই। উনি আমাকে এই সব কথা বলতে পারেন। দলে যে সব শীর্ষ নেতারা আমাকে নিয়ে কথা বললেন, তারা বলতে পারেন দলের মধ্যে।”  অভিষেকের এই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছিল, তৃণমূলের দুই নেতার মধ্যে বরফ কি গলতে শুরু করেছে? কল্যাণের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই জল্পনাকেই আরও উসকে দিল।


একই দিনে সিআইডির তলব অভিষেক-কুণাল-কে, তুঙ্গে রাজনৈতিক চর্চা

একই দিনে সিআইডির তলব অভিষেক-কুণাল-কে, তুঙ্গে রাজনৈতিক চর্চা

সই-জালিয়াতি মামলার তদন্তে নতুন মোড়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষকে একই দিনে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে সিআইডি। রবিবার তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে তদন্তকারী মহলের একাংশের অনুমান।সূত্রের খবর, বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের জন্য বিধানসভায় জমা পড়া একটি প্রস্তাবপত্রে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষর নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্ত করছে সিআইডি। সেই মামলাতেই বৃহস্পতিবার টানা পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর ফের তাঁকে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে।মেসি-কাণ্ডে তদন্ত জোরদারঅন্যদিকে, কুণাল ঘোষকেও একই মামলায় রবিবার হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে এবং বয়ানে কোনও অসঙ্গতি রয়েছে কি না তা যাচাই করতেই আরও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক ও কুণালকে মুখোমুখি বসিয়ে প্রশ্নোত্তর পর্ব হতে পারে বলেই জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।যদিও সিআইডির তরফে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে একই দিনে দুই গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতাকে তলব ঘিরে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তুঙ্গে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।


আকাশ ছুঁয়ে মাটিতে বিপর্যয়! জোরহাটে বায়ুসেনার বিমানে দুর্ঘটনা, শুরু তদন্ত

আকাশ ছুঁয়ে মাটিতে বিপর্যয়! জোরহাটে বায়ুসেনার বিমানে দুর্ঘটনা, শুরু তদন্ত

অসমের জোরহাট এয়ারবেসে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি পরিবহণ বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অবতরণের সময় বা অবতরণের পরই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বায়ুসেনা ও প্রশাসনের মধ্যে তৎপরতা শুরু হয়েছে।ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, জোরহাট এয়ার ফোর্স স্টেশনে একটি এএন-৩২ পরিবহণ বিমান দুর্ঘটনার মুখে পড়েছে। দুর্ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। বিমানটিতে কতজন ছিলেন বা কেউ আহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।ঘটনার পরই উদ্ধার ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বায়ুসেনার পক্ষ থেকে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রযুক্তিগত ত্রুটি, অবতরণের সময় কোনও সমস্যা নাকি অন্য কোনও কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বায়ুসেনা ঘাঁটি জোরহাট। ফলে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে প্রতিরক্ষা মহলে। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ছবি মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে।


ডিজে’ মন্তব্য ঘিরে অভিযোগ, ফের তদন্তের মুখে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ

ডিজে’ মন্তব্য ঘিরে অভিযোগ, ফের তদন্তের মুখে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ফের রাজনৈতিক বিতর্ক। নির্বাচনী প্রচারের একটি বক্তব্য ঘিরে নতুন করে চাপে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ব্যবসায়ী সঞ্জয় সিংহল। অভিযোগ, প্রচার মঞ্চ থেকে দেওয়া অভিষেকের কিছু মন্তব্য ছিল উস্কানিমূলক, যা নিয়ে আইনি পদক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছে।অভিযোগকারীর দাবি, নির্বাচনী প্রচারে অভিষেকের একাধিক বক্তব্য সমাজের বিভিন্ন অংশের মধ্যে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।ডিজে-মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক নতুন নয়। এর আগেও ভোটপ্রচারে দেওয়া একই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। উস্কানিমূলক ভাষণ, হুমকি এবং জনশান্তি বিঘ্নিত করার অভিযোগ তুলে বাগুইআটি থানায় অভিযোগ করেছিলেন রাজীব সরকার নামে এক ব্যক্তি। প্রথমে বিধাননগর সাইবার থানার হাতে তদন্ত থাকলেও পরে মামলার তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। সেই মামলার সূত্রেই শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছেছিল সিআইডি। এবার একই ‘ডিজে-মন্তব্য’কে কেন্দ্র করে শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় দায়ের হল আরও একটি নতুন অভিযোগ। এই নতুন অভিযোগ তদন্তে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


উত্তরবঙ্গে গড়ে উঠবে সুপার স্পেশালিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

উত্তরবঙ্গে গড়ে উঠবে সুপার স্পেশালিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

উত্তরবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল রাজ্য সরকার। উত্তর দিনাজপুর জেলায় একটি এইমস (AIIMS) গড়ে তোলার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রায়গঞ্জে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে এই ঘোষণা করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে উত্তরবঙ্গে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবার দাবি উঠছিল। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর সেই দাবি পূরণের আশা আরও জোরালো হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, উত্তরবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। শুধু এইমস নয়, নতুন মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মানুষের উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতার উপর নির্ভরতা কমানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।উত্তরবঙ্গকে ঘিরে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরবর্তমানে উত্তরবঙ্গের বহু রোগীকেই জটিল চিকিৎসার জন্য শিলিগুড়ি বা কলকাতায় ছুটতে হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং সুপার স্পেশালিটি পরিষেবার অভাব দীর্ঘদিনের সমস্যা। প্রস্তাবিত এইমস বাস্তবায়িত হলে উত্তর দিনাজপুর-সহ গোটা উত্তরবঙ্গের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত খুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। এইমসের জন্য জমি নির্বাচন, কেন্দ্রের অনুমোদন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়ে এখন নজর সবার। তবে সরকারের দাবি, স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে এটি হতে চলেছে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।


কালবৈশাখীর তাণ্ডব শেষ, শুরু বর্ষার শাসন! মেঘের উচ্চতা থেকে ধ্বংসক্ষমতা— কোন বৃষ্টি কত খতরনাক?

কালবৈশাখীর তাণ্ডব শেষ, শুরু বর্ষার শাসন! মেঘের উচ্চতা থেকে ধ্বংসক্ষমতা— কোন বৃষ্টি কত খতরনাক?

কলকাতা: দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাঙালির মনে এখন একটাই প্রশ্ন— তবে কি এ বছরের মতো কালবৈশাখীর দাপট শেষ? শুরু হলো একটানা বর্ষার বৃষ্টি? আকাশ কালো করে যখন মেঘ জমে, তখন সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে যে কোনটা কালবৈশাখী আর কোনটা মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে হওয়া বৃষ্টি।ছুটির দিনে রেজিস্ট্রি অফিসে আগুনবাস্তবে আবহবিজ্ঞানের নিয়মে এই দুই বৃষ্টির মধ্যে রয়েছে আকাশ-পাতাল ফারাক। সময়, মেঘের চরিত্র থেকে শুরু করে ধ্বংসক্ষমতা— সব দিক থেকেই এই দুই সিস্টেম একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আসুন জেনে নেওয়া যাক এদের ভেতরের আসল বিজ্ঞান।সময়ের ফারাক: গ্রীষ্মের বিদায় বনাম বর্ষার আগমনকালবৈশাখী: এটি মূলত প্রাক-বর্ষা বা গ্রীষ্মকালীন ঝড়। মার্চ থেকে শুরু করে জুনের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এর দাপট থাকে। চৈত্র-বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহের পর এই ঝড় তৈরি হয়।বর্ষার বৃষ্টি: জুনের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর হাত ধরে এই বৃষ্টির সূচনা হয় এবং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। অর্থাৎ, গ্রীষ্মের বিদায়লগ্নে বর্ষার স্থায়ী আসন তৈরি হয়।দাপটে এগিয়ে কোনটি?যদি আপনি আকস্মিক তীব্রতা এবং ধ্বংসক্ষমতার কথা বলেন, তবে কালবৈশাখী অনেক বেশি মারাত্মক। এর আকাশ কাঁপানো বজ্রপাত, কালান্তক ঝড় আর শিলাবৃষ্টি নিমেষের মধ্যে ঘরবাড়ি বা গাছপালা উপড়ে ফেলতে পারে।অন্য দিকে, দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব এবং জলসংকটের নিরিখে বর্ষার দাপট অনেক বেশি। বর্ষা কোনো সাময়িক তাণ্ডব নয়, বরং এটি মাসের পর মাস ধরে নদী-নালা ভরিয়ে তোলে এবং ভারতের কৃষিকাজের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।জুন মাসের এই সময়ে কালবৈশাখীর পার্ট চুকে গেছে বললেই চলে। এখন কিউমুলোনিম্বাস মেঘের জায়গা নিয়েছে মৌসুমি বায়ুর চাদর। ফলে এখন ঝড়ের দাপট কমলেও, মেঘলা আকাশ আর দফায় দফায় বৃষ্টিই হবে বাংলার চেনা ছবি।


ভবানীপুর থেকে কামারহাটি, একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য

ভবানীপুর থেকে কামারহাটি, একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ফের চাঞ্চল্য ছড়াল। তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে তদন্তে নতুন মোড় এনে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ভবানীপুরের বাসভবন থেকে কামারহাটির বিভিন্ন ঠিকানায় তদন্তকারীদের তৎপরতা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। সূত্রের খবর, আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে নেমেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্তকারী আধিকারিকরা দীর্ঘ সময় ধরে নথিপত্র খতিয়ে দেখেন এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেন।  সন্তোষপুরের একটি ক্লাব ও বেলেঘাটার একটি ফ্ল্যাটেও পৌঁছেছে ইডি। এখনও পর্যন্ত খবর, মোট ৮টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, 'আমার বাড়িতেও সকালবেলা CID এসেছিল। সই জালকাণ্ড মামলায় সহযোগিতা করতে বলেছে। আমাকে বলেছে আপনি এই নোটিসটা শুধু রিসিভ করে নিন। আমি রিসিভ করলাম। আমাকে একটা নোটিস দিয়ে চলে গেছে। দেড় মিনিট ছিল।'    তদন্ত সূত্রে দাবি, সম্পত্তি, আর্থিক লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট কিছু অভিযোগের সূত্র ধরেই এই তল্লাশি অভিযান। যদিও তদন্তের স্বার্থে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আনেনি কেন্দ্রীয় সংস্থা। এদিকে মদন মিত্রকে ঘিরে একের পর এক তদন্তমূলক পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। 


দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার