জলপাইগুড়ি: বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি এবং দুই দেশের মধ্যে বাড়তে থাকা কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে জলপাইগুড়ির তিস্তা সেতুতে মঙ্গলবার জরুরি মক ড্রিল পরিচালনা করল সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সকাল থেকেই এই মহড়ায় বিএসএফের পাশাপাশি দমকল বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জরুরি পরিষেবা সংস্থা অংশ নেয়।
জলপাইগুড়ি থেকে বাংলাদেশ অভিমুখে প্রবাহিত তিস্তা নদীর উপর অবস্থিত এই সড়ক ও রেল সেতুটি কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অসমগামী যোগাযোগ পথের অংশ হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে সেতুটির নিরাপত্তা নিয়ে বরাবরই বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখা হয়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই মহড়া আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা মহলের একাংশ।
মক ড্রিল চলাকালীন ঘন কুয়াশায় ঢাকা তিস্তা নদীর তীরজুড়ে যুদ্ধকালীন প্রস্তুতির মতো পরিবেশ সৃষ্টি হয়। সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা, অনুপ্রবেশ, জরুরি উদ্ধার, অগ্নিনির্বাপন এবং চিকিৎসা পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার মতো বিভিন্ন পরিস্থিতির মহড়া চালানো হয় বলে জানা গিয়েছে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের মতে, সীমান্তবর্তী সংবেদনশীল অঞ্চলে যে কোনও আকস্মিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনী ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় কতটা কার্যকর, তা যাচাই করাই ছিল এই যৌথ মহড়ার মূল উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ও তার প্রভাব সীমান্ত এলাকায় যাতে কোনও অশান্তির সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই মক ড্রিল তারই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিষয় : বাংলাদেশ পশ্চিমবঙ্গ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন