Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

আইপ্যাক-এ ইডির হানা: "নির্বাচনী জেতার মেশিনে দুর্নীতির জ্বালানি", আক্রমণাত্মক বিজেপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
আইপ্যাক-এ ইডির হানা: "নির্বাচনী জেতার মেশিনে দুর্নীতির জ্বালানি", আক্রমণাত্মক বিজেপি

ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর (I-PAC) সল্টলেক দফতরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হানা নিয়ে আজ দিনভর সরগরম থাকল রাজ্য রাজনীতি। একদিকে কেন্দ্রীয় সংস্থার ম্যারাথন তল্লাশি, অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির কড়া প্রেস রিলিজ— সব মিলিয়ে এই তল্লাশি এখন কেবল আইনি প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং সরাসরি রাজনৈতিক যুদ্ধে রূপ নিয়েছে।

রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে প্রকাশিত প্রেস রিলিজে আজকের এই ইডি অভিযানকে ‘দুর্নীতির পাহাড়ের হদিস’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। 

বিজেপির অভিযোগ, আইপ্যাকের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অস্বচ্ছ লেনদেন হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারের আড়ালে ‘কালো টাকা’ সাদা করার মাধ্যম হিসেবে এই সংস্থাকে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চায় গেরুয়া শিবির।

প্রেস রিলিজে আক্রমণ শানিয়ে বলা হয়েছে, "মানুষের রায় নয়, বরং দুর্নীতির টাকায় কেনা প্রযুক্তির ওপর ভর করে ভোট জেতার চেষ্টা চলছে। আইপ্যাক আসলে দুর্নীতির জ্বালানিতে চলা একটি নির্বাচনী মেশিন।"

বিজেপি দাবি করেছে, ইডির এই হানা কেবল হিমশৈলের চূড়ামাত্র। এই সংস্থার সাথে শাসক দলের রাঘববোয়ালদের কী যোগসূত্র রয়েছে, তা জনসমক্ষে আনা হোক।

আইপ্যাক কার্যালয়ে ইডির উপস্থিতির খবর চাউর হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিজেপির প্রেস রিলিজ এবং এই অভিযানকে একযোগে আক্রমণ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "বিজেপি রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। তারা জানে ২০২৬-এ তাদের পরাজয় নিশ্চিত, তাই এখন এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে।"

আজ সকাল থেকেই সল্টলেক সেক্টর ফাইভের আইপ্যাক অফিস ঘিরে রাখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। ইডি আধিকারিকরা ল্যাপটপ, সার্ভার এবং গত কয়েক বছরের অডিট রিপোর্ট খতিয়ে দেখছেন। মূলত বিদেশী মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন (FEMA) লঙ্ঘন এবং বিদেশী তহবিলের রহস্য উদ্ঘাটনই এখন এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।

আইপ্যাককে কেন্দ্র করে ইডির এই তৎপরতা এবং বিজেপির আক্রমণাত্মক অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, আগামী দিনগুলোতে রাজপথ এবং আইনি লড়াই—উভয় ক্ষেত্রেই উত্তাপ আরও বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


আইপ্যাক-এ ইডির হানা: "নির্বাচনী জেতার মেশিনে দুর্নীতির জ্বালানি", আক্রমণাত্মক বিজেপি

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর (I-PAC) সল্টলেক দফতরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হানা নিয়ে আজ দিনভর সরগরম থাকল রাজ্য রাজনীতি। একদিকে কেন্দ্রীয় সংস্থার ম্যারাথন তল্লাশি, অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির কড়া প্রেস রিলিজ— সব মিলিয়ে এই তল্লাশি এখন কেবল আইনি প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং সরাসরি রাজনৈতিক যুদ্ধে রূপ নিয়েছে।রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে প্রকাশিত প্রেস রিলিজে আজকের এই ইডি অভিযানকে ‘দুর্নীতির পাহাড়ের হদিস’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, আইপ্যাকের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অস্বচ্ছ লেনদেন হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারের আড়ালে ‘কালো টাকা’ সাদা করার মাধ্যম হিসেবে এই সংস্থাকে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চায় গেরুয়া শিবির।প্রেস রিলিজে আক্রমণ শানিয়ে বলা হয়েছে, "মানুষের রায় নয়, বরং দুর্নীতির টাকায় কেনা প্রযুক্তির ওপর ভর করে ভোট জেতার চেষ্টা চলছে। আইপ্যাক আসলে দুর্নীতির জ্বালানিতে চলা একটি নির্বাচনী মেশিন।"বিজেপি দাবি করেছে, ইডির এই হানা কেবল হিমশৈলের চূড়ামাত্র। এই সংস্থার সাথে শাসক দলের রাঘববোয়ালদের কী যোগসূত্র রয়েছে, তা জনসমক্ষে আনা হোক।আইপ্যাক কার্যালয়ে ইডির উপস্থিতির খবর চাউর হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিজেপির প্রেস রিলিজ এবং এই অভিযানকে একযোগে আক্রমণ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "বিজেপি রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। তারা জানে ২০২৬-এ তাদের পরাজয় নিশ্চিত, তাই এখন এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে।"আজ সকাল থেকেই সল্টলেক সেক্টর ফাইভের আইপ্যাক অফিস ঘিরে রাখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। ইডি আধিকারিকরা ল্যাপটপ, সার্ভার এবং গত কয়েক বছরের অডিট রিপোর্ট খতিয়ে দেখছেন। মূলত বিদেশী মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন (FEMA) লঙ্ঘন এবং বিদেশী তহবিলের রহস্য উদ্ঘাটনই এখন এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।আইপ্যাককে কেন্দ্র করে ইডির এই তৎপরতা এবং বিজেপির আক্রমণাত্মক অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, আগামী দিনগুলোতে রাজপথ এবং আইনি লড়াই—উভয় ক্ষেত্রেই উত্তাপ আরও বাড়বে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার