Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

সুস্থ থাকতে রোজ কতটা ড্রাই ফ্রুটস জরুরি? জেনে নিন সঠিক পরিমাণ ও খাওয়ার সময়

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
সুস্থ থাকতে রোজ কতটা ড্রাই ফ্রুটস জরুরি? জেনে নিন সঠিক পরিমাণ ও খাওয়ার সময়

শরীর সুস্থ রাখতে ডায়েটে বাদাম বা শুকনো ফল (Dry Fruits) রাখার পরামর্শ দেন প্রায় সব পুষ্টিবিদই। সাধারণ ফলের তুলনায় শুকনো ফলে জলীয় অংশ না থাকলেও এর পুষ্টিগুণ থাকে ঠাসা। কিন্তু জানেন কি, এই শক্তিশালী খাবারগুলো কতটা এবং কখন খাওয়া উচিত? পরিমাণের হেরফের হলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হতে পারে।

কেন খাবেন শুকনো ফল?

সাধারণ ফল রোদে শুকিয়ে ড্রাই ফ্রুটস তৈরি করা হয় বলে এর ভেতরের পুষ্টিগুণ আরও ঘনীভূত হয়। এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। নিয়মিত ড্রাই ফ্রুটস খেলে:

হজমশক্তি উন্নত হয়।

শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তির জোগান দেয়।

হৃৎপিণ্ড এবং মস্তিষ্ক সচল রাখে।

কোন ফলে কী গুণ?

১. বাদাম (Almond): ভিটামিন ই এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ বাদাম ত্বক, চুল ও হার্ট ভালো রাখে। 

২. আখরোট: এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্ষয় রোধে কার্যকরী। 

৩. কাজু: হাড় মজবুত করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজুর আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম অপরিহার্য। 

৪. পেস্তা: যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য পেস্তা সেরা, কারণ এতে ক্যালোরি কম কিন্তু প্রোটিন বেশি। 

৫. কিশমিশ ও খেজুর: রক্তাল্পতা দূর করতে কিশমিশ এবং দ্রুত এনার্জি পেতে খেজুরের জুড়ি নেই। 

৬. ডুমুর: এতে থাকা প্রচুর ক্যালসিয়াম হাড়ের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

প্রতিদিন কতটা খাবেন?

পুষ্টিবিদদের মতে, ড্রাই ফ্রুটস পুষ্টিকর হলেও এতে ক্যালোরি বেশি থাকে। তাই দিনে ৩০ গ্রামের বেশি না খাওয়াই ভালো। প্রতিদিনের সঠিক মাপটি দেখে নিন:

কাঠবাদাম: ৫-৭টি

আখরোট: ২-৩টি (অর্ধেক করা)

কাজু: ৪-৫টি

পেস্তা: ৮-১০টি

কিশমিশ: ১ টেবিল চামচ

খেজুর ও ডুমুর: ১-২টি

কখন খেলে মিলবে সেরা ফল?

সকালে খালি পেটে: রাতে ভেজানো বাদাম বা খেজুর খেলে হজম ক্ষমতা বাড়ে এবং শরীর চনমনে থাকে।

মিড-মর্নিং (১০টা-১১টা): কাজের মাঝে এনার্জি ধরে রাখতে আখরোট বা ডুমুর খান।

বিকেলের জলখাবার: ভাজাপুজি না খেয়ে কাজু বা পেস্তা খান, এতে পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা থাকবে।

ব্যায়ামের পর: ওয়ার্কআউটের ক্লান্তি দূর করতে কিশমিশ ও খেজুর জাদুর মতো কাজ করে।

রাতে ড্রাই ফ্রুটস এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এর উচ্চ পুষ্টিগুণ অনেক সময় ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এছাড়া চিনি মেশানো ড্রাই ফ্রুটস এড়িয়ে চলুন। সেরা ফল পেতে বাদাম বা কিশমিশ সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে দই বা সেদ্ধ ডিমের সাথে খেতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


সুস্থ থাকতে রোজ কতটা ড্রাই ফ্রুটস জরুরি? জেনে নিন সঠিক পরিমাণ ও খাওয়ার সময়

প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
শরীর সুস্থ রাখতে ডায়েটে বাদাম বা শুকনো ফল (Dry Fruits) রাখার পরামর্শ দেন প্রায় সব পুষ্টিবিদই। সাধারণ ফলের তুলনায় শুকনো ফলে জলীয় অংশ না থাকলেও এর পুষ্টিগুণ থাকে ঠাসা। কিন্তু জানেন কি, এই শক্তিশালী খাবারগুলো কতটা এবং কখন খাওয়া উচিত? পরিমাণের হেরফের হলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হতে পারে।কেন খাবেন শুকনো ফল?সাধারণ ফল রোদে শুকিয়ে ড্রাই ফ্রুটস তৈরি করা হয় বলে এর ভেতরের পুষ্টিগুণ আরও ঘনীভূত হয়। এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। নিয়মিত ড্রাই ফ্রুটস খেলে:হজমশক্তি উন্নত হয়।শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তির জোগান দেয়।হৃৎপিণ্ড এবং মস্তিষ্ক সচল রাখে।কোন ফলে কী গুণ?১. বাদাম (Almond): ভিটামিন ই এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ বাদাম ত্বক, চুল ও হার্ট ভালো রাখে। ২. আখরোট: এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্ষয় রোধে কার্যকরী। ৩. কাজু: হাড় মজবুত করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজুর আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম অপরিহার্য। ৪. পেস্তা: যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য পেস্তা সেরা, কারণ এতে ক্যালোরি কম কিন্তু প্রোটিন বেশি। ৫. কিশমিশ ও খেজুর: রক্তাল্পতা দূর করতে কিশমিশ এবং দ্রুত এনার্জি পেতে খেজুরের জুড়ি নেই। ৬. ডুমুর: এতে থাকা প্রচুর ক্যালসিয়াম হাড়ের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।প্রতিদিন কতটা খাবেন?পুষ্টিবিদদের মতে, ড্রাই ফ্রুটস পুষ্টিকর হলেও এতে ক্যালোরি বেশি থাকে। তাই দিনে ৩০ গ্রামের বেশি না খাওয়াই ভালো। প্রতিদিনের সঠিক মাপটি দেখে নিন:কাঠবাদাম: ৫-৭টিআখরোট: ২-৩টি (অর্ধেক করা)কাজু: ৪-৫টিপেস্তা: ৮-১০টিকিশমিশ: ১ টেবিল চামচখেজুর ও ডুমুর: ১-২টিকখন খেলে মিলবে সেরা ফল?সকালে খালি পেটে: রাতে ভেজানো বাদাম বা খেজুর খেলে হজম ক্ষমতা বাড়ে এবং শরীর চনমনে থাকে।মিড-মর্নিং (১০টা-১১টা): কাজের মাঝে এনার্জি ধরে রাখতে আখরোট বা ডুমুর খান।বিকেলের জলখাবার: ভাজাপুজি না খেয়ে কাজু বা পেস্তা খান, এতে পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা থাকবে।ব্যায়ামের পর: ওয়ার্কআউটের ক্লান্তি দূর করতে কিশমিশ ও খেজুর জাদুর মতো কাজ করে।রাতে ড্রাই ফ্রুটস এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এর উচ্চ পুষ্টিগুণ অনেক সময় ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এছাড়া চিনি মেশানো ড্রাই ফ্রুটস এড়িয়ে চলুন। সেরা ফল পেতে বাদাম বা কিশমিশ সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে দই বা সেদ্ধ ডিমের সাথে খেতে পারেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার