নতুন বছরের শুরুতেই মহাকাশ গবেষণায় বড় পদক্ষেপ করল ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। সোমবার সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান মহাকাশকেন্দ্র থেকে পিএসএলভি-সি৬২ রকেটের সফল উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল, অত্যাধুনিক নজরদারি উপগ্রহ 'ইওএস-এন১' বা 'অন্বেষা'-কে কক্ষপথে স্থাপন করা।
তথ্যাভিজ্ঞ মহল বলছে, ডিআরডিওর তৈরি 'অন্বেষা' উপগ্রহটি ভারতের প্রতিরক্ষা ও নজরদারি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করবে। এটি একটি 'হাইপারস্পেকট্রাল ইমেজিং' উপগ্রহ, যা মাটি থেকে শত শত অদৃশ্য তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মাধ্যমে শত্রু শিবিরের অবস্থান বা প্রাকৃতিক সম্পদের নিখুঁত ছবি পাঠাতে সক্ষম।
এই মূল উপগ্রহটির সঙ্গে আরও ১৫টি ছোট উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ভারতের বিভিন্ন স্টার্ট-আপ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ব্রাজিল, নেপাল এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশের উপগ্রহ রয়েছে।
প্রসঙ্গত, এটি হল পিএসএলভি-র ৬৪তম সফল উৎক্ষেপণ। এই অভিযানের মাধ্যমে ভারত প্রথমবারের মতো মহাকাশে 'স্যাটেলাইট রিফুয়েলিং' বা কক্ষপথে জ্বালানি ভরার প্রযুক্তি পরীক্ষা করছে। এছাড়াও, একটি স্প্যানিশ স্টার্ট-আপের তৈরি 'কেআইডি' ক্যাপসুলটি পরীক্ষা করা হবে, যা কাজ শেষে প্রশান্ত মহাসাগরে ফিরে আসবে।
কেন এই মিশন গুরুত্বপূর্ণ? ইসরোর বাণিজ্যিক শাখা 'নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড'-এর অধীনে এটি একটি বিশেষ বাণিজ্যিক অভিযান। একদিকে যেমন সীমান্তে কড়া নজরদারি চালাতে এই উপগ্রহ সাহায্য করবে, অন্যদিকে কৃষি, নগর পরিকল্পনা এবং পরিবেশ পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রেও এটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
এদিনের এই সফল উৎক্ষেপণের পর ইসরোর প্রধান বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, "২০২৬ সালের শুরুটা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক হল, যা ভারতের মহাকাশ অর্থনীতির নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন