কলকাতা: সাতসকালে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তৎপরতায় ফের চাঞ্চল্য তিলোত্তমায়। ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলার তদন্তে আজ সকাল থেকেই কলকাতার অন্তত ৫টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করল সিবিআই (CBI)। নিউ আলিপুর থেকে শুরু করে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের এই ম্যারাথন অভিযানে ঘুম ছুটেছে ব্যবসায়ী মহলের।
বৃহস্পতিবার ভোরেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে সিবিআই আধিকারিকদের একাধিক টিম বেরিয়ে পড়ে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর:
নিউ আলিপুর: এখানকার একটি অভিজাত আবাসনের ৫ তলার একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা। জানা গেছে, ফ্ল্যাটটি এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর।
শহরের ৫ প্রান্ত: শুধুমাত্র নিউ আলিপুর নয়, এই ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলার যোগসূত্র ধরে কলকাতার আরও ৪টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
নথিপত্র খতিয়ে দেখা: সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিস থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র এবং ডিজিটাল ডিভাইস খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বড় অঙ্কের ঋণ নিয়ে তা নয়ছয় করার অভিযোগ রয়েছে এই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।
কলকাতায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির এই সক্রিয়তা নতুন নয়। এর আগে রেশন দুর্নীতি এবং কয়লা পাচার মামলার তদন্তে কলকাতার একাধিক জায়গায় ম্যারাথন তল্লাশি চালিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় সিবিআই-এর এই হানা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। পর পর কেন্দ্রীয় এজেন্সির এই অভিযানে রীতিমতো কোণঠাসা শহরের কারবারিরা।
সিবিআই সূত্রে দাবি করা হয়েছে, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এবং তথ্যপ্রমাণের সূত্র ধরেই আজকের এই হানা। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে তা কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছে কিংবা এর পেছনে বড় কোনো প্রভাবশালী যোগ রয়েছে কি না, সেটাই এখন তদন্তের মূল বিষয়।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযানের তীব্রতা আরও বাড়ছে। নিউ আলিপুরের ওই আবাসনের বাইরে মোতায়েন রয়েছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তল্লাশি শেষে এই অভিযানে কী কী উদ্ধার হলো কিংবা কাউকে আটক করা হবে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন