ফরাক্কা: বুধবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল ফরাক্কা বিডিও অফিস চত্বর। এসআইআর শুনানি চলাকালীন আচমকাই শুরু হয় ভাঙচুর। লণ্ডভণ্ড করে দেওয়া হয় বিডিও অফিস ও শুনানির জন্য তৈরি একাধিক ক্যাম্প। সেই উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে সাময়িকভাবে শুনানি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছিল প্রশাসন। তবে, বৃহস্পতিবার সকালে জঙ্গিপুরের মহকুমাশাসক গদ্দাম সুধীর কুমার রেড্ডি স্বয়ং ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কড়া বার্তা দিলেন।
পুলিশি তৎপরতা ও গ্রেফতারি বুধবারের সেই নজিরবিহীন ভাঙচুরের ঘটনায় তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করেছে। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার (আইপিএস) জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট এবং কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসনিক বৈঠক ও শুনানিতে ফেরা বৃহস্পতিবার সকালে ফরাক্কা বিডিও অফিসে পৌঁছন মহকুমাশাসক গদ্দাম সুধীর কুমার রেড্ডি। তিনি সেখানে বিডিও এবং অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন। বুধবারের ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট নেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। মহকুমাশাসক আশ্বস্ত করেন যে গোটা ঘটনাটি নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের কাউকেই রেয়াত করা হবে না।
স্বাভাবিক ছন্দে বিডিও অফিস বৈঠক শেষে থমথমে ভাব কাটিয়ে ফের শুরু হয়েছে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়া। প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জনস্বার্থে এই শুনানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই কোনওরকম বাধায় তা থমকে থাকবে না। বর্তমানে বিডিও অফিস চত্বরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, যাতে পুনরায় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন