Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত! দুর্গাপুরে দাঁড়িয়ে মমতাকে তীব্র আক্রমণ লকেটের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত! দুর্গাপুরে দাঁড়িয়ে মমতাকে তীব্র আক্রমণ লকেটের

দুর্গাপুর: পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় রাজ্য সরকারকে তুলোধোনা করলেন বিজেপি নেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। শনিবার দুর্গাপুরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা তলানিতে ঠেকেছে এবং প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ।


মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় সাংবাদিক সোমা মাইতি ও চিত্র সাংবাদিক রঞ্জিত মাহাতোর ওপর হামলার ঘটনা তুলে ধরে লকেট চট্টোপাধ্যায় অত্যন্ত বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “সোমা মাইতিকে চুলের মুঠি ধরে রাস্তা দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। অথচ পুলিশ কর্মীরা সামনে দাঁড়িয়ে সব দেখলেও কোনো পদক্ষেপ নেননি।” লকেটের দাবি, পুলিশ কর্মীরা জানিয়েছেন তাঁদের কাছে কোনো ‘অর্ডার’ বা নির্দেশ ছিল না। একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনায় সংবেদনশীল কোনো মন্তব্য না করে উল্টে সাংবাদিকদেরই দায়ী করছেন বলে তিনি তোপ দাগেন।

রাজ্যের বর্তমান অস্থিরতার পেছনে ‘এসআইআর’ (SIR) প্রক্রিয়ার প্রভাব রয়েছে বলে দাবি করেন লকেট। তিনি স্পষ্ট জানান এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার নাম বাদ যাচ্ছে, যা রাজ্য সরকারকে চাপে ফেলে দিয়েছে। লকেট আশ্বাস দেন যে, হিন্দু শরণার্থীদের সিএএ-র (CAA) মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে এবং কেবল প্রকৃত নাগরিকরাই ভোটাধিকার পাবেন। রাজ্যের পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেন এই বিজেপি নেত্রী। তাঁর মতে, তোষণ রাজনীতির কারণেই রাজ্য সরকার পরিস্থিতির রাশ টানতে পারছে না। মুখ্যমন্ত্রী কেন এই সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া নিয়ে নীরব, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। সব মিলিয়ে, দুর্গাপুরে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের এই জোরালো সওয়াল রাজ্যের রাজনৈতিক পারদকে আরও কয়েক ধাপ চড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং ভোটার তালিকা যাচাইকরণ নিয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত! দুর্গাপুরে দাঁড়িয়ে মমতাকে তীব্র আক্রমণ লকেটের

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
দুর্গাপুর: পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় রাজ্য সরকারকে তুলোধোনা করলেন বিজেপি নেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। শনিবার দুর্গাপুরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা তলানিতে ঠেকেছে এবং প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ।মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় সাংবাদিক সোমা মাইতি ও চিত্র সাংবাদিক রঞ্জিত মাহাতোর ওপর হামলার ঘটনা তুলে ধরে লকেট চট্টোপাধ্যায় অত্যন্ত বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “সোমা মাইতিকে চুলের মুঠি ধরে রাস্তা দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। অথচ পুলিশ কর্মীরা সামনে দাঁড়িয়ে সব দেখলেও কোনো পদক্ষেপ নেননি।” লকেটের দাবি, পুলিশ কর্মীরা জানিয়েছেন তাঁদের কাছে কোনো ‘অর্ডার’ বা নির্দেশ ছিল না। একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনায় সংবেদনশীল কোনো মন্তব্য না করে উল্টে সাংবাদিকদেরই দায়ী করছেন বলে তিনি তোপ দাগেন।রাজ্যের বর্তমান অস্থিরতার পেছনে ‘এসআইআর’ (SIR) প্রক্রিয়ার প্রভাব রয়েছে বলে দাবি করেন লকেট। তিনি স্পষ্ট জানান এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার নাম বাদ যাচ্ছে, যা রাজ্য সরকারকে চাপে ফেলে দিয়েছে। লকেট আশ্বাস দেন যে, হিন্দু শরণার্থীদের সিএএ-র (CAA) মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে এবং কেবল প্রকৃত নাগরিকরাই ভোটাধিকার পাবেন। রাজ্যের পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেন এই বিজেপি নেত্রী। তাঁর মতে, তোষণ রাজনীতির কারণেই রাজ্য সরকার পরিস্থিতির রাশ টানতে পারছে না। মুখ্যমন্ত্রী কেন এই সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া নিয়ে নীরব, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। সব মিলিয়ে, দুর্গাপুরে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের এই জোরালো সওয়াল রাজ্যের রাজনৈতিক পারদকে আরও কয়েক ধাপ চড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং ভোটার তালিকা যাচাইকরণ নিয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার