মুর্শিদাবাদের সাগরদীঘি বিধানসভাকেন্দ্রের বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে হিয়ারিং নোটিশ পাঠানোকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। গত শুক্রবার সকালে এই নোটিশ প্রকাশ্যে আসার পরই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিধায়ক ও তাঁর অনুগামীরা। যার জেরে সোমবার প্রতিবাদ কর্মসূচিও পালন করা হয়।
প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, শুধুমাত্র বায়রন বিশ্বাসই নন, জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন এবং মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদারকেও একই ধরনের নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বায়রন বিশ্বাসের অভিযোগ, মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় প্রায় ৫০ থেকে ৮০ হাজার সাধারণ ভোটারকে এই ধরনের নোটিশ দিয়ে শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে। বিধায়কের দাবি, এই প্রক্রিয়ার নেপথ্যে বিজেপির উস্কানি রয়েছে। সাধারণ ভোটার এবং জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের এভাবে নোটিশ পাঠানো গণতান্ত্রিক কাঠামোর পরিপন্থী বলে সরব হয়েছেন তিনি।
এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে সাগরদীঘি বিডিও অফিসের সামনে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বিক্ষোভে বসেন বায়রন বিশ্বাস। রাস্তার উপর বসে পড়ে চলে প্রতিবাদ। বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি বলেন, "নির্বাচন কমিশন যদি আমাদের মতো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পাশাপাশি সাধারণ ভোটারকেও এইভাবে নোটিশ দিয়ে হয়রানি করতে থাকে, তাহলে গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা এই ধরনের অপকর্মের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব। ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ ভোটাধিকার আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।"
বিক্ষোভস্থলে বায়রনের সমর্থকরা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ধর্না দেন। তাঁদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর ফলে এলাকায় অহেতুক উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভোটারতালিকা সংশোধন বা যাচাইয়ের নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা কাম্য নয়। নির্বাচন কমিশনের উচিত স্বচ্ছতার সঙ্গে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন