Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

'আমরা ইমানদার চোর'! সিলিং ফ্যান চুরি করে স্কুলের মেঝেয় 'নীতিবাক্য' লিখে গেল তস্কর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
'আমরা ইমানদার চোর'! সিলিং ফ্যান চুরি করে স্কুলের মেঝেয় 'নীতিবাক্য' লিখে গেল তস্কর

মহেশতলা: চুরি তো অনেকেই করে। কিন্তু, চুরির পর ঘটনাস্থলেই নিজেদের সততার সার্টিফিকেট কজন দেয়? দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলার এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটল এমনই এক আজব কাণ্ড। চুরির শেষে শ্রেণিকক্ষের মেঝেয় চক দিয়ে নীতিবাক্য লিখে চোরের দল জানিয়ে গেল, তারা নাকি অত্যন্ত 'ইমানদার' (সৎ)!


মহেশতলা পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্য কুমার অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হানা দিয়েছিল একদল চোর। স্কুলের গ্রিল কেটে ভিতরে ঢুকে তারা বেশ আয়েশ করেই অপারেশন চালিয়েছে! তবে, যাওয়ার আগে তারা যে কীর্তি করে গিয়েছে, তা দেখে চক্ষু চড়কগাছ শিক্ষক থেকে পুলিশ — সকলেরই। ক্লাসরুমের মেঝেতে বড় বড় অক্ষরে লিখে গিয়েছে, "আমরা ঈমানদার চোর। অনেক কিছুই নেওয়ার ছিল। কিন্তু, নিলাম না।"


এই চোরেরা নিজেদের 'দয়ালু' দাবি করলেও স্কুলের সম্পত্তি লুট করতে কিন্তু ছাড়েনি। প্রাথমিক হিসাব বলছে, স্কুলের দোতলার শ্রেণিকক্ষ থেকে মোট ৯টি সিলিং ফ্যান উধাও হয়ে গিয়েছে। এমনকী, একটি টিউবওয়েল পর্যন্ত উপড়ে নিয়ে গিয়েছে তারা! এর পাশাপাশি কিছু 'সাংকেতিক ভাষা'ও লিখে রেখে গিয়েছে দেওয়ালে ও মেঝেয়।


স্কুলের আইসিডিএস কর্মীরা প্রথম বিষয়টি লক্ষ্য করেন। খবর পেয়ে মহেশতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের মতে, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় চোরেরা সম্ভবত পাশের রেললাইন ব্যবহার করে পালিয়ে গিয়েছে। তবে, তাঁদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় তাঁরা এমন 'দার্শনিক চোর' আগে কখনও দেখেননি বলেই নাকি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী আধিকারিকরা। 


এই ঘটনার তথ্য এবং খবর সোশাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয়েছে। তার জেরে নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, "চোরের মায়ের বড় গলা তো শোনা যেত। এখন চোরের হাতেও বড় লেখা দেখা যাচ্ছে!"

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


'আমরা ইমানদার চোর'! সিলিং ফ্যান চুরি করে স্কুলের মেঝেয় 'নীতিবাক্য' লিখে গেল তস্কর

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
মহেশতলা: চুরি তো অনেকেই করে। কিন্তু, চুরির পর ঘটনাস্থলেই নিজেদের সততার সার্টিফিকেট কজন দেয়? দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলার এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটল এমনই এক আজব কাণ্ড। চুরির শেষে শ্রেণিকক্ষের মেঝেয় চক দিয়ে নীতিবাক্য লিখে চোরের দল জানিয়ে গেল, তারা নাকি অত্যন্ত 'ইমানদার' (সৎ)!মহেশতলা পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্য কুমার অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হানা দিয়েছিল একদল চোর। স্কুলের গ্রিল কেটে ভিতরে ঢুকে তারা বেশ আয়েশ করেই অপারেশন চালিয়েছে! তবে, যাওয়ার আগে তারা যে কীর্তি করে গিয়েছে, তা দেখে চক্ষু চড়কগাছ শিক্ষক থেকে পুলিশ — সকলেরই। ক্লাসরুমের মেঝেতে বড় বড় অক্ষরে লিখে গিয়েছে, "আমরা ঈমানদার চোর। অনেক কিছুই নেওয়ার ছিল। কিন্তু, নিলাম না।"এই চোরেরা নিজেদের 'দয়ালু' দাবি করলেও স্কুলের সম্পত্তি লুট করতে কিন্তু ছাড়েনি। প্রাথমিক হিসাব বলছে, স্কুলের দোতলার শ্রেণিকক্ষ থেকে মোট ৯টি সিলিং ফ্যান উধাও হয়ে গিয়েছে। এমনকী, একটি টিউবওয়েল পর্যন্ত উপড়ে নিয়ে গিয়েছে তারা! এর পাশাপাশি কিছু 'সাংকেতিক ভাষা'ও লিখে রেখে গিয়েছে দেওয়ালে ও মেঝেয়।স্কুলের আইসিডিএস কর্মীরা প্রথম বিষয়টি লক্ষ্য করেন। খবর পেয়ে মহেশতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের মতে, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় চোরেরা সম্ভবত পাশের রেললাইন ব্যবহার করে পালিয়ে গিয়েছে। তবে, তাঁদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় তাঁরা এমন 'দার্শনিক চোর' আগে কখনও দেখেননি বলেই নাকি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী আধিকারিকরা। এই ঘটনার তথ্য এবং খবর সোশাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয়েছে। তার জেরে নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, "চোরের মায়ের বড় গলা তো শোনা যেত। এখন চোরের হাতেও বড় লেখা দেখা যাচ্ছে!"

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার