কলকাতা: খেলার মাঠ ছাড়িয়ে এবার কলকাতার আদালতে হাজির লিওনেল মেসি ও দিয়েগো মারাদোনা! লেকটাউনে ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকার মূর্তি বসানো নিয়ে রাজ্য সরকার ও দমদম পুরসভার কাছে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চ তিন সপ্তাহের মধ্যে এই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
সম্প্রতি লেকটাউনে লিওনেল মেসির একটি ৭০ ফুট দীর্ঘ মূর্তি উন্মোচন করা হয়। খোদ মেসির হাত দিয়েই এই মূর্তির উদ্বোধন করান রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু। এর আগে ২০১৭ সালে ওই এলাকাতেই মারাদোনার মূর্তিও বসানো হয়েছিল। জনস্বার্থ মামলাকারী স্বদেশ মজুমদারের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুযায়ী জনসাধারণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে সরকারি জমিতে কোনও মূর্তি বসানো যায় না। এই মূর্তিগুলি কি সরকারি জমিতে বসানো হয়েছে? এই প্রশ্ন তুলেই আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।
মামলাকারীর বক্তব্য শোনার পর হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানতে চেয়েছে, মূর্তি স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত জমিটি আসলে কার? আদালতের নির্দেশ, দমদম পুরসভা এবং রাজ্য সরকারকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ওই জমি সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন মেনে ওই জমি ব্যবহারের অনুমতি ছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হবে।
প্রসঙ্গত, গত বছর ডিসেম্বরে মেসির কলকাতা সফর কেন্দ্র করে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তারও রেশ পৌঁছেছে আদালতে। মেসিকে মাত্র ১৬ মিনিট (প্রায়) মাঠে দেখা যাওয়ায় উত্তেজিত জনতা স্টেডিয়ামে ভাঙচুর চালায়। সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতেই লেকটাউনে মেসির মূর্তি বসানোর প্রসঙ্গটি উঠে আসে। মামলাকারীর দাবি, যেখানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও চলাচলের প্রশ্ন জড়িত, সেখানে সরকারি জমিতে এভাবে বিশালকায় মূর্তি বসানো যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন